Bnanews24.com
Home » বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আনা ৭৫ ধরনের পণ্য জব্দ
অর্থ-বাণিজ্য চট্টগ্রাম টপ নিউজ সব খবর

বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আনা ৭৫ ধরনের পণ্য জব্দ

বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আনা ৭৫ ধরনের পণ্য জব্দ

বিএনএ, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আনা একটি কন্টেইনারের ৭৫ ধরনের পণ্য জব্দ করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। এসব পণ্য এনে ১৭ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করেছিল আমদানিকারক।

শনিবার (২০ নভেম্বর) সকালে কায়িক পরীক্ষা শেষে চট্টগ্রাম কাস্টমসের ডেপুটি কমিশনার মো. শরফুদ্দীন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানি করায় সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ এজেন্ট’র বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের অডিট, ইনভেস্টগেশন এন্ড রিসার্চ (এআইআর) শাখা সূত্রে জানা গেছে, পাবনা রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এমজিএল কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড মরিশাস থেকে কম্বল ঘোষণায় ২৪০ প্যাকেজ (৮ হাজার ৪০০ কেজি) এক কন্টেইনার পণ্য আমদানি করে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি মরিশাসের পোর্ট লুইস বন্দর থেকে ‘কোটা নাজার’ নামের একটি জাহাজে করে কন্টেইনারটি (DFSU6691599) চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। পণ্যটি খালাসের দায়িত্বে ছিল চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ এলাকার সিএন্ডএফ এজেন্ট ‘প্রত্যয় ইন্টারন্যাশনাল’। যার বিল অব এন্ট্রি নং: সি-১৬১৫১৭। চালানটি গত ১৭ জুলাই একুইডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে নোটিং করা হয়। পরবর্তীতে গোপন সংবাদ পেয়ে পণ্যচালানটি লক করে কাস্টমস। চালানটি এতাদিন চট্টগ্রাম বন্দরের জেআর কন্টেইনার ইয়ার্ডে রক্ষিত ছিল। চট্টগ্রাম কাস্টমসের এআইআর শাখার একটি টিম চালানটি কিপ-ডাউন করে পণ্যচালানটির শতভাগ কায়িক পরীক্ষা শেষ করে। এসময় কম্বলের কাপড়ের (BLANKET FABRICS) পরিবর্তে কম্বল, জায়নামাজ, বিভিন্ন প্রকার প্রসাধনী সামগ্রী, খাদ্যদ্রব্যাদি, টেবিলওয়্যার, কিচেনওয়্যার সামগ্রী, ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীসহ ব্যাগেজ ভর্তি প্রায় ৭৫ ধরণের পণ্য পাওয়া যায়।

ডেপুটি কমিশনার শরিফউদ্দিন জানান, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং কর্মকর্তাদের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতায় শুল্কমুক্ত সুবিধার অপব্যবহারের অপচেষ্টা নস্যাৎ করে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। প্রাপ্ত পণ্যের শুল্কায়নযোগ্য মূল্য আনুমানিক প্রায় ২০ লাখ টাকা। ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে প্রায় ১৭ লাখ টাকার রাজস্ব। মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানি করায় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।

বিএনএ/এমএফ