20 C
আবহাওয়া
৮:৪৮ অপরাহ্ণ - জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
Bnanews24.com
Home » কেমন হবে বিএনপির নওশাদ এনসিপির সারজিসের লড়াই?

কেমন হবে বিএনপির নওশাদ এনসিপির সারজিসের লড়াই?


বিএনএ, ঢাকা : পঞ্চগড়।রাজনগড়, মিরগড়, ভিতরগড়, দেবেনগড় ও হোসেনগড় নামের পাঁচটি গড়ের সমন্বয়ে গঠিত পঞ্চগড় জেলা। এ জেলার তিনদিকেই ১৮৩ মাইল বেষ্টিত বাংলাদেশ-ভারতীয় সীমান্ত অঞ্চল।

পঞ্চগড় জেলার উত্তরে ভারতের দার্জিলিং ও জলপাইগুঁড়ি জেলা, উত্তর পূর্ব ও পূর্বে জলপাইগুঁড়ি ও কুচবিহার জেলা এবং বাংলাদেশের নীলফামারী জেলা, পশ্চিমে ভারতে পুর্নিয়া ও উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্বে ঠাকারগাঁও ও দিনাজপুর জেলা অবস্থিত। পঞ্চগড় জেলায় রয়েছে দুটি সংসদীয় আসন। এগুলো হচ্ছে পঞ্চগড়-১ এবং পঞ্চগড়-২।

পঞ্চগড় -১ সংসদীয় আসনটি জাতীয় সংসদের ১ নম্বর আসন। এই সংসদীয় আসনটি পঞ্চগড় সদর উপজেলা, তেতুলিয়া উপজেলা ও আটোয়ারী উপজেলা নিয়ে গঠিত।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ সংসদীয় আসনটি নিয়ে সারাদেশের মানুষের বেশ কৌতুহল রয়েছে। কেননা এই আসন থেকে এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা বর্তমানে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)র উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট তাকে সমর্থন দিয়েছে। সেকারণে মনোনয়ন দাখিল করেননি দেড় বছর ধরে প্রচারাভিযানে থাকা জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী পঞ্চগড় জেলা আমির এবং তেতুলিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান,আমির ইকবাল হোসাইন।

এই আসনে বিএনপির মনোনিত প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমির। তিনি মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। এই দুইজন ছাড়াও মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান। জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি -জাগপার আল রাশেদ প্রধান, গণঅধিকার পরিষদের মাহাফুজুর রহমান, লেবার পার্টির ফেরদৌস আলম, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের সিরাজুল ইসলাম ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি বিএসপির আব্দুল ওয়াদুদ বাদশা।
জাতীয় সংসদের ১ নম্বর এই আসনে অনেক প্রতিদ্বন্দ্বি থাকলেও মুল লড়াই হবে বিএনপির ধানের শীষ বনাম এনসিপির শাপলা কলির মধ্যে। কেমন হবে বিএনপির ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমির এবং এনসিপির মূখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলমের লড়াই। সেই বিশ্লেষণে যাওয়ার আগে, আসুন জেনে নেই তত্ত্ববধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ৪টি নির্বাচনের ফলাফল।

নব্বইয়ের গণ আন্দোলনে জাতীয় পার্টি সরকারের পতনের পর তিন জোটের রূপরেখার আলোকে দেশে প্রথমবারের মতো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯১ সালের ২৭শে ফেরুয়ারি পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সময়ে পঞ্চগড় ১ সংসদীয় আসনে ভোটার ছিল ১ লাখ ৯৯ হাজার ১ শত ৮১ জন। নির্বাচনে বিএনপির মীর্জা গোলম হাফিজ বিজয়ী হন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পান ৭৮ হাজার ৬ শত ৩৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের সিরাজুল ইসলাম। নৌকা প্রতীকে তিনি পান ৩৮ হাজার ৬ শত ৪ ভোট।

১৯৯৬ সালের ১২ জুন অনুষ্ঠিত সপ্তম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তখন ভোটার ছিল ২ লাখ ৪ শত ৫৭ জন। নির্বাচনে বিএনপির ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বিজয়ী হন। ধানের শীর্ষ প্রতীকে তিনি পান ৫৭ হাজার ৪ শত ৩৩ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের নুরুল ইসলাম সুজন। নৌকা প্রতীকে তিনি পান ৪৮ হাজার ১২ ভোট।

