Bnanews24.com
Home » ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নীতিমালার খসড়া সম্পন্ন : তথ্যমন্ত্রী
আইটি-আইসিটি জাতীয় মন্ত্রী সব খবর

ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নীতিমালার খসড়া সম্পন্ন : তথ্যমন্ত্রী

বিএনএ, ঢাকা : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বিষয়ে নীতিমালার খসড়া প্রস্তুত করেছে, শিগগিরই তা প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী একথা জানান।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান কাজ ‘রেগুলেটরি জব’; নীতি, নীতিমালা তৈরি করে এই গণমাধ্যমের ক্রমবিকাশকে এগিয়ে নেয়া। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম এটি একটি ক্রমবর্ধমান বাস্তবতা। কিন্তু ওটিটি প্ল্যাটফর্মে সিনেমা, নাটক, ওয়েব সিরিজ বা কোনো কন্টেন্ট রিলিজ করতে হলে এখনও অনুমোদনের ব্যবস্থা নেই। আমি সাম্প্রতিক ভারত সফরে সেখানকার তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর সাথে তারা কিভাবে বিষয়টিকে দেখভাল করছে সেবিষয়ে আলাপ করেছি। তারা গত ফেব্রুয়ারি মাসে এ নিয়ে প্রজ্ঞাপন আকারে একটি নীতিমালা জারি করেছে, সেখান থেকে পরিচালিত সমস্ত ওটিটি প্ল্যাটফর্মকে এই নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে। সেই নীতিমালার ব্যত্যয় হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা ইতোমধ্যেই নীতিমালার প্রাথমিক খসড়া তৈরি করেছি। সেই নীতিমালা খুব শিগগির প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করতে পারবো বলে আশা করছি।’

ওটিটি প্ল্যাটফর্মের কন্টেন্ট এতো বিস্তৃত এবং ব্যাপক যে, সেন্সর বোর্ডের মাধ্যমে সেন্সর করা দুরূহ কাজ উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘বছরে ৫০টি বা ১০০টি সিনেমা রিলিজ হয়, সেটি সেন্সর করা সহজ। কিন্তু ওটিটি’র হাজার কন্টেন্ট সেন্সর করা সহজ কাজ নয়। সেকারণে ভারতসহ অন্যান্য দেশে যেভাবে করা হচ্ছে সেভাবে একটি নীতিমালা খসড়া তৈরি করেছি যা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করবো। এটা এজন্য যাতে করে আমাদের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা সমাজ ও মানুষকে ভুল পথে পরিচালিত করে, বিজাতীয় সংস্কৃতি উৎসাহিত হয় কিম্বা আমাদের তরুণ সমাজকে বিভ্রান্ত করতে পারে, এমন কোনো কন্টেন্ট সেখানে না যায়।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সম্পর্কে এসময় ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বর্তমানে গণমাধ্যমের সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যুক্ত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষকে মতপ্রকাশের অবারিত সুযোগ করে দিয়েছে, একইসাথে অনেক ক্ষেত্রে সমাজে নানাধরণের অস্থিরতা তৈরি, সরকার ও ব্যক্তি বিশেষের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর সুযোগ হিসেবেও এটির ব্যবহার লক্ষণীয়। মূলধারার গণমাধ্যমগুলো সঠিকভাবে কাজ করেছে কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশ-বিদেশ থেকে করোনাকালেও অনেক গুজব রটানো এবং মানুষকে বিভ্রান্তকরার চেষ্টা করা হয়েছে। আমাদের মন্ত্রণালয় এই ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা আনার জন্য অনলাইন সংবাদ পোর্টাল, আইপি টিভি’র রেজিস্ট্রেশন দেয়া শুরু করাসহ অনেকগুলো কাজ ইতিমধ্যেই করেছে।’

বিএনএনিউজ/এইচ.এম।