বিএনএ: প্রেমের সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় জেসমিন আক্তার পিংকি (১৮) নামে এক ছাত্রীকে তার সাবেক প্রেমিক ডেকে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছেন। পরে মরদেহ গুম করতে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়া হয়।
পাঁচ দিন নিখোঁজ থাকার পর শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে যশোরের শার্শার বুরুজবাগানের আহসান হাবিবের বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে র্যাব।
জেসমিন সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার কাজিরহাট কাওরিয়া গ্রামের জাকির হোসেনের মেয়ে। তিনি যশোর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। তার প্রেমিক আহসান কবির অংকুর (১৮) যশোরের শার্শার বুরুজবাগানের আকবর আলীর ছেলে। এ ঘটনায় অংকুরকে আটক করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব-৬) কোম্পানি কমান্ডার এম নাজিউর রহমান। তিনি বলেন, জেসমিন ও অংকুর উভয়ই যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সে সম্পর্কে ফাটল ধরলে জেসমিনকে অংকুর কৌশলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন। এরপর মরদেহ গুম করতে বাড়ির পশ্চিম পাশে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেন।
নাজিউর রহমান আরও জানান, জেসমিন নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবা গত ৫ ফেব্রুয়ারি যশোর কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এর কপি র্যাবকেও দেয়া হয়। পুলিশ ও র্যাব যৌথভাবে বিষয়টি তদন্ত করছে।
বিএনএনিউজ/এ আর