Bnanews24.com
Home » সাংবাদিকদের রেজিস্ট্রেশন
মন্তব্য প্রতিবেদন

সাংবাদিকদের রেজিস্ট্রেশন

সাংবাদিকদের রেজিস্ট্রেশন

মাননীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ গত ৩০জুলাই ২০২১ বলেছেন, ‘অনলাইন নিউজপোর্টাল নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন একটি চলমান প্রক্রিয়া। যেসব অনলাইন নিউজপোর্টালের পক্ষে সরকার নির্ধারিত সংস্থাগুলোর অনাপত্তি পাওয়া গেছে, সেগুলো প্রাথমিক রেজিস্ট্রেশনের অনুমতি পাবে।

ড. হাছান বলেন, ‘আমাদের ওয়েবসাইটে যে তালিকা আপলোড হবে, সেখানে অনেক প্রতিষ্ঠিত অনলাইনের নাম হয়তো দেখা যাবে না। তার কারণ এটি নয় যে তাদের ব্যাপারে রিপোর্ট নেগেটিভ। আসলে তাদের ব্যাপারে এখনও প্রতিবেদন না পৌঁছানোই এর কারণ। পরবর্তীতে অন্যান্য অনলাইন নিউজপোর্টালের ব্যাপারে অনাপত্তি প্রতিবেদন পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সেগুলোকে নিবন্ধনের অনুমতি দেওয়া হবে। তাই এ বিষয়ে কোনও উদ্বেগের কারণ নেই, কারও নাম বাদ পড়লেও হতাশ হওয়ার কারণ নেই। কারণ, সাড়ে ৩ হাজারের মধ্যে মাত্র কিছু নাম আজ আপলোড হবে। এটি চলমান প্রক্রিয়া।’

সব অনলাইন পোর্টাল সম্মিলিতভাবে দেশ গঠনের কাজ করবে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যারা এর আগে ভুল পথে হেঁটেছেন, তারা নিজেদের সংশোধন করে নেবেন, এটিই আমাদের প্রত্যাশা, জাতির প্রত্যাশা।’

এদিকে সরকার এ পর্যন্ত ৯২টি  পত্রিকার অনলাইন ভার্সন এবং ৮৫টি নিউজ পোর্টালকে নিবন্ধনের জন্য অনুমোদন দিয়েছে।

যে ৩হাজারের বেশি অনলাইন নিউজ পোর্টাল সরকারের কাছে রেজিস্ট্রেশনের জন্য আবেদন করেছে,সেগুলোর মধ্যে প্রতিদিন নিউজ আপডেট হয় প্রায় একহাজার সাইট। এ সব সাইটের সাথে গড়ে১৫জন সাংবাদিক কর্মচারী সেন্ট্রাল অফিসে কর্মরত থাকলে মোট সাংবাদিক কর্মচারির সংখ্যা দাড়ায় ১৫হাজার। তাদের ওপর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্য সংখ্যা গড়ে ৩জন হলে নারী শিশুসহ মোট ৪৫হাজার। তাছাড়া প্রতিটি পোর্টালের সাথে সারাদেশে,বিদেশে মিলে শতাধিক সাংবাদিকের রুটি রুজি জড়িত।

দেশে প্রকৃত সাংবাদিক যাদের একমাত্র পেশা সাংবাদিকতা ও লেখালেখি তা নির্ণয়ে জরীপ প্রয়োজন। বাংলাদেশে এমন পত্রিকাও আছে যেগুলোতে কোন সাংবাদিক কাজ করেন না। ম্যানেজার ছাপান,বিজ্ঞাপন সংগ্রহ করেন, বিল তুলেন। কিছু লোক আছে চুক্তিভিত্তিক দৈনিক ২/৩শ পত্রিকা ছাপিয়ে পৌঁছে দেন।পত্রিকাগুলোর প্রথম পাতা ও শেষ পাতার নিউজ প্রায় একরকমই থাকে। ডার্কসাইটের পত্রিকা বলা হয়এগুলোকে। এরা বিজ্ঞাপন খায়।

অনেক বড় পত্রিকার বিজ্ঞাপন ম্যানেজার ৪/৫টি পত্রিকা চালান। মালিকের খবর নেই। সাংবাদিকও নেই। এ সব চিহিৃত করতে সরকারের এজেন্সিগুলো যথেষ্ট।

নিউজ পোর্টালগুলোতে কেবল নবীন সাংবাদিকরা কাজ করেন এমন নয়,দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকায় বহু বছরের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন সাংবাদিকের সংখ্যাও কম নয়। সাংবাদিক ইউনিয়ন, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্যভুক্ত অনেক সাংবাদিক নিউজ পোর্টালগুলোতে কাজ করেন।

০১. সাংবাদিকদের রেজিস্ট্রেশন জরুরি। যাদের এনআইডি ও পাসপোর্টে পেশা সাংবাদিকতা উল্লেখ থাকবে। খন্ডখালীন যারা এ পেশার সাথে যুক্ত থাকবে হয়তো তারা অন্য পেশার বা ফ্রিল্যান্সার হতে পারে।

০২. একটি নিউজ পোর্টাল পরিচালনার জন্য কতজন ফুলটাইম,পার্টটাইম সাংবাদিক কর্মচারি থাকতে হবে তারও নীতিমালা থাকা জরুরি।

০৩.নিউজ পোর্টালগুলো পরিচালনা,বেতন ভাতা, সরকারি কি কি সুবিধা পাবে তাও নিশ্চিত করা

পাশাপাশি উন্নত রাষ্ট্র গঠনের জন্য সাংবাদিকসহ সব পেশাজীবীদের রেজিস্ট্রেশনের আওতায় এনে জাতীয় নাগরিক ডাটাবেজ করা খুব জরুরি।যেখানে থাকবে প্রতিটি পেশাজীবীর শ্রমজীবীর তালিকা।

রিপন সেন, হালিশহর।