25 C
আবহাওয়া
৪:৪৬ অপরাহ্ণ - ডিসেম্বর ৮, ২০২৫
Bnanews24.com
Home » ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’: যেভাবে গৃহবধু থেকে প্রধানমন্ত্রী!

‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’: যেভাবে গৃহবধু থেকে প্রধানমন্ত্রী!


বিএনএ ডেস্ক : ১৯৪৫ সালের ১৫ই আগস্ট। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ পর্যায়ে। চারদিকে ধ্বংস আর ধ্বংসাবশেষ। প্রলয়ঙ্করী এমনই এক সময়ে ফেনী জেলার ফুলগাজীর চা ব্যবসায়ি ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদার দম্পতির কোলজুড়ে নতুন ভোরের দীপ্তি নিয়ে আগমন করেন এক কন্যা শিশু। বাবা নাম রাখেন খালেদা খানম পুতুল। সময়ের পরিক্রমায় বাবা-মায়ের আদরের সেই পুতুলই বর্তমান বংলাদেশের গণতন্ত্রের সমার্থক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

YouTube player

১৯৬০ সালে তৎকালীন ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানের সাথে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। জিয়ার সঙ্গে তিনি করাচিতে ছিলেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন জিয়ারউর রহমান মেজর হিসাবে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে কর্মরত ছিলেন। জিয়া পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেন। কিন্তু তা স্ত্রী সেনানিবাসে আটক ছিলেন।

সময়ের পরিক্রমায় অরাজনৈতিক পরিবারের মেয়ে গৃহবধু খালেদা খানমের বাংলাদেশের রাজনীতি ও ইতিহাসের সঙ্গে যুগপৎ পথচলার শুরু। দিনে দিনে বাংলার আপামর জনতার আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক, সুখ-দুঃখের সারথি বনেছে। গণতন্ত্রের জন্য তার দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম তাকে ভূষিত করেছে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ খেতাবে। তবে তার এই দেশনেত্রী বা মাদার অব ডেমোক্রেসি হয়ে উঠার পথ কখনোই কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। এবার আসা যাক সেই বিশ্লেষণে।

জিয়াউর রহমান যখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিলেন তখন খালেদা জিয়াকে প্রকাশ্যে খুব একটা দেখা যেত না। সিনিয়র সাংবাদিক শফিক রেহমান তাঁর ‘সংগ্রামী নেত্রী খালেদা জিয়া’ শীর্ষক লেখায় বলেছেন, “জিয়াউর রহমান ক্ষমতাসীন হলেও লাজুক গৃহবধূরূপে তার দুই ছেলে তারেক রহমান পিনো এবং আরাফাত রহমান কোকো-কে নিয়ে সেনানিবাসে সাংসারিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন।”

উনিশশো একাশি সালের ৩০শে মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে যখন হত্যা করা হয় তখন খালেদা জিয়া ছিলেন নিতান্তই একজন গৃহবধূ। রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি তখন বিপর্যস্ত এবং দিশেহারা। জিয়াউর রহমান পরবর্তী দলের হাল কে ধরবেন সেটি নিয়ে নানা আলোচনা চলতে থাকে। বিএনপি নেতারা তখন দ্বিধাগ্রস্ত এবং তাদের মধ্যে কোন্দলও ছিল প্রবল।

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যার পর ভাইস-প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আব্দুস সাত্তারকে অস্থায়ী প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিলেন।তখন তার বয়স ছিল আনুমানিক ৭৮ বছর। তখনকার রাজনীতিতে বিচারপতি সাত্তারকে একজন বৃদ্ধ এবং দুর্বল চিত্তের ব্যক্তি হিসেবে মনে করা হতো। তৎকালীন সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সাত্তারকে পছন্দ করতেন। কারণ তারা জানতেন, বিচারপতি সাত্তারের রাজনৈতিকভাবে দক্ষ নন, শারীরিকভাবে দুর্বল।

তখন দলের একটি অংশ চেয়েছিল কাউন্সিলের মাধ্যমে নেতৃত্বের কাঠামো ঠিক করা হোক। কিন্তু অপর আরেকটি অংশ, যারা রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারের সরকারে ছিলেন, তারা সেটির বিরোধিতা করেন।

প্রয়াত বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদ তাঁর ‘চলমান ইতিহাস: জীবনের কিছু সময় কিছু কথা’ বইতে লিখেছেন, সামরিক এবং শাসকচক্রের জন্য সবচেয়ে বড় ভয় ছিল খালেদা জিয়াকে নিয়ে। কারণ প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হবার জন্য খালেদা জিয়াই সে সময় সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যক্তি হতে পারতেন। কিন্তু তড়িঘড়ি করে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য আব্দুস সাত্তারের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হলো। তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল এইচ এম এরশাদ চেয়েছিলেন, বিচারপতি সাত্তার প্রেসিডেন্ট হোক। শেষ পর্যন্ত সেনা প্রধানের ইচ্ছে অনুযায়ী কাজ হয়েছে।

বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের বার্ধক্য এবং দল পরিচালনা নিয়ে অসন্তোষের কারণে তৎকালীন বিএনপির একাংশ খালেদা জিয়াকে রাজনীতিতে আনার পরিকল্পনা করেন। কিন্তু রাজনীতির প্রতি খালেদা জিয়ার তেমন কোন আগ্রহ ছিল না।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে এর কয়েকটি কারণ ছিল। প্রথমত; জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড তাঁর মনে গভীর দাগ কেটেছিল এবং তিনি মানসিকভাবে সে ধকল কাটিয়ে উঠতে পারছিলেন না।

দ্বিতীয়ত; খালেদা জিয়ার রাজনীতিতে আসার ব্যাপারে পরিবারের দিক থেকে তেমন কোন উৎসাহ ছিল না। তাছাড়া রাজনৈতিক ভাগ্য তাকে কোথায় টেনে নিয়ে যায় সেটি নিয়েও হতো খালেদা জিয়ার মনে চিন্তা ছিল।

খালেদা জিয়ার জীবন নিয়ে প্রয়াত সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ ‘বেগম খালেদা জিয়া: হার লাইফ, হার স্টোরি’ বইতে লিখেছেন, “জিয়াউর রহমানের আকস্মিক হত্যাকাণ্ড তাঁর মনের মধ্যে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করেছিল। তিনি হয়তো ভাবতে শুরু করেছিলেন যে রাজনীতি হয়তো মানুষকে এ ধরনের করুন পরিণতির দিকে ঠেলে নিয়ে যায়। রাজনীতির কঠিন পদযাত্রা সামলাতে পারবেন কিনা সেটি নিয়েও তাঁর মনে প্রশ্ন ছিল। এসময় দলের নেতা-কর্মীরা রাজনীতিতে আসার জন্য দিনের পর দিন খালেদা জিয়াকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। তিনি দলের হাল না ধরলে দল টিকবে না বলেও অনেকে বলেন।

দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার জন্য ‘আপোষ ফর্মুলা’ হিসেবে আদ্যোপান্ত গৃহবধু খালেদা জিয়াকে বেছে নেয়া হয়। খালেদা জিয়ার রাজনীতিতে আসার বিষয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান এইচএম এরশাদের মনে ভয় ছিল। কারণ জেনারেল এরশাদ যেহেতু ক্ষমতা দখলের দীর্ঘ পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন ভাবছিলেন যে খালেদা জিয়া রাজনীতিতে আসলে পরিস্থিতি সামলানো তাঁর জন্য কঠিন হয়ে যাবে।

বিএনপি’র ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য অনুযায়ী ১৯৮২ সালের তেসরা জানুয়ারি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে খালেদা জিয়া আত্মপ্রকাশ করেন। সেদিন তিনি বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদ লাভ করেন। ২৮ জানুয়ারি শেরেবাংলা নগরে জাতীয় সংসদের নতুন ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার এবং প্রধানমন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমানের সাথে খালেদা জিয়াও উপস্থিত ছিলেন।

খালেদা জিয়াকে রাজনীতিতে আসার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আকবর হোসেন, প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সহচর সাবেক সামরিক কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম শিশু, সাবেক রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এবং সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকারের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

উনিশশো বিরাশি সালের ২১শে জানুয়ারি বিএনপি’র চেয়ারম্যান নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়। দলের মধ্যে তখন এনিয়ে বিভক্তি। দলের তরুণ অংশ চেয়েছিল খালেদা জিয়া দলীয় প্রধান হোক।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারকে বিএনপি’র প্রধান হিসেবে দেখেতে আগ্রহী ছিল তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল এরশাদ। বিএনপির চেয়ারম্যান হবার জন্য একইসাথে প্রার্থী হয়েছিলেন খালেদা জিয়া এবং রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার। এর ফলে এক বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি হয়।

বিচারপতি সাত্তার দুবার বেগম খালেদা জিয়ার বাসায় যান। বেগম খালেদা জিয়া তাঁকে তরুণ নেতৃত্বের মনোভাবে কথা জানান। এসময় বিচারপতি সাত্তার বেগম খালেদা জিয়াকে দলের সহ-সভাপতির পদ এবং দেশের ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের অনুরোধ জানান। কিন্তু বেগম জিয়া ব্যক্তিগত কারণে তা গ্রহণ করেননি। অবশেষে বিচারপতি সাত্তারের সাথে দীর্ঘ আলোচনার পর বেগম খালেদা জিয়া চেয়ারম্যান পদ থেকে তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেন।

উনিশশো বিরাশি সালের ২৪শে মার্চ তৎকালীন সেনাপ্রধান এইচএম এরশাদ এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। তখন রাজনীতিতে বিচারপতি সাত্তারের আর কোন মূল্য থাকেনি। তাঁর বার্ধক্য, অসুস্থতা এবং নিষ্ক্রিয়তার কারণে দল থেকে তিনি আড়ালে চলে যান।

উনিশশো তিরাশি সালের মার্চ মাসে খালেদা জিয়া দলের সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান হন এবং এপ্রিল মাসের প্রথমে বিএনপির এক বর্ধিত সভায় তিনি ভাষণ দেন। কিন্তু তৎকালীন বিএনপির কিছু নেতা সেটি পছন্দ করেননি।

সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনের কয়েকমাস পরেই খালেদা জিয়া দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হন। এ সময় এরশাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় হয়ে উঠেন তিনি। ১৯৮৪ সালের ১০ই মে খালেদা জিয়া বিএনপির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

এরশাদবিরোধী আন্দোলন যখন ধীরে ধীরে জোরালো হচ্ছিল তখন বিএনপির বাইরে অন্য রাজনৈতিক দল থেকে খালেদা জিয়াকে দলের নেতৃত্ব গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। এক্ষেত্রে হায়দার আকবর খান রনো এবং রাশেদ খান মেনন ছিলেন অন্যতম। খালেদা জিয়ার সাথে আলোচনার জন্য তারা দুইজন তাঁর তৎকালীন ক্যান্টনমেন্টের বাসায় গিয়েছিলেন। হায়দার আকবর খান রনো তাঁর আত্মজীবনী ‘শতাব্দী পেরিয়ে’ বইতে একথা তুলে ধরেছেন।

রনো তাঁর বইতে লিখেছেন, “আমরা খালেদা জিয়ার কাছে প্রস্তাব করলাম, আপনি রাজনীতিতে আসুন, বিএনপির হাল ধরুন, এক্ষেত্রে এরশাদের বিরুদ্ধে লড়ব। এরশাদ সম্পর্কে তার ঘৃণা ও ক্ষোভ প্রকাশ পেয়েছিল। কিন্তু সরাসরি রাজনীতি করবেন কী-না সে সম্পর্কে কিছু বললেন না। দেখলাম, তিনি স্বল্পভাষী, তবে আমাদের কথা খুব মনোযোগ দিয়ে শুনছিলেন। কোন কথা ঠিক মতো বুঝতে না পারলে, প্রশ্ন করে ভালো করে বুঝে নিচ্ছিলেন। সবশেষে তিনি বললেন, ভেবে দেখব।”

উনিশশো আশির দশকে জেনারেল এরশাদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের মাধ্যমে দেশজুড়ে খালেদা জিয়ার ব্যাপক পরিচিত গড়ে উঠে। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় তাঁকে কয়েকবার আটক করা হলেও আন্দোলন থেকে সরে যাননি বিএনপি চেয়ারপারসন।

জেনারেল এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তাতে বিএনপি জয়লাভ করে। প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়ার শাসন আমল, ১৯৯১-৯৬ এবং ২০০১-২০০৬ — এই দুইভাগে ভাগ করেন অনেক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক। দুই হাজার এক সালে ক্ষমতাসীন হবার পর থেকে খালেদা জিয়ার সরকার একের পর এক বিতর্কের মুখে পড়ে। সেই বিতর্ক থেকে তাঁর দল ও সরকার আর বেরিয়ে আসতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ২০০৭ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশের রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ ঘটে। সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছরে বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে পুঙ্গ করে দেয়া হয়।

এই অবস্থায় দুই হাজার আট সালের নির্বাচনে খালেদা জিয়ার দল বিএনপির ব্যাপক ভরাডুবি হয়। এরপর থেকে দলটি রাজনৈতিকভাবে আরে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। দুই হাজার চৌদ্দ সালের ৫ই জানুয়ারি নির্বাচন বর্জনের পর বিএনপি রাজনৈতিকভাবে অনেকটা চাপে পড়ে যায়।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে ২০১৮ সাল থেকে খালেদা জিয়া কারাগারে ছিলেন। দুই হাজার কুড়ি সালে তিনি সরকারের নির্বাহী আদেশে কারাগারের বাইরে আছেন, তবে এজন্য নানা বিধিনিষেধ পালন করতে হয় তাকে, যার মধ্যে রয়েছে – রাজনীতিতে অংশ না নিতে পারা, বিদেশ যেতে না পারা ইত্যাদি। রাজনীতিতে তার অনুপস্থিতিতে লন্ডন থেকে দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন খালেদা জিয়ার বড় সন্তান তারেক রহমান।

দুই হাজার ছব্বিশ সালের ৫ই আগস্ট জুলাই গণ আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের মধ্যে দিয়ে ঘুরে দাড়ায় বিএনপি। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তজীবনে ফিরে আসেন। কিন্তু শাররীক অসুস্থতার কারণে তিনি রাজনীতিতে তেমন কোন ভূমিকা রাখতে পারেননি।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে ভর্তি আছেন তিনি। তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে আশা দেখছেন না চিকিৎসকরা। আশার প্রদীপ এখন নিভু নিভু। যে কোন সময় নিভে যেতে হতে পারে ৪৩ বছরের রাজনৈতিক সংগ্রামের এই সংগ্রামী নারীর জীবন প্রদীপ। তবুও প্রত্যাশা ও প্রার্থনা, জাতির ঐতিহাসিক প্রয়োজনে, এই ক্রান্তিকালে বেগম খালেদা জিয়া ফিরে আসুক রাজনৈতিক অঙ্গনে।

সৈয়দ সাকিব

Loading


শিরোনাম বিএনএ