Bnanews24.com
Home » পুড়ে যাওয়া লঞ্চটির ইঞ্জিনে ত্রুটি ছিল
কভার দুর্ঘটনা বরিশাল বিভাগ সব খবর

পুড়ে যাওয়া লঞ্চটির ইঞ্জিনে ত্রুটি ছিল

পুড়ে যাওয়া লঞ্চটির ইঞ্জিনে ত্রুটি ছিল

বিএনএ ঝালকাঠি: ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে পুড়ে যাওয়া এমভি অভিযান-১০ লঞ্চের ফিটনেস ঠিক থাকলেও ইঞ্জিনের ত্রুটি পাওয়া গেছে। শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লঞ্চটিতে প্রাথমিক ত্রুটি খুঁজে পেয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সাত সদস্যের তদন্ত দল।

তদন্ত দলের আহ্বায়ক যুগ্ম সচিব মো. তোফায়েল ইসলাম সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, এমভি অভিযান-১০ লঞ্চের ইঞ্জিনে কিছু ত্রুটি পাওয়া গেছে। সেটি কেন হয়েছে তার লিংকআপ করতে হবে। কারণ প্রাথমিকভাবে যা পাওয়া গেছে সেটিকে লিংকআপ না করে মূল সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যাবেনা। অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ছিল কি-না, সেটিও খতিয়ে দেখা হবে।  এখন কমিটির অন্য সদস্যদের নিয়ে সবকিছু মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। কমিটির প্রতিবেদনে সবকিছু উল্লেখ করা হবে বলে জানান তিনি।

যাত্রীদের কাছ থেকে পাওয়া দুইটি অভিযোগের বিষয়ে তদন্তদলের প্রধান বলেন, ড্রাইভার ছিল কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কাগজ-কলমে মিলিয়ে বাস্তবেও যাচাই করে দেখা হবে।

অগ্নিকাণ্ড ও হতাহতের ঘটনার পেছনে প্রাথমিক কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে মো. তোফায়েল ইসলাম বলেন, এই মুহূর্তে ধারণার ওপর অন্য সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা না করে কিছু বলা যাবেনা।

এদিকে, বিআইডব্লিউটিএ’র সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, লঞ্চটিতে প্রথম শ্রেণির মাস্টার থাকলেও দুইজন দ্বিতীয় শ্রেণির মাস্টার ছিলেন।

অন্যদিকে, অগ্নিকাণ্ডের সময় ওই লঞ্চে ছিলেন এমন অনেকের এখনও সন্ধান মেলেনি। তাদের মধ্যে ৩৬ জনের পরিবারের সদস্যরা স্বজনদের মরদেহের খোজে শনিবার সকাল থেকে ট্রলার নিয়ে সুগন্ধা নদীতে তল্লাশি চালাচ্ছেন।

স্বজনের সন্ধানে থাকা এম এ জলিল সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, তার ভাইয়ের স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা শিশু সন্তান নুসরাতকে নিয়ে এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে ঢাকা থেকে বরগুনায় রওয়ানা হন। কিন্তু, আগুনের ঘটনার পর তাদের খোঁজ পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) ভোরে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ নামের লঞ্চে আগুন লাগে। তখন প্রাণ বাঁচাতে অনেকে নদীতে লাফ দেন। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া, দগ্ধ অবস্থায় দেড় শতাধিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বিএনএনিউজ/আরকেসি