Bnanews24.com
এক নজরে চট্টগ্রাম সব খবর

চট্টগ্রামে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন সাড়ে ৭৫ হাজার

ভারতে টিকা নেয়ার পর ১৮০ জনের মৃত্যু!

বিএনএ,চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসের টিকার দ্বিতীয় ডোজ প্রয়োগ শুরুর পর এ পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন সাড়ে ৭৫ হাজার জন। বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) ৬ষ্ঠ দিনে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ১৫ হাজার ৬৬৭ জন। এরমধ্যে নগরীর ৮ হাজার ৩৫০ জন এবং উপজেলার বাসিন্দা ৭ হাজার ৩১৭ জন।

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) চট্টগ্রামের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আসিফ খান এ তথ্য জানান। তিনি জানান, গত ৮ এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত ৬ দিনে চট্টগ্রাম নগরীর ১০টি এবং জেলার ১৪টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফৌজাদারহাটের বিআইটিআইডি কেন্দ্রে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৪৭ জন। এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে চট্টগ্রামে করোনার প্রথম ডোজ দেয়া হচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবারও অনেকে করোনা টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য মতে, বৃহস্পতিবার নগরীর ৪৬৪ জন ও উপজেলার ২৪৭ জন প্রথম ডোজ গ্রহণ করেন। এ পর্যন্ত মোট ৪ লাখ ৪২ হাজার ৬৭১ জন প্রথম ডোজ গ্রহণ করেন। এর মধ্যে সিটি করপোরেশন এলাকার ২ লাখ ৪৬ হাজার ৮৬৭ জন ও বিভিন্ন উপজেলার ১ লাখ ৯৫ হাজার ৮০৪ জন করোনার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেন।

এদিকে চট্টগ্রামে বৃহস্পতিবার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। যা বিগত এক বছরে এটি একদিনের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু। একই সময়ে নতুন করে ৩০৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র জানায়, বুধবার ১ হাজার ১৪২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩০৫ জনের কোভিড-১৯ পজিটিভ পাওয়া যায়। সংক্রমণের হার প্রায় ২৭ শতাংশ। নতুন আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে নগরীর ২৭১ ও উপজেলা এলাকার ৩৪ জন রয়েছেন। এ সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮ জন মারা যান। তাঁরা সবাই শহরের বাসিন্দা।

উল্লেখ, চট্টগ্রামে গতকালের মৃতের সংখ্যা এক বছর এগারো দিনের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এ নিয়ে চলতি মাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৫৬ জনে। এরআগে করোনাকালের সর্বোচ্চ ৯ রোগীর মৃত্যু হয় গত ১০ এপ্রিল। তবে এদিন এ মাসের সর্বনিম্ন ২২৮ জনের নমুনায় ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়। সংক্রমণ হার ১২ দশমিক ২১ শতাংশ। ১১ এপ্রিল জেলার সর্বোচ্চ ৫৪১ জন আক্রান্ত শনাক্ত হয়। এদিন ৭ রোগীরও মৃত্যু হয়। গত ২ ও ১৪ এপ্রিল দু’দিন জেলায় করোনায় আক্রান্ত কারো মৃত্যু হয়নি। গত ২৪ ঘণ্টায় কম নমুনা পরীক্ষায় কম রোগী শনাক্ত হলেও সংক্রমণ হার পরীক্ষিত নমুনার এক-চতুর্থাংশের বেশি। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সংক্রমণের এ ক্রমবর্ধমাণ হারকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করেছেন। চট্টগ্রামে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৩ এপ্রিল।

বিএনএনিউজ/মনির