রাবিতে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

আরো পড়ুন

কাতার ফুটবল বিশ্বকাপে সেমিতে যাওয়ার লড়াই

বাংলাদেশের সিরিজ জয়, আনন্দবাজার যা লিখেছে

বিএনএ, রাবি: ‘পর্যটনকে বিকশিত করি, সমৃদ্ধ দেশ গড়ি’— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পালিত হয়েছে বিশ্ব পর্যটন দিবস। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে দিবসটি।
মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ট্যুরিজম বিভাগ এবং রাবি ট্যুরিস্ট ক্লাবের উদ্যোগে একটি আনন্দ র‍্যালির আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি রাজশাহীর চার তারকা হোটেল—রয়্যাল রাজ এন্ড কন্ডোমিনিয়ামের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও অংশ নেন। আনন্দ র‍্যালী শেষ হওয়ার পর ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি বিভাগের আয়োজনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনের সামনে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন রাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার।
উপাচার্য বলেন, ‘ট্যুরিজম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গর্বিত প্রতিষ্ঠান। ট্যুরিজম এখন শুধু ট্যুরিজমে সীমাবদ্ধ নয়, দেশের আর্থ সামাজিক বিষয়েও এটি অবদান রেখে চলেছে। আজকের উন্নত বিশ্বে দেশকে উন্নত করার জন্যও ট্যুরিজম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পর্যটন দিবস আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি দিবস, যা ১৯৮০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) একটি বিষয় পর্যটন। প্রতিপাদ্যটি এসডিজি অর্জনে ভূমিকা রাখবে।’
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, রাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো সুলতার-উল-ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক অবায়দুর রহমান প্রমানিক, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সভাপতি ড. মো: এনায়েত হোসেন, রয়েল রাজ হোটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াহিদুল ইসলাম সিয়াম প্রমুখ।
এছাড়া, বিভাগটির উদ্যোগে দিনব্যাপী ‘ফুড ফেস্টিভাল’-এর আয়োজন করা হয়। যেখানে ছিল: বাংলা ও ফাস্টফুডসহ বাঙালির স্বাদ অনুযায়ী বিভিন্ন রকমের খাবার।
এদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ট্যুরিস্ট ক্লাবের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষ্যে কুইজ প্রতিযোগিতা ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
সংগঠনটির সভাপতি শরীফ মাহমুদ বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বৈদেশিক রিজার্ভ সমৃদ্ধ করতে পর্যটন খাত নিয়ে আরো বেশি পরিকল্পনা সাজাতে হবে, অপচয় করার মতো সময় আমাদের হাতে আর নেই। ভারত, শ্রীলঙ্কা, ভূটান, নেপালের মতো আমাদেরও রয়েছে অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ট্যুরিস্ট ক্লাব বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের পাশে থাকতে চায় সবসময়।’
প্রসঙ্গত, জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার (ইউএনডব্লিউটিও) উদ্যোগে ১৯৮০ সাল থেকে প্রতি বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয়ে আসছে পর্যটন দিবস।

বিএনএ/সাকিব, ওজি