Bnanews24.com
জাতীয় টপ নিউজ মন্ত্রী মন্ত্রী-সরকার সব খবর

আলজাজিরার শিরোনামের সঙ্গে রিপোর্টের সম্পর্ক নেই:তথ্যমন্ত্রী

আলজাজিরার শিরোনামের সঙ্গে রিপোর্টের সম্পর্ক নেই:তথ্যমন্ত্রী

বিএনএ,ঢাকা: আলজাজিরার শিরোনামের সঙ্গে রিপোর্টের কোনো সম্পর্ক নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।সংবাদ মাধ্যমটি ব্যক্তিগত আক্রোশবশত একটি রিপোর্ট করেছে বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার(১৬ ফেব্রুয়ারি)সচিবালয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের আরও বলেন,আলজাজিরার রিপোর্ট যেটি করা হয়েছে, সেখানে শিরোনাম দেয়া হয়েছে—‘অল আর দ্য প্রাইম মিনিস্টার্স মেন।আর ভেতরের প্রতিবেদন হচ্ছে সেনাপ্রধান ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে।প্রতিবেদনটি দেখে শুনে মনে হয়েছে এটি ব্যক্তিগত আক্রোশবশত একটি রিপোর্ট।ব্যক্তিগত আক্রোশবশত রিপোর্টের কারণে বাংলাদেশে সংবাদ মাধ্যমটির গ্রহণযোগ্যতা কমেছে।তাদের নিরপেক্ষতা-বস্তুনিষ্ঠতা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।এ প্রশ্ন যে, আজকে উঠেছে তা নয়, এ প্রশ্ন বহুবার উঠেছে। বহু দেশে আল জাজিরার সম্প্রচার বন্ধ আছে।এমনকি ভারতেও বন্ধ আছে, এখনও অনেক দেশে বন্ধ রাখা হয়েছে।আল জাজিরা এই রিপোর্ট দেয়ার পর তারা বাংলাদেশ প্রচণ্ড পরিমাণে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে।তাদের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা প্রচণ্ডভাবে লোপ পেয়ে তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।

হাছান মাহমুদ বলেন,সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আইনি ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়নি।তবে কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি যদি আদালতে গেলে, সে ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশনা সরকার অবশ্যই পালন করবে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনের পেছনে যে শক্তি আছে তার মধ্যে ডেভিড বার্গম্যান আছেন জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক ডেভিড বার্গম্যানের বিরুদ্ধে বিচার চলছিলে।তিনি হাইকোর্টে নিশর্ত ক্ষমা চেয়ে দেশ ত্যাগ করে চলে গেছেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রতিবেদনে যে মূল বক্তা মি. সামি, তার অনেকগুলো নাম আছে।খালেদা জিয়ার যেমন অনেকগুলো জন্মদিন আছে, এখানে যিনি মূল বক্তা তারও অনেকগুলো নাম রয়েছে। তার যে ফিরিস্তি শুনা গেল সেটি আগে জানা ছিলনা। এ রিপোর্ট হওয়ার পর তার ফিরিস্তি বের হয়ে আসছে।কখন তাকে তার পিতা ত্যাজ্যপুত্র করেছেন, কখন তিনি চুরিতে ধরা পড়েছেন,কখন তিনি কী করেছেন—সে সমস্ত বিষয় আসছে।এ ধরনের লোকদের নিয়ে যখন রিপোর্ট তৈরি করা হয় তখন তো সেই গণমাধ্যমেরই ক্ষতি হয়—যেটি আল জাজিরার ক্ষেত্রে হয়েছে।

তিনি বলেন,বাংলাদেশে বহু জনের সাজা মাফ করা হয়েছে, সে এখতিয়ার রাষ্ট্রপতির আছে।বিচার বিশ্লেষণ করে সেটি মাফ করে থাকেন রাষ্ট্রপতি।এখন তারা বহু বছর সাজা খেটেছেন,একজন সম্ভবত ২০ বছর সাজা খেটেছেন।এক পর্যায়ে কিন্ত সাজা মওকুফ করা হয়।অনেকদিন সাজা খাটার পর কয়েদি যদি ভালো আচরণ করে সে ক্ষেত্রে সাজা মওকুফ করা হয়, সেটি ইউজুয়াল প্রসিডিউর বলে জানান তথ্যমন্ত্রী।

বিএনএনিউজ/আরকেসি