29 C
আবহাওয়া
৪:৫৮ পূর্বাহ্ণ - এপ্রিল ২২, ২০২৬
Bnanews24.com
Home » অভিযান চললেও থামেনি ইলিশ শিকার!

অভিযান চললেও থামেনি ইলিশ শিকার!


বিএনএ, চট্টগ্রাম: ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিনব্যাপী চলছে মা ইলিশ রক্ষা অভিযান। তবে অভিযান চললেও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় ইলিশ শিকার ও বিক্রি বন্ধ হয়নি। কর্ণফুলীতে প্রশাসনের ঢিলেঢালা তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

দুই সপ্তাহের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও উপজেলার বিভিন্ন নদীঘাট ও বাজারে ইলিশ বিক্রি চলছে প্রকাশ্যেই। এমনকি কর্ণফুলী নদীসংলগ্ন ইছানগর, চরপাথরঘাটা এলাকার বিভিন্ন স্টোরেজে শত শত টন ইলিশ ও জাটকা মজুত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার সময় জেলেদের বাধা দিতে গেলে বেপরোয়া হামলার ঘটনাও ঘটেছে একাধিক স্থানে। স্থানীয়রা বলছেন, প্রশাসনের ঢিলেঢালা নজরদারি ও দায়সারা অভিযানেই মূলত নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে না।

অন্যদিকে জেলার অন্যান্য উপজেলায় মৎস্য অফিসের নেতৃত্বে প্রশাসন, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সমন্বিত টিম নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে টহল ও অভিযান চালাচ্ছে। কিন্তু কর্ণফুলীতে এ ধরনের সক্রিয় তৎপরতা চোখে পড়ছে না। মা ইলিশ সংরক্ষণে মাইকিং বা গণসচেতনতা কর্মসূচিরও দেখা মেলেনি।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুল আলীমের অনুপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় জেলেরা।

নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে ২২ দিনের এই নিষেধাজ্ঞা ৪ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে চলবে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। এ সময়ে ইলিশ ধরা, পরিবহন, বিক্রি, সংরক্ষণ ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করলে এক থেকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৩৮ জেলার নদনদীতে সাত লাখ ৪৩ হাজার জেলে ইলিশ শিকারের সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে ছয় লাখ ২০ হাজার জেলে এ বছর সরকারের ভিজিএফ কার্ডের আওতায় ২৫ কেজি করে চাল পেয়েছেন। তবে কর্ণফুলী উপজেলার জেলেরা এখনো সেই সহায়তা পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে কর্ণফুলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আব্দুল আলীম বলেন,“এই ২২ দিনে আমরা দুই দফায় ১৫০ কেজি ইলিশ ও ৩ হাজার কেজি বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ জব্দ করেছি। কোস্টগার্ডের সহায়তায় প্রতিদিন কলেজবাজার, ব্রিজঘাট, ক্রসিংসহ প্রতিটি বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্টও পরিচালনা করা হচ্ছে।”

তবে মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনের কার্যক্রম ও মৎস্য কর্মকর্তার বক্তব্যের মধ্যে বড় ধরনের অমিলই থেকে যাচ্ছে।

বিএনএ/শাম্মী

Loading


শিরোনাম বিএনএ