Bnanews24.com
জাতীয় সব খবর

সমন্বিত পরিকল্পনাই নিশ্চিত করবে টেকসই উন্নয়ন-বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বিএনএ, ঢাকা :  বাপেক্স ২০২০ সালে শাহবাজপুর-৩, শ্রীকাইল-৪, ফেঞ্চুগঞ্জ-৪ ও তিতাস-৭ নং কূপে সফলভাবে ওয়ার্কওভার কার্যক্রম সম্পাদন এবং গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি করেছে । বাপেক্স ২০২০ সালেই শ্রীকাইল ইস্ট-১ নং কূপে অনুসন্ধান করে সম্ভাব্য ৫০ বিসিএফ উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদ এবং সিলেট-৯ নং কূপে সম্ভাব্য ৩৫ বিসিএফ গ্যাস উৎপাদনের সম্ভাবনার হিসাব জানিয়েছে। জকিগঞ্জ-১ নং কূপটিতে ২,৯৮২ মিটার গভীরতা পর্যন্ত খননশেষে ২৮৭২-২৮৮৪ মিটার গভীরতায় পারফোরেশন সম্পন্ন করে কূপ পরীক্ষণ (ডিএসটি) কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

          বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ CRI albd web Team এর উদ্যোগে আয়োজিত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তার বাজেট শীর্ষক  ওয়েবিনারে শুক্রবার (১১ জুন) প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ তথ্য জানান।

          তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সাশ্রয়ী ব্যবহারে প্রি-পেইড মিটার কার্যকরী অবদান রাখবে। দেশীয় জ্বালানি ব্যবহারে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নেয়া দরকার। ১০ বছর যে জ্বালানি ব্যবহৃত হতো তা কীভাবে ১৫ বছর করা যেতে পারে, তা নিয়ে এখনি চিন্তা-ভাবনা করা উচিৎ। বাপেক্সকে শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে উল্লেখ করে  তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি হতে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রণোদনা-প্রদান অব্যাহত রয়েছে। আগামীদিনে বিদ্যুৎ-উৎপাদনের অন্যতম প্রধান উৎস হতে পারে নারায়নযোগ্য জ্বালানি। বায়ুবিদ্যুৎ, ওশান রিনিউবল এনার্জি, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, সৌরবিদ্যুৎ  ইত্যাদি আগামীর জ্বালানি মিশ্রণে ব্যাপক অবদান রাখবে

          প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, ২০০৯-১০ অর্থবছরে বিদ্যুৎখাতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ ছিল ২৬৪৪.২৬ কোটি টাকা। ২০২১-২২ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে এ খাতে ২৬১১৮.৭৬ কোটি টাকা (নিজস্ব অর্থায়্নসহ) বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিতরণসংশ্লিষ্ট ৩১টি, সঞ্চালনসংশ্লিষ্ট ১৮টি, উৎপাদনসংশ্লিষ্ট ১৭টি, কারিগরি ৬টি ও নিজস্ব অর্থায়নে ২টি প্রকল্পের অনুকূলে এই ২৬,১১৮.৭৬ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগে ২০২১-২২ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ১৭টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। উক্ত প্রকল্পসমূহের অনুকূলে ২৮৫১.৪৭  কোটি টাকা (নিজস্ব অর্থায়্নসহ)  বরাদ্দ রয়েছে।

          ২০৪১ সালে সমৃদ্ধ বাংলাদেশকে সামনে রেখে বিদ্যুৎব্যবস্থা ও ব্যবস্থাপনায়  ই আর পি, স্ক্যাডা, স্মার্ট গ্রীড, স্মার্ট প্রিপেইড মিটার, ভূগর্ভস্থ ক্যাবল-ব্যবস্থা, ভূগর্ভস্থ উপকেন্দ্র এবং জি আই ট্রান্সফরমার সংযোজনের উদ্যোগ চলমান। বিগ ডাটার সাথে ইন্টারনেট অব থিংকস সম্পৃক্ত করে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মোকাবেলায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানিখাত প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

          অনলাইন ওয়েবিনারে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান অরুণ কর্মকার, এনার্জি এন্ড পাওয়ার ম্যাগাজিনের সম্পাদক মোল্লাহ আমজাদ হোসাইন ও ডেইলি অবজারভারের বিশেষ প্রতিনিধি শাহনাজ বেগম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক ওয়াসেকা আয়েশা খান, এমপি,  জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম তামিম ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ডঃ সেলিম মাহমুদ ও বক্তব্য রাখেন।

বিএনএ/এসজিএন