থার্টি ফাস্ট নাইট উদযাপনে সিএমপির যত নির্দেশনা

বিএনএ,চট্টগ্রাম: আসন্ন ইংরেজি নববর্ষ (থার্টি ফাস্ট নাইট) উদযাপনে উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যাবে না বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। এছাড়াও সিএমপির পক্ষ থেকে ১৫টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে

আরো পড়ুন

পাকিস্তানকে ক্ষমা চাইতে বলল বাংলাদেশ

চট্টগ্রামে ৩০ লক্ষ টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৪

বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) নগরীর দামপাড়া পুলিশ লাইনের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সিএমপি কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর বিষয়টি জানিয়েছেন।

সিএমপির ১৫ নির্দেশনাগুলো হলো— রাস্তা, ফ্লাইওভার, ভবনের ছাদ ও প্রকাশ্য স্থানে কোনো জমায়েত করা যাবে না। অনুমোদিত সভা, সমাবেশ এবং ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসমূহে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে। উম্মুক্ত স্থানে নাচ, গান ও কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা যাবে না। কোথাও কোনো ধরণের আতশবাজি বা পটকা ফোটানো যাবে না। কোনো ভবনের ছাদে আতশবাজি বা পটকা ফোটানো হলে ভবন মালিকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টার পর পতেঙ্গা সী-বীচ ও পারকি বীচ এলাকায় কাউকে অবস্থান করতে দেওয়া হবে না।

৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নগরীর সকল লাইসেন্সকৃত বার ও মদের দোকান খোলা রাখা যাবে না। গাড়িতে উচ্চস্বরে হর্ণ বাজানো যাবে না বা বেপরোয়া গতিতে গাড়ি বা মোটরবাইক চালানো যাবে না। আনন্দ উদযাপনের মধ্যে শালীনতা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে হবে। মাদ্রকদ্রব্য সেবন থেকে বিরত থাকতে হবে। মাদকাসক্ত অবস্থায় কাউকে পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নৈতিক মূল্যবোধ পরিপন্থী কর্মকাণ্ড হতে বিরত থাকতে হবে। অশোভন আচরণ এবং বে-আইনি কার্যকলাপ হতে বিরত থাকতে হবে।

হোটেলে ডিজে পার্টির নামে কোনো স্পেস বা কক্ষ ভাড়া দেওয়া যাবে না। জনগণের শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয় এমন যেকোনো কর্মকাণ্ড পরিহার করতে হবে। ৩১ ডিসেম্বর রাত ১০টার পর থেকে সকল ফাস্ট পুডের দোকানসহ মার্কেট বন্ধ রাখতে হবে। ৩০ ডিসেম্বর রাত ১০টা থেকে ১ জানুয়ারি সকাল ১০টা পর্যন্ত সকল প্রকার লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র বহনে নগরবাসীকে বিরত থাকতে হবে।

নির্দেশনা পালনে ব্যর্থ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সিএমপি কমিশনার।

বিএনএনিউজ/মনির