জাবিতে তুলে দেওয়া হবে টারজান, অনিশ্চয়তায় দোকানিরা

বিএনএ, জাবি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের আওতায় টারজান পয়েন্টে ১৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০ তলা একটি প্রশাসনিক ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ফলে উক্ত স্থানের অস্থায়ী দোকানপাট সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন

ঢাকায় আসলেন বেলজিয়ামের রানি

আজও দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে ঢাকা

তুরস্কে ভূমিকম্পে নিহত ১০,বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

মঙ্গলবার (২৪ মে) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ সকল অস্থায়ী দোকানসমূহ সাত দিনের মধ্যে সরিয়ে নেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। টারজান পয়েন্টে ২০১০ সাল থেকে ব্যবসা করে আসছে এখানকার দোকানিরা। কিন্তু হঠাৎ করেই এসব অস্থায়ী দোকান তুলে দেওয়ার নির্দেশে বিপাকে ব্যবসায়ীরা।

এ বিষয়ে টারজান পয়েন্টের এক ব্যবসায়ী মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, আমাদের পরিবারগুলো দোকানের আয়ের উপর নির্ভরশীল। দীর্ঘ দুই বছর যাবত করোনার জন্য ক্যাম্পাস বন্ধ থাকার কারণে আমাদেরকে মানবেতর জীবনযাপন করতে হয়েছে। এই অবস্থায় আমাদের যদি দোকান বন্ধ হয়ে যায় , তাহলে পরিবার পরিজন নিয়ে পথে বসা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। তিনি প্রশাসনের কাজকে সাধুবাদ জানান এবং সেই সাথে তাদেরকে অন্যত্র স্থানান্তরের দাবি জানান।

সেখানকার আরেক ব্যবসায়ী আলী বলেন, ‘আমাদের হঠাৎ এ দোকান সরানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোথায় নিবো সে বিষয়ে কিছুই বলেনি। এত অল্প সময়ে আমরা দোকান সরিয়ে কোথায় নিবো? এখন প্রশাসনের কাছে যাবো নাকি দোকান সরাবো?’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ.স.ম ফিরোজ-উল-হাসান বাংলাদেশ নিউজ এজেন্সি (বিএনএ) কে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনে ওখানকার দোকানগুলো তুলে দিতে হবে, এটা সত্য। কিন্তু জীবিকার প্রয়োজনে ওখানকার দোকানিরা ১৫/২০ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে দোকান করছে। ওরা এখন আমাদের কমিউনিটির একটা অংশ হয়ে গেছে। ওনাদেরকে যাতে দোকান করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা জায়গা দেওয়া হয় সেই জন্য গতকাল মিটিং-এ আমি নিজে সুপারিশ করেছি।’

বিএনএ/সানভীর, এমএফ