Bnanews24.com
Home » মুন্সিগঞ্জে লকডাউন ‘উপেক্ষিত’
এক নজরে ঢাকা বিভাগ সারাদেশ

মুন্সিগঞ্জে লকডাউন ‘উপেক্ষিত’

মুন্সিগঞ্জ

বিএনএ,মুন্সিগঞ্জ: করোনা পরিস্থিতি বেড়ে যাওয়ায় সাত জেলায় ৯দিনের লকডাউনের দ্বিতীয় দিনে মুন্সিগঞ্জে নির্দেশনা উপেক্ষা করার হিড়িক পড়েছে। জেলা বিভিন্ন প্রবেশ মুখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেকপোস্ট থাকলেও অভ্যন্তরীণ সড়ক গুলোতে অবাধে চলছে সাধারণ জনগণ। শপিংমল, দোকান পাট বন্ধ রাখার নির্দেশনা থাকলেও নিয়ম মানছে না অধিকাংশরাই।

এদিকে জেলার লৌহজং শিমুলিয়া ঘাট হয়ে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকলে সচল রয়েছে ফেরি। এসব ফেরিতে জরুরি ও পণ্যবাহী যানবাহন পারাপারের নির্দেশনা থাকলেও যাত্রীরা মানছে না সে নিয়ম। সকাল থেকে দেশে অঞ্চলের শতশত যাত্রীকে ফেরি যোগে পদ্মা পাড়ি দিতে দেখা গেছে। যাত্রীদের অবাধে পারাপারে ঘাট এলাকায় যেনো শিথিল হয়ে পড়েছে লকডাউন।

এ বিষয়ে বিআইডাব্লিউটিসি শিমুলিয়াঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সাফায়েত আহমেদ জানান, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে বর্তমানে ১৪টি ফেরি সচল রয়েছে। এসব ফেরি  দিয়ে শুধুমাত্র কাঁচামাল, পণ্যবাহী গাড়ি ও জরুরি রোগীবাহী গাড়ি পার করার নির্দেশনা রয়েছে। তবে প্রতিটি ফেরিতেই সাধারণ যাত্রী পারাপার করছে। আমাদের দায়িত্ব শুধু ফেরি পরিচালনা করা। যাত্রী আসা নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের দায়িত্বের আওতায় পড়ে না।

লকডাউনের বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার জানান, লকডাউনের সময় নিত্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও খাদ্যদ্রব্য ছাড়া অন্যান্য দোকানপাট, শপিংমল বন্ধ থাকবে। জরুরি প্রয়োজনীয় ছাড়া কোন ধরনের ইঞ্জিন চালিত যান চলবে না। জেলার ১০ প্রবেশ পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চেকপোস্ট থাকবে। কারখানা খোলা রয়েছে, শ্রমিকরা পায়ে হেঁটে অথবা নিজস্ব উপায়ে কর্মস্থলে যেতে পারবে। লকডাউন বাস্তবায়নে ম্যাজিস্ট্রেটদের তদারকি থাকবে, কেউ নিয়ম অমান্য করলে ভ্রাম্যমাণ আদলতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জরুরি ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, লকডাউন চলাকালে সার্বিক কার্যাবলি চলাচল (জনসাধারণের চলাচলসহ) সকাল ৬টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এ সময় শুধু আইন-শৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন-কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা,করোনা টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের (নদীবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাকসেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিস, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এবং পণ্যবাহী ট্রাক/লরি এ নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

বিএনএনিউজ২৪/এমএইচ