20 C
আবহাওয়া
৯:৩২ অপরাহ্ণ - জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
Bnanews24.com
Home » কেমন হবে বিএনপির ভরসা, জামায়াতের খান, এনসিপির আখতার ও স্বতন্ত্র বুলবুলের লড়াই

কেমন হবে বিএনপির ভরসা, জামায়াতের খান, এনসিপির আখতার ও স্বতন্ত্র বুলবুলের লড়াই


বিএনএ, ডেস্ক : রংপুরের ছয়টি আসনের মধ্যে রংপুর-৪(পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনটি এখন বেশি আলোচনায়। রংপুর-৪ সংসদীয় আসনটি পীরগাছা এবং কাউনিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত। এটি জাতীয় সংসদের ২২ নাম্বার আসন।

স্বাধীনতার পর থেকে এই আসনটি আওযামী লীগ ও জাতীয় পার্টির দূর্গ হিসাবে পরিচিত। তবে জুলাই আন্দোলনের পটপরিবর্তনের পর থেকে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির অবস্থা নীড় হারা পাখির মতো। এই দুই দলের  অবর্তমানে বিজয়ের ফসল ঘরে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি, এনসিপি ও জামায়াতে ইসলামী। এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, জামায়াত ইসলামীর রংপুর মহানগরের আমির মাওলানা এটিএম আজম খান পুরোদমে নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছে।

এই আসনটিতে এবার প্রয়াত শিল্পপতি ও সাবেক এমপি রহিম উদ্দিন ভরসার ছেলে এমদাদুল হক ভরসার ওপর ভরসা রাখতে চায় বিএনপি।

YouTube player

কিন্তু আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির ভোটারদের একটি বড় অংশ ভরসা রাখতে চায় পীরগাছা উপজেলা সমিতি ঢাকার সভাপতি, স্বতন্ত্র প্রার্থী সুপ্রীম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী মোহাম্মদ নূরুনবী বুলবুলের ওপর। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি সাবেক সিনিয়র এসিস্টেন্ট সেক্রেটারী  নুরুনবী বুলবুলকে এলাকার মানুষ একজন সৎ ও উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি হিসাবে চিনে। যদিও তিনি এখনো ভোটের মাঠে প্রচারণায় নামেনি। লেভেল প্লেয়িং,  ফিল্ড থাকলে তিনি তফসিল ঘোষণার পর পরই মাঠে নামবেন এমনটি জানিয়েছে তার একটি ঘনিষ্টসূত্র।

কেমন হবে, বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা, জামায়াত ইসলামীর এটিএম আজম খান, এনসিপির আখতার হোসেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট নুরুননবী বুলবুলের নির্বাচনী লড়াই। সেই বিশ্লেষণে যাওয়ার আগে জানতে হবে ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত তত্ত্ববধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী ফলাফল।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনএ নিউজ টুয়েন্টি ফোর এর গবেষণা টিম দৈবচায়ন পদ্ধতিতে সারাদেশে জরিপ চালায়। জরিপে অংশগ্রহণকারি বেশীরভাগ ভোটার ১৯৯১ সালের পঞ্চম, ১৯৯৬ সালের সপ্তম, ২০০১ সালের অষ্টম ও ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরেপক্ষ ও  অংশগ্রহণমূলক হয়েছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

তারই ভিত্তিতে বিএনএ নিউজ টুয়েন্টি ফোর রংপুর-৪ আসনের ৪টি নির্বাচনের প্রদত্ত ভোটকে মানদন্ড ধরে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক শক্তি বিশ্লেষণের চেষ্টা করেছে।

১৯৯১ সালের ২৭ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৪ আসনে ভোটার  ছিলেন ২ লাখ ৪০ হাজার ৩ শত ৬৭ জন। ভোট প্রদান করেন ১লাখ ৬০  হাজার ৭ শত ৭৫ জন। নির্বাচনে জাতীয় পার্টির  শাহ আলম বিজয়ী হন। লাঙ্গল প্রতীকে তিনি পান ৭৬ হাজার ২ শত ৫৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন শাহ আব্দুর রাজ্জাক। নৌকা  প্রতীকে তিনি পান ৩৯ হাজার ৩ শত ২৫ ভোট।

১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ৬ষ্ট জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপির শাসনামলে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে বিএনপি, ফ্রিডম পার্টি এবং কিছু নামসর্বস্ব রাজনৈতিক দল, অখ্যাত ব্যক্তি প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আওয়ামী লীগসহ সব বিরোধী দল শুধু নির্বাচন বর্জন করে ক্ষান্ত হয়নি, প্রতিরোধও করে। ফলে রংপুর-৪ আসনের ভোট গ্রহণ স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। ফলে ৬ষ্ট জাতীয় সংদ নির্বাচনে এই আসনে কেউ প্রতিনিধিত্ব করেনি।!  তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল পাশ  হওয়ার পরপরই সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এই সংসদের মেয়াদ ছিল মাত্র ১১ দিন!

