বিএনএ, ঢাকা; রাজধানীর কয়েকটি স্থান থেকে এক যুবকের মরদেহের খন্ডিত অংশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ সন্দেহভাজন এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার যুবকের নাম শাহীন আলম (২১)। উদ্ধারকৃত আঙুলের ছাপ পরীক্ষা করে পুলিশ নিশ্চিত করেছে নিহত ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ (৩০)। বাড়ি নরসিংদীর শিবপুরে। তিনি গণস্বাস্থ্য হোমিও নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিপণন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করতেন।
পুলিশের তদন্ত সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, স্কাউট ভবনের সামনের একটি সিসিটিভি ভিডিওতে সাইকেলে চড়ে এসে এক ব্যক্তিকে কালো পলিথিনে কিছু একটা ফেলে চলে যেতে দেখা যায়। পরে ওই ভিডিও বিশ্লেষণ করে শাহীনকে শনাক্ত করে আটক করা হয়। শাহীন মতিঝিলের হীরাঝিল হোটেলের কর্মচারী। তিনি ও নিহত ওবায়দুল্লাহ একই ফ্ল্যাটে রুমমেট হিসেবে থাকতেন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাহীন বলেন, নিহত ওবায়দুল্লাহ তার এবং তার পরিবারকে নিয়ে নানা কটূক্তিমূলক কথা বলতো। ব্যক্তিগত ক্ষোভের জেরে তিনি শুক্রবার রাতে ওবায়দুল্লাহকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে লাশ খণ্ডবিখণ্ড করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন।
মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বলেন, লাশের বাকি অংশ উদ্ধারের জন্য তারা কাজ করছে। পুলিশ নিহতের লাশ টুকরো করতে ব্যবহৃত চাপাতি জব্দ করেছে এবং মামলার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
বিএনএ/শাম্মী
![]()

