Bnanews24.com
Home » রোহিঙ্গা তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণচেষ্টা, দুই আসামি গ্রেপ্তার
অপরাধ বৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃহত্তর চট্টগ্রাম সব খবর

রোহিঙ্গা তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণচেষ্টা, দুই আসামি গ্রেপ্তার

রোহিঙ্গা তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণচেষ্টা, দুই আসামি গ্রেপ্তার

বিএনএ,চট্টগ্রাম : কক্সবাজারের চকরিয়ায় চলন্ত বাসে এক রোহিঙ্গা তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণচেষ্টা মামলার দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। বৃহস্পতিবার ( ২৪ জুন ) চকরিয়া থানাধীন ডুলাহাজরা ও ভাটাখলী এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- কক্সবাজারের চকরিয়া থানার রিংভং এলাকার আমির উদ্দিনের ছেলে মাহবুব (৩২) এবং চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থানার রাজঘাট এলাকার জান শরী ‘র ছেলে শাহ এমরান (৩৫)।

র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক ( মিডিয়া) মো. নুরুল আবছার বলেন, ভুক্তভোগী ভিকটিম একজন রোহিঙ্গা নাগরিক ও কক্সবাজার উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ১ নম্বর ব্লকের বাসিন্দা। সে চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি উখিয়ার কুতুপালং (ক্যাম্প-১) আশ্রয়শিবির থেকে পালিয়ে কাজের সন্ধানে চট্টগ্রাম শহরে আসে। সেখানে কাজ না পেয়ে ১১ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম টু কক্সবাজার রুটের একটি বাস যোগে পুনরায় কুতুপালং আশ্রয়শিবিরে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথিমধ্যে বাসের ভাড়া দিতে না পারায় বাসের সুপারভাইজার দুপুরের দিকে তাকে চকরিয়া পৌরসভার বাস টার্মিনালে নামিয়ে দেয়।

তিনি বলেন, বাস থেকে নেমে তরুণী টার্মিনালের এক পাশে দাঁড়িয়ে থাকে। ওইদিন বেলা ৩টার দিকে অন্য একটি পরিবহনের সহকারী বাসচালক ফারুক তাকে কোথায় যাবেন জিজ্ঞাসা করলে তখন ভুক্তভোগী তরুণী উখিয়ার কুতুপালং আশ্রয়শিবিরে যাবে বলে জানায়। তরুণীর কথা মতে সহকারী বাসচালক ফারুক তাদের বাসে করে তাকে উখিয়ার কুতুপালং আশ্রয়শিবিরে পৌঁছে দিবে বলে একটি খালি বাসে উঠায়। পরবর্তীতে উক্ত বাস করে তরুণীকে চকরিয়া পৌরসভার বাটাখালী ব্রিজ এলাকায় নিয়ে চালক-সুপারভাইজার ও হেলপার মিলে বাসের ভিতর দলবদ্ধ ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

তিনি জানান, এ সময় ওই তরুণী চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন ছুটে এলে তখন বাসের চালক ও সুপারভাইজার পালিয়ে যায় এবং বাসের হেলপারকে স্থানীয় লোকজন আটক করে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। উক্ত ঘটনায় ভুক্তভোগী ভিকটিম রোহিঙ্গা তরুণী বাদী হয়ে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানায় উল্লেখিত বাসের ড্রাইভার, সুপারভাইজার ও হেলপারকে আসামি করে দলবদ্ধ ধর্ষণ চেষ্টার একটি মামলা দায়ে করে। মামলা রুজু হওয়ার পর থেকে এজাহারনামীয় প্রধান দুই আসামি বাসের ড্রাইভার এবং সুপারভাইজার পলাতক ছিল।

বিষয়টি অবগত হওয়ার পর থেকে পলাতক দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারী অব্যহত রাখে র‌্যাব। এক পর্যায়ে জানা যায়  উক্ত মামলার পলাতক দুই আসামি “বাসের ড্রাইভার ও সুপারভাইজার” কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানাধীন ডুলাহাজরা ও ভাটাখলী এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে ২৪ জুন ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাহবুব ও এমরানকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান এই র‌্যাব কর্মকর্তা।

এ সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বিএনএনিউজ২৪.কম/এনএএম