বিএনএ ডেস্ক : ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার হত্যাকাণ্ডের অন্যতম সন্দেহভাজন সিয়ামকে গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ। বুধবার গভীর রাতে সিয়ামকে গ্রেপ্তার করে কলকাতার নিউটাউন থানার পুলিশ। হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করে ফেলে দেয়ার সঙ্গে সিয়াম জড়িত বলে কলকাতা পুলিশ সন্দেহ করছে।
আনারের মরদেহ পাওয়া নিয়েও তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। কলকাতা পুলিশের ধারণা, আনারকে সঞ্জীভা গার্ডেনে হত্যা করার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করার পর অন্য কোথাও সরিয়ে নেয়া হয়েছে। খণ্ডিত মরদেহ এখনো খুঁজে পায়নি পুলিশ।
হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে এর মধ্যেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে বাংলাদেশের গোয়েন্দা পুলিশ। কলকাতায় খুন হলেও তার হত্যাকারীরা বাংলাদেশি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
গত ১২ মে ভারতের কলকাতায় যাওয়ার দুইদিন পর রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যান তিনবারের এই সংসদ সদস্য। চিকিৎসার কথা বলে পরিবারের কাছ থেকে বিদায় নেয়ার পর আনার ১২ মে দর্শনা–গেদে সীমান্ত দিয়ে কলকাতা যান।
কলকাতায় তিনি উঠেছিলেন দীর্ঘদিনের পরিচিত বরাহনগরে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। দুইদিন সেখানে থাকার পর বেরিয়ে যাওয়ার পর আর তার খোঁজ মেলেনি। এরপর বুধবার সকালের দিকে তার খুনের খবর সামনে আসে।
জানা যায়, কলকাতার কাছেই নিউটাউনের অভিজাত আবাসন সঞ্জীবা গার্ডেনের (ব্লক ৫৬ বিইউ) একটি ফ্ল্যাটে আনারকে খুন করা হয়। শেরেবাংলা নগর থানায় নিহত সংসদ সদস্যের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী তারই ছোটবেলার বন্ধু ও ব্যবসায়িক অংশীদার আক্তারুজ্জামান শাহীন। তিনি ঝিনাইদহের বাসিন্দা ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। শাহীনের ভাই ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরের পৌর মেয়র।
বিএনএ/ ওজি/ হাসনা
![]()