১৯৯৬ সালের ১২ই জুন অনুষ্ঠিত সপ্তম সংসদ নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ২ লাখ ২৫ হাজার ৬ শত ৪৮ জন। ভোট প্রদান করেন ১ লাখ ৮২ হাজার ২ শত ৫১ জন।  নির্বাচনে জাতীয় পার্টির করিম উদ্দিন ভরসা বিজয়ী হন। লাঙ্গল প্রতীকে তিনি পান ৮৪ হাজার ৩ শত ৭৭ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের মহসীন আলী বেঙ্গল। নৌকা  প্রতীকে তিনি পান ৪০ ৭৬  ভোট।

২০০১ সালের পহেলা অক্টোবর অনুষ্ঠিত অষ্টম সংসদ নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৪ হাজার ২ শত ৭ জন । ভোট প্রদান করেন ২ লাখ ৪৫ হাজার ১ শত ৪৪ জন। নির্বাচনে জাতীয় পার্টির করিম উদ্দিন ভরসা বিজয়ী হন। লাঙ্গল প্রতীকে তিনি পান ৯৩ হাজার ৬ শত ৩১ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির রহিম উদ্দিন ভরসা। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পান ৮৩ হাজার ৮ শত ২৫ ভোট।

২০০৮ সালের ২৯শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম সংসদ  নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ২৭ হাজার ৩ শত ৭১ জন । ভোট প্রদান করেন ২ লাখ ৯২ হাজার ৪ শত ৩৬ জন। নির্বাচনে  আওয়ামী লীগের টিপু মুন্সী বিজয়ী হন। নৌকা প্রতীকে  তিনি পান ১ লাখ ১৮ হাজার ৯ শত ৫০ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন  জাতীয় পার্টির করিম উদ্দিন ভরসা। লাঙ্গল প্রতীকে তিনি পান ১ লাখ ২ হাজার ৮ শত ৪২ ভোট।

২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার ছিল ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৮৯ জন ভোট প্রদান করেন ১ লাখ ২০ হাজার ১ শত ৫৪জন । তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। জাতীয় পার্টির করিম উদ্দিন ভরসা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও ভোট কেন্দ্র গুলো দখল করে  নৌকা প্রতীকে সিল দিয়ে বাক্স ভর্তি করে রাখে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর লোকজন। রাতে আওয়ামী লীগের টিপু মুন্সী বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

২০১৮ সালের ৩০শে ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত একাদশ সংসদ নির্বাচনে রংপুর- ৪ আসনে ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ১২ হাজার ৯ শত ৯০ জন।  প্রার্থী ছিলেন ৬ জন।  নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের টিপু মুন্সী,ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির মোস্তফা সেলিম, মই প্রতীকে বাসদের সাদেকআলী  গোলাপফুল প্রতীকে জাকের পার্টির আঞ্জুমান আরা, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বদিউজ্জামানপ্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।

কিন্তু ভোটের আগের রাতে প্রশাসনের যোগসাজসে  দখল করে নেয় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর লোকজন। নৌকা প্রতীকে সিল মেরে ব্যালট বাক্স ভর্তি করে রাখে। তবুও  বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পান ১ লাখ ৪ হাজার ১ শত ৭৭ ভোট পান।  কারচুপির অভিযোগে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্য ফ্রন্ট নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের টিপু মুন্সী বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

২০২৪ সালের ৭ ই জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ৪ লাখ৭৮ হাজার,৩ শত ৮৬ জন।তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপি- জামায়াত ইসলামীসহ তাদের সমমনা দলগুলো নির্বাচনে অংশ নেয়নি। আমি-ডামি খ্যাত এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী টিপু মুন্সীকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, ১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৬৬.৮৮% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৪.৪৬ %, বিএনপি ১৩.১৮ %, জাতীয় পার্টি ৪৭.৪৩%, জামায়াত ১৩.৪% অন্যান্য দল ১.৫৪ % ভোট পায়।

১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৮০.৭৭% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে  আওয়ামী লীগ ২১.৯৯%, বিএনপি ১৬.৯৬% , জাতীয় পার্টি ৪৬.৩০%, জামায়াত ৫.২১%, স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দল ৯.৫৪% ভোট পায়।

২০০১ সালের অষ্টম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৮০.৫৮ % ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে  আওয়ামী লীগ ২৭.০৪%, ৪ দলীয় জোট ৩৪.১৯%, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী ঐক্য ফ্রন্ট ৩৮.১৯%, স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দল ০.৫৮% ভোট পায়।

