Bnanews24.com
ইসলাম ও ঐতিহ্য সব খবর

আল আকসা মসজিদের যে কোরআন শিক্ষিকা ৭ বছরে ২৮ বার গ্রেপ্তার হন

মিসেস খাদিজা খোওয়াইস। 

বিএনএ, বিশ্ব ডেস্ক: মিসেস খাদিজা খোওয়াইস।  পূর্ব জেরুজালেমেই থাকেন। তিনি মুসলমানদের প্রথম কেবলা মসজিদুল আকসায় পবিত্র কোরআন শরীফ শিক্ষা দেন ফিলিস্তিনিদের। পবিত্র মসজিদের পাশেই সপরিবারের বসবাস করেন তিনি। তার পুরো পরিবার মসজিদুল আল আকসার খাদেম। তার তিন মেয়ে ও দুই ছেলে। তারাও মসজিদুল আকসার সেবায় নিয়োজিত।

আল আকসায় কোরআন শেখানোর কাজে ইসরাইলি বাহিনীর হাতে বারবার আক্রান্ত হয়েছেন খাদিজা। তিনি ও তার পরিবার ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের মামলা ও গ্রেফতারে বহুবার হয়রানির শিকার হয়েছেন।

২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত গত ৭ বছরে বিভিন্ন সময়ে ইসরাইলি বাহিনীর হাতে ২৮ বার গ্রেফতার হন তিনি।

তবুও ভীত নন খাদিজা, কোরআন শিক্ষাসহ আকসায় ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন নিয়মিত।

তবে একবার গ্রেফতারের পর অনেকটা মুষড়ে পড়েছিলেন খাদিজা। অঝোরে কেঁদেছিলেন সেবার।

২০১৭ সালের ঘটনা সেটি। মসজিদে আকসায় ইসরাইলি ইয়াহুদিদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগে সেবার গ্রেফতার হন তিনি। সে সময় ইসরাইলি আদালাত তাকে ২৩ দিনের জেল দেয়। বিষয়টি খাদিজার জন্য সাধারণ ব্যাপারই ছিল। কিন্তু সেবার বর্বর ইসরাইলি সেনারা তার হিজাব ও ওভারকোট খুলে ফেলে। আদালত তাকে হিজাব ও নামাজ পড়তে প্রয়োজনীয় পোশাক ব্যবহারের অনুমতিও দেয়নি। এতে কেঁদে ফেলেন খাদিজা।

সপরিবারে ইসরাইলি সেনাদের দ্বারা বার বার গ্রেফতার, নির্যাতিত হওয়া নিত্যদিনের ঘটনা খাদিজার জন্য।

তবুও বাইতুল আকসা রক্ষায় ও এর সেবায় এক পা পিছপা হননি এ মহিয়সী নারী।

এক সাক্ষাৎকারে খাদিজা খোওয়াইস বলেন, ‘ইসরায়েলি ইয়াহুদিরা মসজিদুল আকসা থেকে আমাদের যত দূরে সরিয়ে দেয় আমাদের বন্ধন তত দৃঢ় হয় এ মসজিদের সাথে। আমাদের বিশ্বাস তত বাড়ে। আমরা সত্যের ওপর আছি। তারা যত বেশি কঠোর হয়, আমাদের বিশ্বাস তত দৃঢ় হয় যে, আমরা সঠিক পথে আছি। ’ সংগৃহীত