Bnanews24.com
অসহায় মানুষের কথা বৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃৃহত্তর চট্টগ্রাম সব খবর

জীর্ণঘরে শারিরীক প্রতিবন্ধি হাসানের বসবাস

জীর্ণঘরে শারিরীক প্রতিবন্ধি হাসানের বসবাস

রায়হান সিকদার, লোহাগাড়া(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধিঃ মোহাম্মদ হাসান। তার বয়স ৪৮ বছর। তার পিতার নাম মৃত আনজু মিয়া। তার বাড়ী চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডস্হ হাজির পাড়া এলাকায়। তার একটি ছোট্ট ভাঙ্গা কুড়েঘর রয়েছে। বিগত ২৫ বছর ধরে সে শারীবিক প্রতিবন্ধী।কোন ধরণের হাটা-চলাফেরা করতে পারেনা। এর আগে তার স্বাভাবিক জীবন-যাপন করছিল। তার কোন সন্তান নেই। তাকে দেখাশুনা করার জন্য তার একমাত্র ছোট বোন ফয়েজ উল্লাহর স্ত্রী নুরুজ্জাহান বেগম তার বাড়ীতে বসবাস করেন। নুরুজ্জাহানের এক ছেলে রয়েছে। তার একমাত্র সম্বল বলতে ঝরাজীর্ণ ভাঙ্গা কুড়েঘরটি।

শারিরীক প্রতিবন্ধী মোহাম্মদ হাসান ভিটেমাটিতে শুধু জরাজীর্ণ একটি বাড়ি ছাড়া আর কিছুই নেই বললেই চলে। অভাবের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়। যে কোন সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে জরাজীর্ণ বাড়িটি। এ নিয়ে দুঃচিন্তায় আতংকের নিয়ে ঘুমাতে পারেন না।অনেক সময় ভাঙ্গা ঘরের সামনে উঠানে ঘুমিয়ে পড়েন। সামনে ঝড়-বৃষ্টির দিনে আতংক আরো বেড়ে যাবে তার। তাকে দেখভাল করার একমাত্র ভরসা তার বোন।

অসহায় মোহাম্মদ হাসানের ছোট বোন নুরুজ্জাহান বেগম জানান, আমার ভাইয়ের ছোট্ট ভাঙ্গা কুড়েঘর ছাড়া আর কোন সহায় সম্বল নেই। সে শারিরীক প্রতিবন্ধি। তাকে দেখা শোনা করতে অনেক কষ্ট হয়। তার ভাই হাটা চলাফেরা করতে পারেনা। বৃষ্টি হলে আমাদের কষ্ট বেড়ে যায়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মমতাময়ী নেত্রী, মানবতার মা শেখ হাসিনা যদি আমাদেরকে একটি ঘর করে দিলে অনেক বেশি উপকৃত হবো ।

চুনতি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শাহ আলম পল্টু জানান, মোহাম্মদ হাসান অনেক বেশী অসহায়। শারিরীক প্রতিবন্ধি। কোন ধরণের চলাফেরা করতে পারেনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে তার জন্য একটি ঘর বরাদ্দ হলে তিনি এবং তার বোন অনেক বেশী উপকৃত হবে। চুনতি ইউপি চেয়ারম্যান মুহাম্মদ জয়নুল আবেদীন জনু কোম্পানী জানান, কয়েকদিন হাজির পাড়া একটি শালিশী বৈঠকে আসি। বিষয়টি আমার নজরে পড়ে। আমি অসহায় মোহাম্মদ হাসানকে ভাঙ্গা কুড়েঘরের বাইরে উঠানে শুয়া অবস্হায় দেখতে পাই। কারণ সে শারিরীক প্রতিবন্ধি। হাটা চলাফেরা করতে পারেনা। তার ছোট বোন তার দেখাশোনা করে।সরকারের পক্ষ থেকে একটি বাড়ী নির্মাণ করে দিলে তারা অনেক বেশী উপকৃত হবেন।

লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মোঃ আহসান হাবীব জিতু জানান, বিষয়টি আমাকে চুনতি ইউপি চেয়ারম্যান অবহিত করেছেন। তার সম্পর্কে জেনেছি। বাড়ীর জন্য আবেদন করলে তদন্ত সাপেক্ষে বাড়ি নির্মাণের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

বিএনএ বাংলানিউজ২৪/ এসজিএন