২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৮৯.৩৩%। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে ১৪ দলীয় মহাজোট ৪০.৬৮%, ৪ দলীয় জোট ৩৫.১৭% স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দল ২৪.১৫% ভোট পায়।

পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ৪টি নির্বাচনের মধ্যে রংপুর-৪ আসনে পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম সংসদে জাতীয় পার্টি,  নবম সংসদে আওয়ামী লীগ  বিজয়ী হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ সালের ফেব্রুযারিতে অনুষ্ঠিত হবে এমন ঘোষণা দিয়েছে অর্ন্তবর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশন। আওয়ামী লীগ বিহীন এই নির্বাচনে বিএনপি আসনটি পুনরুদ্ধার করতে চায়। সে কারণে দলটি এবার ভরসা রেখেছে রংপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও কাউনিয়া বিএনপির সভাপতি এমদাদুল হক ভরসার ওপর।

তিনি গত বছরের ৫ই আগষ্ট পরবর্তীতে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন, চালাচ্ছেন নিয়মিত গণসংযোগ। প্রতিদিন সভা- সমাবেশ উঠান বৈঠকের ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

কিন্তু দলের মধ্যে রয়েছে কোন্দল। ফলে কাঙ্খিত সাফল্য নিয়ে সংশয়- সন্দেহ রয়েছে। এই সুযোগটি কাজে লাগাতে চায় জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। দলটির প্রার্থী রংপুর মহানগর আমির ও মেকুড়া মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ এটিএম আজম খান দীর্ঘদিন ধরেই প্রচারণায় আছেন। সাংগঠনিক দিক থেকে জামায়াত ইসলামী আগে তেমন শক্তিশালী না থাকলেও গত ১৬ মাসে দলটি একটি শক্ত ভিত দাড় করিয়েছে।

এই আসনে এনসিপির প্রার্থী আখতার হোসেন। জামায়াত-বিএনপির মাঝখান দিয়ে বিজয়ের  স্বপ্ন দেখছেন তিনি। যদি সাংগঠনিক কোন ভিত্তি নেই ফেব্রুয়ারিতে আত্ম প্রকাশ করা  দলটির। শাপলা প্রতীকের এই প্রার্থীকে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষ খুব বেশী চিনে না।

জাতীয় পার্টি এখনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি। জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও পীরগাছা উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার প্রচারণায় রয়েছে।

তবে নির্বাচনের সব হিসাব-নিকাশ উল্টে দিতে পারে আওয়ামী ঘরনার স্বতন্ত্র প্রার্থী সুপ্রিম কোট আইনজীবী সমিতি সাবেক সিনিয়র এসিস্টেন্ট সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নুরুনবী বুলবুল।

এই আসনের ৪ বারের এমপি  সাবেক বানিজ্যমন্ত্রী  টিপু মুনশী হত্যা মামলার আসামি হিসাবে এখন কারাগারে। তিনি এবং তার স্ত্রীর নানা দূর্নীতি- অনিয়মের সঙ্গে জড়িত হওয়ায় স্থানীয় আওয়ামীলীগ এবার বিকল্প প্রার্থী চায়। সেক্ষেত্রে এই নির্বাচনে তিনিই হবেন আওয়ামী লীগের অঘোষিত প্রার্থী, এমনটি দাবি করেছে  আওয়ামী লীগের একটি ঘনিষ্টসূত্র সূত্র।

তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং মাঠ পর্যায়ের জরিপ ফলাফলে  দেখা যায় , রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনটি আওয়ামী লীগের দূর্গ। তবে এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। আওয়ামী লীগ বিহীন এই নির্বাচনে বিএনপি এই আসনটি দখল নিতে চায়। যদিও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ৪টি নির্বাচনে কোনটিতে বিজয়ী হয়নি বিএনপি। তবে এবার  আশাবাদী বিএনপির  প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা । বিএনপির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী এটিএম আজম খান।

নির্বাচন সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক হলে সেই ক্ষেত্রে মূল লড়াই সীমাবব্ধ থাকবে বিএনপি প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট  মোহাম্মদ নুরুন নবী বুলবুলের মধ্যে।

প্রসঙ্গত, পীরগাছা ও কাউনিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত রংপুর ৪ আসনে ভোটারের বড় একটি অংশ সনাতন হিন্দু ধর্মালম্বী। জয় পরাজয়ে তারা  বড় ভূমিকা রাখবে  এমনটাই মনে করেন বিএনএ নিউজ টুয়েন্টি ফোরের পরিচালিত জরিপে অংশগ্রহণকারি ভোটারা।

সৈয়দ সাকিব

 

Loading


শিরোনাম বিএনএ