Bnanews24.com
Home » পদ্মা সেতুর ফলে ঢাকায় বাড়বে গাড়ির চাপ, রিং রোড করা জরুরি: প্রধানমন্ত্রী
কভার জাতীয় বাংলাদেশ রাজনীতি সব খবর

পদ্মা সেতুর ফলে ঢাকায় বাড়বে গাড়ির চাপ, রিং রোড করা জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

সারা বিশ্বেই সংকট; সবাইকে মিতব্যয়ী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

বিএনএ ডেস্ক: পদ্মা সেতুর ফলে রাজধানীতে যানবাহনের চাপ বাড়বে। যানবাহনের চাপ সামাল দিতে রাজধানীর চারপাশে রিং রোড গড়ে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (৩ জুলাই) সকালে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে ২০২২-২৩ সালের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হোন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দক্ষিণাঞ্চলের শাকসবজির সুফল পেতে রাজধানীতে নতুন বাজার গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজধানীর চারপ্রান্তে চারটি স্থায়ী কাঁচাবাজার গড়ে তোলা হবে। আমিনবাজারের দিকে একটি মার্কেট হতে পারে। কেরানীগঞ্জ বা পোস্তগোলায় একটি হোলসেল মার্কেট করা হতে পারে। কামরাঙ্গিরচরেও আরেকটি মার্কেট হতে পারে। শহরের চার কোণায় চারটি মার্কেট হলে পণ্য সেখানে সহজে পৌঁছাতে পারবে। এতে পণ্যবাহী যানবাহন শহরের ভেতর ঢোকার প্রয়োজন হবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের উন্নত জীবন মান নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। চলমান উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দেশকে একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ যথনই ক্ষমতায় এসেছে এবং বাজেট প্রণয়ন করেছে, তখন তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারটা সামনে রেখে কতটুকু তার বাস্তবায়ন হয়েছে এবং কতটুকু করতে হবে, তা ধরেই সবসময় কর্মনির্ধারণ করে থাকে, এক্ষেত্রে দলের জন্যও পৃথক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সরকার ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে তুলে আনতে সক্ষম হয়েছে। কারোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করেছে। পাশাপাশি জাতির পিতার চালু করে যাওয়া গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের অনুসরণে দেশের সকল গৃহহীণকে ‘মুজিববর্ষে’ বিনামূল্যে একটি ঘর করে দেয়ার পকিল্পনা বাস্তবায়ন অব্যাহত রেখেছে।

অনুষ্ঠানে বার্ষিক কর্মসম্পাদনে সাফল্য অর্জনকারি মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহ এবং ব্যক্তি বিশেষের মাঝে ‘বার্ষিক কর্মসম্পাদন পুরস্কার ২০২২’ ও ‘শুদ্ধাচার পুরস্কার ২০২২’ প্রদান করা হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ বার্ষিক কর্মসম্পাদনে শীর্ষ স্থান অর্জন করে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কৃষিমন্ত্রণালয় দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বিজয়ীদের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন।

এরআগে, সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহের সচিব এবং সিনিয়র সচিববৃন্দ নিজ নিজ দপ্তরের পক্ষে চলতি বছরের জন্য বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর করেন। পরে একে একে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর হাতে তা তুলে দেন। অনুষ্ঠানে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির ওপর একটি ভিডিও চিত্রও প্রদর্শন করা হয়।

বিএনএন/এ আর