Bnanews24.com
Home » পরীমনির কৃতজ্ঞতা
কভার বিনোদন

পরীমনির কৃতজ্ঞতা

পরীমনি

বিএনএ, বিনোদন ডেস্ক: ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টা মামলায় প্রধান আসামি নাসির উদ্দিন গ্রেফতার হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করে চিত্রনায়িকা পরীমনি বলেছেন, এখন সাহস পাচ্ছি। শান্তিতে নিঃশ্বাস নিতে পারছি। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর দ্রুত প্রধান আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার রাতে (১৪ জুন) বনানীর নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন তিনি একথা বলেন।

পরীমনি জানিয়েছেন, শেষ পর্যন্ত মামলা লড়তে চাই। নিশ্চিন্ত হলাম যে বিচার পাবো। বাকি যারা অভিযুক্ত তাদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক। দোষীদের কি রকম শাস্তি আশা করেন সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি আশা করি।

সবশেষে ফেসবুক স্ট্যাটাসে পরীমনি বলেন, ‘‘আমার বিশ্বাস আমার আস্থা ভুল ছিলো না।আইন সবার উপরে। শুধু সেই সঠিক জায়গায় পৌঁছানটাই যত কষ্ট! আইনশৃঙ্খলা বাহিনী,সকল সাংবাদিক,সকল সহকর্মী এবং দেশের মানুষ যারা আমার এই দুঃসময়ে আমার পাশে ছিলেন,আছেন আমি সবার প্রতি আজীবন কৃতজ্ঞ। আপনারাই আমার সাহস। আসামীদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এখন আমার চাওয়া আসামীরা যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পায়। কোনভাবেই যেন এই ধরনের লোকেরা আর কোন মেয়েকে এভাবে নির্যাতন অপমান করার সাহস না পায়। আমি হার মানবনা। আমি এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি এই দেশের আশীর্বাদ। আপনি মা। আপনি মমতার আঁচলে জড়িয়ে রাখেন আপনার সকল সন্তানকে।”

পরীমনির

এর আগে, সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর উত্তর বিভাগ চিত্রনায়িকা পরীমনির দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি নাসির উদ্দিনসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করে। এ সময় নাসির উদ্দিনের বাসা থেকে বিদেশি মদ, বিয়ারসহ মাদক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

রবিবার দিন রাত ৮টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি স্ট্যাটাস দিয়ে জানান, তাকে হত্যা ও ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি লেখেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমি পরীমনি। এ দেশের একজন বাধ্যগত নাগরিক। আমার পেশা চলচ্চিত্র। আমি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছি। আমাকে রেপ এবং হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।’ পরে রাত ১০টার দিকে সাংবাদিকদের সামনে হাজির হন ঢাকাই সিনেমার এ অভিনেত্রী। জানান ঘটনার বিস্তারিত।

তিনি বলেন, বুধবার রাতে উত্তরার বোট ক্লাবে ঘটনাটি ঘটে। নাসির উদ্দিন নামে একজন তাকে নেশাজাতীয় কিছু খাইয়ে ধর্ষণ  করতে চেয়েছিলেন।

পরীমনি বলেন, এমন ঘটনায় সাধারণ মেয়েরা প্রথমে কোথায় যায়? থানায় যায়। আমিও থানায় গেছি। আমি বারবার বলেছি, ঘটনাটা যদি নিজের সঙ্গে না ঘটে তাহলে কেউ বুঝবে না। ওইদিন পর্যন্ত কি তবে অপেক্ষা করবেন?

কী ঘটেছিল সেটা জানতে চাই, আপনি নির্ভয়ে বলুন- উপস্থিত সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে পরীমনি বলেন, ‘আমার মুখটা সাদা কাপড়ে ঢাকা পড়লেই কেবল বুঝতেন। আমি চার দিন ধরে কারও সাপোর্ট পাইনি। আপনারা সত্যিটা খোঁজেন।’

বিএনএনিউজ২৪/ এমএইচ