বিএনএ ডেস্ক: আজ আগস্টের প্রথম রোববার। বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে ‘বন্ধু দিবস’। যদিও এই সম্পর্ককে নির্দিষ্ট কোনো দিন বা তারিখে বেঁধে রাখা যায় না। তবুও দিনটি পুরোনো বন্ধুদের খোঁজ নেওয়া, স্মৃতি রোমন্থন কিংবা সম্পর্ককে নতুন করে ঝালিয়ে নেওয়ার একটি উপলক্ষ হয়ে উঠেছে।
বন্ধুত্ব গড়ে ওঠা যেমন সহজ কথা নয় তেমনি তা ধরে রাখাও সহজ নয়। তাই বলা হয় , বন্ধুত্ব হচ্ছে সুস্বাস্থ্যের মতো; হারালেই কেবল এর মূল্য অনুধাবন করা যায়। বন্ধুত্ব এমনই এক সম্পর্ক, যার কোনো বয়স নেই, নেই রক্তের বন্ধনের বাধ্যবাধকতা। সমবয়সীদের মধ্যে যেমন বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে, তেমনি বয়সে ছোট-বড় কিংবা ভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতির মানুষও হতে পারেন পরম বন্ধু।
‘বন্ধু’ – এই একটি মাত্র বাক্যই যেন বহু বছরের দূরত্ব মুছে দিতে পারে। এই সম্পর্কের ভিত্তি বিশ্বাস, আন্তরিকতা আর একে অপরের পাশে থাকার অঙ্গীকার। সত্যিকারের বন্ধুত্বে অহংকার নেই, হিংসা নেই, নেই কোনো হিসাব-নিকাশ। মনের সঙ্গে মনের মিল থেকেই জন্ম নেয় এই সম্পর্ক।
বন্ধু দিবসের ইতিহাস নিয়ে একাধিক মত রয়েছে। তবে অধিকাংশ মানুষই যে ঘটনাটির কথা উল্লেখ করেন সেটি হলো, ১৯৩৫ সালে আমেরিকান সরকার এক ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ালে পরদিন সে ঘটনার প্রতিবাদে তার বন্ধু জীবন ত্যাগ করেন। দিনটি ছিল আগস্টের প্রথম রোববার। আর সে থেকেই বন্ধুদের অবদান আর আত্মত্যাগকে সম্মান জানাতে আমেরিকান কংগ্রেস ১৯৩৫ সালে আগস্ট মাসের প্রথম রোববারকে বন্ধু দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ২৭ জুলাই জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ প্রতি বছরের ৩০ জুলাইকে ‘আন্তর্জাতিক বন্ধু দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এখনও বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশে আগস্টের প্রথম রোববারই বন্ধু দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়।
বিএনএ/শাম্মী
![]()

