রাবি ছাত্রলীগের কমিটি যেকোনো সময়, হচ্ছে না সম্মেলন

বিএনএ, রাবি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের ২৬তম বার্ষিক সম্মেলন আগামীকাল (১২ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতাদের সাথে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

রাবি ছাত্রলীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের মুক্তিযোদ্ধা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান তাপস বলেন, “এই মুহূর্তে সম্মেলন আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা হওয়ায় প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমেই আজ অথবা আগামীকালের মধ্যেই আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হবে।”

সম্মেলন না হওয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন রাবি শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। তাদের দাবি, প্রায় অর্ধযুগ পর কমিটি পেতে যাচ্ছে রাবি ছাত্রলীগ। কাজেই সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃত্ব বেছে নেওয়া যথোপযুক্ত হতো। কিন্তু কর্মীদের একাংশ মনে করেন, প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দ্রুত কমিটি ঘোষণা করা হোক। ছাত্রলীগের এই অংশটি মনে করে, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যেম শাখা ছাত্রলীগের কার্যক্রমে গতি আসবে।
এ বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মেহেদী হাসান মিশু বলেন, “সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি হলে খুব ভালো হতো। তবে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লিটন ভাই ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ যেটা ভালো মনে করছেন, সেভাবেই সবকিছু হোক।”

প্রায় ৬ বছর পর ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ এই ইউনিটে কমিটি প্রদানের লক্ষ্যে সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। সম্মেলনের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই পদ-প্রত্যাশী নেতারা ব্যানার-ফেস্টুনে নিজেদের প্রচারণা চালাতে থাকে। কিন্তু গুঞ্জন ছিল, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ-এর একটি অংশ সম্মেলন করতে আগ্রহী নয়। যার ফলে, রাবি শাখা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকেও সম্মেলন উপলক্ষ্যে কোনো

বিএনএ, রাবি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের ২৬তম বার্ষিক সম্মেলন আগামীকাল (১২ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা হচ্ছে না। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতাদের সাথে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

রাবি ছাত্রলীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের মুক্তিযোদ্ধা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান তাপস বলেন, “এই মুহূর্তে সম্মেলন আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা হওয়ায় প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমেই আজ অথবা আগামীকালের মধ্যেই আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হবে।”

সম্মেলন না হওয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন রাবি শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। তাদের দাবি, প্রায় অর্ধযুগ পর কমিটি পেতে যাচ্ছে রাবি ছাত্রলীগ। কাজেই সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃত্ব বেছে নেওয়া যথোপযুক্ত হতো। কিন্তু কর্মীদের একাংশ মনে করেন, প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দ্রুত কমিটি ঘোষণা করা হোক। ছাত্রলীগের এই অংশটি মনে করে, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যেম শাখা ছাত্রলীগের কার্যক্রমে গতি আসবে।
এ বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মেহেদী হাসান মিশু বলেন, “সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি হলে খুব ভালো হতো। তবে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লিটন ভাই ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ যেটা ভালো মনে করছেন, সেভাবেই সবকিছু হোক।”

প্রায় ৬ বছর পর ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ এই ইউনিটে কমিটি প্রদানের লক্ষ্যে সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। সম্মেলনের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই পদ-প্রত্যাশী নেতারা ব্যানার-ফেস্টুনে নিজেদের প্রচারণা চালাতে থাকে। কিন্তু গুঞ্জন ছিল, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ-এর একটি অংশ সম্মেলন করতে আগ্রহী নয়। যার ফলে, রাবি শাখা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকেও সম্মেলন উপলক্ষ্যে কোনো প্রস্তুতি নেওয়া হয় নি।

নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে স্থানীয়রাই
রাবি ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক দুজনই রাজশাহীর বাসিন্দা। নতুন কমিটির পদ-প্রত্যাশীদের তালিকা পর্যবেক্ষণেও দেখা যায় স্থানীয়দের আধিপত্য। কয়েকটি বিশ্বস্ত সূত্র থেকে জানা গেছে, সভাপতি পদে বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি কাজী আমিনুল ইসলাম লিংকন নেতৃত্বের দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। রাবির মার্কেটিং বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের এই শিক্ষার্থী ছাত্রত্ব ধরে রাখার জন্য সান্ধ্যকালীন মাস্টার্সে ভর্তি হয়েছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে ইতোমধ্যেই তিনি বিবাহিত বলে জানা গেছে; তবে তা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন তিনি। এদিকে, একই শিক্ষাবর্ষের ফাইন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী ও বর্তমান কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহীনুল ইসলাম ডনের নামও জোরেশোরে শোনা যাচ্ছে।
অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে যে কয়েকজন নেতা সবচেয়ে এগিয়ে আছেন তারা হলেন: বর্তমান কমিটির সাংঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান মিশু, এনায়েত হক রাজু, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আসাদুল্লা-হিল-গালিব, ধর্মবিষয়ক উপ-সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম দুর্জয়, কার্যনির্বাহী সদস্য আল মুক্তাদির তরঙ্গ।

যেমন নেতৃত্ব চায় কর্মীরা
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি হলের নেতা-কর্মীদের সাথে কথা বলেছে বাংলাদেশ নিউজ এজেন্সী। তারা জানায়, ইতোপূর্বে আমরা দেখেছি স্থানীয়দেরকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তবে এবারের কমিটিতে স্বচ্ছ ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্বকেই বেছে নেওয়া উচিৎ। একটা সময় রাবি ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ কর্মীদের শিবিরের সাথে লড়াই করে রাজনীতি করতে হতো। ক্যাম্পাসে এখন শিবিরের আধিপত্য না থাকলেও, ছাত্রলীগের কর্মীরা মনে করেন আগামী নির্বাচনকে ঘিরে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য দক্ষ নেতা নির্বাচনের বিকল্প নেই। এছাড়া, দেশের অন্যতম প্রাচীন এই বিদ্যাপীঠকে নিয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের অবহেলার সমালোচনা করেন হল ছাত্রলীগের কয়েজন তরুণ নেতা। তাদের দাবি, নিয়মিত কমিটি গঠন করা হলে, রাবি ছাত্রলীগ অনেক বেশি সক্রিয় হতে পারতো।

এদিকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনে স্বচ্ছ ইমেজ আছে এমন নেতাকেই বেছে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন এই শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা মেহেদী হাসান তাপস। তিনি বলেন, “আমরা সিভিগুলো পর্যালোচনা করছি। যেহেতু দীর্ঘদিন পর কমিটি ঘোষণা করা হচ্ছে, তাই কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ চায় কর্মীদের মধ্যে জনপ্রিয় কেউ রাবি ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আসুক।”

রাবি শাখা ছাত্রলীগের ২৫তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ৮ ডিসেম্বর। গোলাম কিবরিয়াকে সভাপতি ও ফয়সাল আহমেদ রুনুকে সাধারণ সম্পাদক করে কমিটি ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে, প্রায় অর্ধযুগ পেরিয়ে গেলেও মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি দিয়েই পরিচালিত হচ্ছে রাবি ছাত্রলীগ।

বিএনএ/সাকিব, ওজি