২০০১ সালের পহেলা অক্টোবর অনুষ্ঠিত অষ্টম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটার ছিল ২ লাখ ৪০ হাজার ৭৩ জন। বিএনপির ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার দ্বিতীয়বার বিজয়ী হন। ধানের শীর্ষ প্রতীকে তিনি পান ৮১ হাজার ৭ শত ৮১ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের নুরুল ইসলাম সুজন। নৌকা প্রতীকে তিনি পান ৭০ হাজার ১ শত ৬৪ ভোট।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম সংসদ নির্বাচনে ভোটার ছিল ২ লাখ ৯১ হাজার ৯৫ জন। দীর্ঘ ১৫ বছর পর আওয়ামী লীগ প্রার্থী মাজাহারুল হক প্রধান বিজয়ী হন । তিনি পান ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫ শত ৫০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার। তিনি পান ১ লাখ ৭ হাজার ৭ শত ২৫ ভোট।

পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯১ সালের পঞ্চম, ১৯৯৬ সালের সপ্তম, ২০০১ সালের অষ্টম সংসদ নির্বাচেন বিএনপি বিজয়ী হয়। ২০০৮ সালের নবম সংসদে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হন।

এবার আসা যাক, আওয়ামী লীগের অধীনে অনুষ্ঠিত দশম, একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন কেমন ছিল? কে সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন?

২০১৪ সালে ৫ই জানুয়ারি দশম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে বিএনপি ও জামায়েত ইসলামী অটল থাকে এবং নির্বাচন বর্জন করে। অপরদিকে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলীয় জোট নির্বাচনে অংশ নেয়। আওয়ামী লীগ এই আসনে ১৪ দলীয় প্রার্থী সামাজতান্ত্রিক দল নাজমুল হক প্রধান প্রার্থীকে সমর্থন দেয়। এক তরফাএই নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে যায়নি ভোটরা। ভোটারবিহীন এই নির্বাচনে জাতীয় সামাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) প্রার্থী নাজমুল হক প্রধানকে সংসদ সদস্য ঘোষণা করা হয়।

২০১৮ সালের ৩০শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে। বিএনপি থেকে ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, জাসদ থেকে আওয়ামী লীগ যোগদানকারি মাজারুল হক প্রধানসহ ৭জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। কিন্তু ভোটের আগের দিন রাতে প্রশাসনের সহযোগীতায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নৌকা প্রতীকের সিল মেরে ব্যালেট বক্স ভর্তি করে রাখে। নৈশ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মাজারুল হক প্রধানকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। কারচুপির অভিযোগে বিএনপির নেতৃতাধীন জাতীয় ঐক্যজাট এই সংসদ নির্বাচন বর্জন ও ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে।

২০২৪ সালের ৭ই জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপি- জামায়াত ইসলামীসহ তাদের সমমনা দল গুলো নির্বাচন বর্জন করে। আমি-ডামি খ্যাত এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। যদিও ভোটারদের বড় অংশ ভোট কেন্দ্রে যায়নি। আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোঃ নাঈমুজ্জামান ভুইয়াঁকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনের ৮ মাসের মাথায় ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্ট ছাত্র- জনতার গণঅভূন্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এর পরদিন রাষ্ট্রপতি এই সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করে।
এবার আসা যাক, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ৪টি নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ (তেতুলিয়া- আটোয়ারী) আসনে রাজনৈতিক দলগুলো কত শতাংশ ভোট পেয়েছিল সেই বিশ্লেষণে।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, পঞ্চগড়-১ সংসদীয় আসনে ১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৬১.৪৩% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে সিপিবি ৩১.৫৫ %,বিএনপি ৩৯.৭৮% ,জাতীয় পার্টি ৯.২৭% জামায়াত ইসলামী ৯.০৫% ,স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ১০.৩৫% ভোট পায়।
১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৮০.৯০% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৯.৬১%, বিএনপি ৩৫.৪২% ,জাতীয় পাটি ২৩.৪৯%, জামায়াত ইসলামী ১০.৯০% ,স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ০.৫৮% ভোট পায়।

২০০১ সালের অষ্টম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৮৫.৩১% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩৪.২৬%, ৪ দলীয় জোট ৩৯.৮৯% জাতীয় পাটি ২৪.৮২% ,স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ১.০৩% ভোট পায়।

