বিএনএ, ঢাকা: জামায়াতের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে জাতীয় সংসদের স্পিকারের আনুষ্ঠানিক চিঠির অপেক্ষায় রয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, কেবল কোনো রাজনৈতিক দলের চিঠির ওপর ভিত্তি করে ইসি আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারে না। তবে স্পিকারের রেফারেন্স বা চিঠি পেলে আইন ও সংবিধান পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ স্পষ্ট করে বলেন, “রাজনৈতিক দলের বহিষ্কারের চিঠির ভিত্তিতে সংসদ সদস্য পদ থাকবে কি না, তা নির্ধারণ করা কমিশনের এখতিয়ারে পড়ে না। দল থেকে বহিষ্কার করলে ইসির সরাসরি কিছু করার থাকে না। তবে কোনো সংসদ সদস্য যদি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন, সেক্ষেত্রে পদ শূন্য হয়। স্পিকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক রেফারেন্স পেলে বিরোধটি (ডিসপিউট) পর্যালোচনা করা হবে এবং প্রয়োজনে শুনানির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
উল্লেখ্য, সম্প্রতি এক নারীর সঙ্গে গাজী নজরুল ইসলামের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়।শুরুতে ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বলে দাবি করা হলেও পরবর্তীতে গাজী নজরুল ইসলাম নিজেই ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ওই নারীকে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী বলে স্বীকার করেন।
বিএনএ/ ওজি
![]()

