রংপুরে পুলিশকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম বিএনপি’র

বিএনএ ডেস্ক: নেতা-কর্মীদের নামে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ফরমায়েশি’ মামলা প্রত্যাহারে পুলিশকে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে রংপুর জেলা বিএনপি।

আরো পড়ুন

আজও দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে ঢাকা

তুরস্কে ভূমিকম্পে নিহত ১০,বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

বিশ্বে আরও ৪৮৬ জনের মৃত্যু

শনিবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে রংপুর শহরের গ্র্যান্ড হোটেল মোড়ের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ সময় বেঁধে দেয়া হয়। এর মধ্যে মামলা প্রত্যাহার না করলে রংপুর অচল করে দেয়ার হুঁমকিও দেয়া হয়।

সংবাদ সম্মেলনে রংপুর জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আফসার আলী লিখিত বক্তব্যে বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে গত মঙ্গলবার (২৩ নভেম্ব) রংপুর জেলা বিএনপির নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করার জন্য শহরের শাপলা চত্বর এলাকায় জড়ো হন। বিকেল ৪টার দিকে সেখান থেকে একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল গ্রান্ড হোটেল মোড়ের দলীয় কার্যালয়ের দিকে রওনা হয়। পথে শ্যালো মার্কেটের সামনে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে শান্তিপূর্ণ মিছিলে বাধা দেয়।

আফসার আলীর বলেন, মিছিলটি দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ করা হবে বলে পুলিশকে কথা দেন বিএনপি নেতারা। কিন্তু সে অনুরোধে কান না দিয়ে পুলিশ বিএনপি নেতা-কর্মীদের ওপর নির্বিচারে লাঠিচার্জ করতে শুরু করে। এ অবস্থায় নেতা-কর্মীরা ভীত হয়ে পড়েন। তারা দলীয় কার্যালয়সহ বিভিন্ন জায়গায় নিরাপদ আশ্রয়ে নেন।

বিএনপি নেতা বলেন, পরে পুলিশ দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে সেখানে আশ্রয় নেয়া নেতা-কর্মীদের ওপর আবার চড়াও হয়। পুলিশের মারধরে আনিছুল মন্ডল ও রাশেদুল ইসলাম নামের ২ জনের মাথা ফেটে যায়। আহত হন আরও অনেকে।

জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরও বলেন, ঘটনার দিন রংপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম তার এক নিকটাত্মীয়ের হার্টের অপারেশন ও ব্যাবসায়িক কাজে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। তারপরেও পুলিশ তিনিসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২০০ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে।

শান্তিপূর্ণ মিছিলে বাধা দিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে লাঠিচার্জসহ মারধর করাটা সন্দেহজনক উল্লেখ করে আফসার আলী বলেন, পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপের বিষয়টি মনগড়া কাহিনী। পুলিশের দায়ের করা মামলার ধারার সঙ্গে ঘটনার বর্ণনা সাংঘর্ষিক। কাজেই মামলাটি বানোয়াট ও ফরমায়েশি।

আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মামলাটি প্রত্যাহার করা না হলে আগামী মঙ্গলবার থেকে জেলার প্রতিটি উপজেলা ও পৌরসভায় ‘গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে’ পুরো রংপুর ‘অচল করে দেয়ার’ হুমকি দেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে জেলা ও মহানগর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনএ/এ আর