বিএনএ,ঢাকা: বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন এক অদ্ভুত থমথমে পরিস্থিতি বিরাজমান। একদিকে ড. ইউনূস সরকারের ধারাবাহিকতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় বসেছে তারেক জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি। অন্যদিকে, ক্ষমতায় এসেই সংসদে আইন করে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে তারা।
কিন্তু নাটকের এখানেই শেষ নয়! শোনা যাচ্ছে, এই নির্বাচনে বিএনপির জয়ের নেপথ্যে ছিল আওয়ামী লীগের সাথে এক গোপন সমঝোতা। আর এই খবর ফাঁস হতেই ফুঁসে উঠেছে আওয়ামী লীগের তৃণমূল। আগস্ট মাসকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামার বড় প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি। সবচেয়ে বড় চমক— শেখ হাসিনা ফিরছেন! তবে কি এবার জেলেই ঠাঁই হবে তার? ভারতের ভূমিকাই বা কী? জানতে হলে ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।

নির্বাচনে জামায়াত এবং এনসিপি-কে পেছনে ফেলে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিএনপি। গুঞ্জন আছে, পর্দার আড়ালে আওয়ামী লীগের সাথে এক সমঝোতা হয়েছিল। কিন্তু শপথ নেওয়ার পরেই দৃশ্যপট বদলে যায়। সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও তার সকল অঙ্গ সংগঠন নিষিদ্ধ করা হয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে ক্ষুব্ধ মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এখন নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিতে শুরু করেছে।
সামনে আগস্ট মাস। জাতীয় শোক দিবস এবং ২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলাকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী বড় ধরনের আন্দোলনের ছক কষছে দলটি। কিন্তু সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হলো শেখ হাসিনার ফেরা। শোনা যাচ্ছে, ভারত এই বিষয়ে বড় ধরনের মধ্যস্থতা করছে। শেখ হাসিনা কারাবরণ করতে রাজি হয়েছেন। তিনি চান তার বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ড এবং অন্যান্য মামলার আইনি লড়াই রাজপথ নয়, আদালতেই করতে। ইতিমধ্যে বিদেশে থাকা সকল শীর্ষ নেতাকে দেশে ফেরার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভারত কি তবে শেখ হাসিনাকে নিরাপদে আইনি লড়াইয়ের সুযোগ করে দেওয়ার গ্যারান্টি দিচ্ছে? বিএনপির এই কৌশল কি রাজনৈতিক চাল নাকি অন্য কিছু? আগস্টের উত্তাল রাজপথ কি ক্ষমতার ভিত নাড়িয়ে দেবে? নাকি আদালতের বারান্দায় নতুন কোনো সমীকরণ দেখবে বাংলাদেশ?
বিএনএ/ওজি
![]()