২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৯১.৯১% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে ১৪ দলীয় মহাজোট ৫৮.৫২%, ৪ দলীয় জোট ৪০.২৭% ,স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ১.২১% ,ভোট পায়।
তথ্য উপাত্ত, মাঠ পর্যায়ে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে চালানো জরিপ ফলাফলে দেখা যায়, পঞ্চগড়-১ তেতুলিয়া ও আটোয়ারী উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনটি বিএনপির ঘাঁটি। আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবস্থও বেশ মজবুত ও সুসংগঠিত। তবে এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন।মাঠে নেই আওয়ামী লীগ।নেতারা পলাতক, কর্মীরা নিরব ও
এই আসনে জুলাই আন্দোলনের অন্যতম যোদ্ধা তারুণ্যের নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হিসাবে বিরতিহীনভাবে প্রচারাভিযানে রয়েছেন। তরুণ এই নেতা দল আত্মপ্রকাশের পরপরই শতাধিক গাড়ি বহর নিয়ে শোডাউন, বিভিন্ন দিবস ও অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে অস্তিত্ব জানান দিয়েছেন। কিন্তু এনসিপির সাংগঠনিক অবস্থান নেই বললে চলে। তাছাড়া সারজিস আলমের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাও নেই। তবে আটোয়ারি উপজেলার আলোয়াখোয়াসহ কয়েকটি ইউনিয়নের লোকজন তাকে এলাকার সন্তান হিসাবে সমর্থন দিয়েছেন।

নির্বাচনে সারজিসের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা রয়েছে। তাকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের অনুসারি হিসাবে চিনে। সারজিসের বাবা আক্তারুজ্জামান সাজু আটোয়ারি উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের আগ পর্যন্ত যুক্ত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনাকে প্রশংসা করে দেয়া সারজিস আলমের তৎকালীন অনেক বক্তব্য এখন ভাইরাল।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে এমন আবেগঘন বক্তব্য প্রদানকারি এই ছাত্রলীগ নেতা ১৮০ ডিগ্রীতে ঘুরে গেছে। কথায় কথায় তিনি আওয়ামী লীগের সমালোচনা করেন। অনেকে মনে করেন, সারজিস আলম ছাত্রলীগের ছত্রছায়ায় ইসলামী ছাত্র শিবিরের গুপ্ত স্কোয়ার্ডের সদস্য ছিলেন। যার প্রমাণ মেলে ইসলামী ছাত্র শিবিরের সম্মেলনের বক্তব্য।ছাত্র শিবিরকে জুলাই আন্দোলনের অন্যতম অগ্রসৈনিক উল্লেখ করে মুজিববাদ ও ভারতীয় ভারতীয় আধিপত্য রুখে দেয়ার ঘোষণায়।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়-১ আসনে সারজিস আলম এবং তার দল এনসিপির ভরসা এখন জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবির। আটোয়ারি তেতুলিয়া উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক অবস্থা বেশ শক্ত।

সারজিসকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়া জামায়াতে ইসলামীর পঞ্চগড় জেলা আমির তেঁতুলিয়া উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন ব্যক্তিগত ভালো ইমেজ রয়েছে। গণ মানুষের নেতা হিসেবে তার বেশ জনপ্রিয়তার রয়েছেন। ২০১৪ সালে আওয়ামী শাসনামলে তিনি বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীকে হারিয়ে তেঁতুলিয়া উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। জামায়াত ইসলামীর ভোট ব্যাংকই এখন এনসিপি সারজিস আলমের ভরসা।

এই আসনে বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের ছেলে। ওই আসনে তিনি ১৯৯০ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত টাকা পাঁচবারের নির্বাচিত সংসদ ছিলেন। নওশাদ জমির নৈশ ভোট খ্যাত ২০১৮ সালের নির্বাচনেও প্রার্থী ছিলেন। ভোটারদের কাছে তার এবং তার বাবার ক্লিন ইমেজ রয়েছে। সেই ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের এবং সুইয়িং ভোটের বড় অংশের সমর্থন রয়েছে তার প্রতি। সব মিলিয়ে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় প্রার্থী এনসিপির সারজিস আলমকে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমির বিপুল ভোটে পরাজিত করবেন এমনটাই মনে করছেন, দৈবচয়ন পদ্ধিতে পরিচালিত বিএনএ নিউজ টুয়েন্টিফোরের জরিপে অংশ নেয়া বেশিরভাগ ভোটার।

বিএনএনিউজ/সৈয়দ সাকিব/এইচ.এম।

 

Loading


শিরোনাম বিএনএ