Bnanews24.com
পজেটিভ বাংলাদেশ সব খবর

‘আমার গ্রাম আমার শহর’ বাস্তবায়নে বিশেষ বরাদ্দ ২ হাজার কোটি টাকা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়

ঢাকা :  দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে দুই হাজার ২০৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা বরাদ্দ করেছে। এর মধ্যে কাবিটা’য় ১ম কিস্তিতে ৩৮০ কোটি ৫১ লাখ এবং ২য় কিস্তিতে ২৭৯ কোটি ৫২ লাখ টাকাসহ মোট ৬৬০ কোটি দুই লাখ টাকা এবং টিআর খাতে ১ম ও ২য় কিস্তিতে ২৭৮ কোটি টাকা করে মোট ৫৫৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ কাবিটা ও টিআর খাতে ১ম ও ২য় কিস্তিতে মোট এক হাজার ২১৬ কোটি দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এছাড়াও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষ্যে চলমান কর্মসূচির আওতায় অধিক গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। সেলক্ষ্যে এবার ১ম ও ২য় কিস্তির অতিরিক্ত ৩য় কিস্তিতে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রথম বারের মতো এবার ৩য় কিস্তিতে কাবিটা খাতে ৫৭০ কোটি ৭৭ লাখ টাকা এবং টিআর খাতে ৪১৭ কোটি  অর্থাৎ ৯৮৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ বাস্তবায়নে এসব বিশেষ বরাদ্দ দেশের প্রতিটি গ্রামকে নগর সুবিধার আওতায় আনতে ভূমিকা রাখতে সহায়ক হবে। গ্রামীণ রাস্তা-ঘাট নির্মাণ ও সংস্কার এবং অবকাঠামো উন্নয়নে এসব অর্থ ব্যয় করা হবে। প্রতিটি নির্বাচনি এলাকার সংসদ সদস্য, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা পরিষদ এবং পৌরসভার অনুকূলে এসব বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

৩য় কিস্তিতে সংসদ সদস্যগণকে প্রতি নির্বাচনি এলাকায় কাবিটা খাতে এক কোটি সাত লাখ ৮১ হাজার ২৮৪ টাকা করে এবং টিআর খাতে ৭৪ লাখ ৩৬ হাজার ৫শত টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি সংরক্ষিত মহিলা আসনে কাবিটা খাতে ৩৪ লাখ ২৪ হাজার ৬৪৩ টাকা এবং টিআর খাতে ২৫ লাখ দুই হাজার টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

প্রতি উপজেলা পরিষদে কাবিটা খাতে গড়ে ৫২ লাখ ২০ হাজার ৪৯২ টাকা এবং টিআর খাতে ২৯ লাখ ৬৬ হাজার ৪৬৩ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রতিটি বিভাগে টিআর খাতে ৭৮ লাখ ১৮ হাজার ৭৫০ টাকা করে মোট ছয় কোটি ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রতিটি জেলায় ১৯ লাখ ৫৪ হাজার ৬৮৭ টাকা করে মোট ১২ কোটি ৫০ লাখ ৯৯ হাজার ৯৬৮ টাকা এবং প্রতিটি পৌরসভায় পাঁচ লাখ আট হাজার ৫৩৬ টাকা করে বরাদ্দ দেয়া হয়। বরাদ্দকৃত অর্থে গ্রামীণ অবকাঠামো তৈরি হলে ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিএনএনিউজ২৪/এসজিএন