বিএনএ, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগর পুলিশের ডবলমুরিং থানার ওসি বাবুল আজাদ ও পশ্চিম জোনের ডিসি হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়ার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন নগর বিএনপির সাবেক এক নেতা। তার দাবি, ঘুষ ও চাঁদা না দেওয়ায় তাকে মিছিলে না থেকেও সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় আসামি বানানো হয়েছে।
অভিযোগকারী মাহবুব আলম (৫২) নগরীর ১২ নম্বর পাহাড়তলী ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এবং ডবলমুরিং থানার সিটিজেন ফোরামের সদস্য।
তিনি জানান, সাবেক ওসি (তদন্ত) সাফিউল ইসলাম একবারে ২ লাখ ৯০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন এবং পরে আরও ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। বর্তমান ওসি বাবুল আজাদও বৈঠক শেষে টাকা দাবি করেছেন, এমনকি একটি কাজে ৫০ হাজার টাকাও নিয়েছেন বলে অভিযোগ তার।
মাহবুব বলেন, গত ১৯ সেপ্টেম্বর আগ্রাবাদের হাজীপাড়া এলাকায় ছাত্রলীগ-যুবলীগ-আওয়ামী লীগের মিছিলে তিনি উপস্থিত ছিলেন না। বরং ওই সময় তিনি নামাজে ছিলেন, যার ভিডিও প্রমাণ রয়েছে। তবু মামলার তালিকায় ৩৬ নম্বরে তার নাম ঢুকেছে।
এসআই মিজানুর রহমান বাদী হয়ে ৬৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করেন। আরও ১৫–২০ জন অজ্ঞাত আসামি রাখা হয়। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ১১ জন গ্রেপ্তার হয়েছেন।
অভিযোগ করে মাহবুব বলেন, “আমি বিএনপির নেতা হলেও পুলিশকে সব সময় সহযোগিতা করেছি। সিটিজেন ফোরামের সদস্য হিসেবেও কাজ করি। অথচ আমাকে টাকার জন্য হয়রানি করা হচ্ছে।”
তিনি জানান, কমিশনার মহোদয় বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।
এ বিষয়ে ওসি বাবুল আজাদ বলেন, “মামলা হয়েছে, তদন্তে যা হওয়ার তাই হবে। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ যে কেউ করতে পারে; আমি আর কোনো মন্তব্য করতে চাই না।”
সিএমপি পশ্চিম জোনের ডিসি হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া বলেন, “মামলায় বাদী পুলিশ। তথ্য–প্রমাণের ভিত্তিতেই নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। তদন্তে যাচাই-বাছাই করা হবে, দোষী না হলে কাউকে অভিযুক্ত করা হবে না।”
বিএনএ
![]()

