বিএনএ, চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের বাঁশখালী-পেকুয়া-কুতুবদিয়া এলাকার কুখ্যাত জলদস্যু কবীর বাহিনীর প্রধান নূরুল কবীর, সেকেন্ড ইন কমান্ড মামুন ও তাদের ১৩ সহযোগীকে আটক করেছে র্যাব। এসময় তাদের কাছ থেকে ২টি বিদেশি পিস্তল, ৬টি ওয়ানশুটার গান, ৪ টি কার্তুজ, ৫টি ক্রিজ, ১টি ছুরি, ১টি রামদা ও ২টি হাসুয়াসহ দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) গভীর রাত থেকে শনিবার (২২ জানুয়ারি) ভোর পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।বিষয়টি জানিয়েছেন র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নুরুল আবছার।
আটককৃতরা হলেন- নুরুল আফসার, নূরুল কাদের, মো. হাসান, মো. মামুন, মো. নুরুল কবির (২৯), মো. আব্দুল হামিদ প্রকাশ কালা মিয়া (৩০), আবু বক্কর (৩১), মো. ইউসুফ (৪৬), গিয়াস উদ্দিন (৩৭), মো. সফিউল আলম প্রকাশ মানিক(৩৬), মো. আব্দুল খালেক (৪৪), মো. রুবেল উদ্দিন (২৭), মো. সাইফুল ইসলাম জিকু (২৮), মো. সুলতান (৩৬) এবং মো. মনজুর আলম।
সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নুরুল আবছার বলেন, গতকাল শুক্রবার র্যাব-৭ চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক চৌকস দল চটগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ১৫ জলদস্যুকে আটক করা হয়েছে। এসময় চকরিয়া থানার ডান্ডিবাজার এলাকার কবীরের আস্তানা থেকে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন অস্ত্রসহ তাদেরকে আটক করা হয়।এই জলদস্যূদের প্রায় প্রত্যেকের নামেই অপহরণ ও ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে।
তিনি বলেন, র্যাবের ব্যাপক অভিযানের ফলে সুন্দরবন এলাকা জলদস্যু মুক্ত হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে বর্তমানে জলদস্যুরা দেশে দক্ষিণাঞ্চলের চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী, আনোয়ারা এবং কক্সবাজার জেলার পেকুয়া, কুতুবদিয়া অঞ্চল বেছে নিলেও র্যাব-৭ চট্টগ্রামের ব্যপক অভিযানের অঞ্চল গুলোতে জলদস্যু মুক্ত হচ্ছে।
বিএনএ/এমএফ
![]()

