Bnanews24.com
Home » কান্দাহারসহ ১১০ জেলার দখল নিয়েছে তালেবান
বিশ্ব সব খবর

কান্দাহারসহ ১১০ জেলার দখল নিয়েছে তালেবান

কান্দাহারসহ ১১০ জেলার দখল নিয়েছে তালেবান

বিএনএ ডেস্ক : আফগানিস্তানের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র কান্দাহার পুনরায় দখলে নিয়েছে তালেবান। শনিবার রাতে আফগানিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে লড়াইয়ের মাধ্যমে শহরটি দখলে নেয় তালেবান। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় তালেবান আফগানিস্তানের আরও ১৩টি জেলা নিজেদের দখলে নিয়েছে। এনিয়ে দেশটির ৩৭২টি জেলার মধ্যে তালেবানরা ১১০টি জেলা দখলে নিয়েছে।

আফগানস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে আশরাফ ঘানি সরকারের মধ্যে হতাশা বেড়েছে। কারণ একের পর এক জেলা দখল করে নিচ্ছে তালেবান।জেলাগুলো পুনরুদ্ধারে সেনাবাহিনীর সঙ্গে তালেবানদের তীব্র লড়াই চলছে।

এদিকে রবিবার (৪ জুলাই) বিকেলে কান্দাহার গভর্নরের পার্কিং চত্বরে বিস্ফোরণে দুই জন নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে একজন গভর্নরের সেক্রেটারি এবং অন্যজন নিরাপত্তা প্রহরী। এছাড়া আহত হয়েছে আরও এক নিরাপত্তা প্রহরী।

এর আগে শনিবার ৩ জুলাই আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ বাদাখশানে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ২০ তালেবান সদস্য নিহত হয়েছে। এছাড়া প্রদেশটিতে গত দুই দিনের সংঘাতে অন্তত তিনজন নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন।

গত ১ জুলাই রাতে আফগানিস্তানের বাদাখশান ও উত্তরাঞ্চলীয় বাঘলান প্রদেশে তালেবানের হামলায় অন্তত ২৩ জন নিহত হয়। নিহতদের মধ্যে বেশিরভাগই ছিল সাধারণ মানুষ। তবে কয়েকজন নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্য ও তালেবানা যোদ্ধাও ছিল নিহতের তালিকায়।

উল্লেখ্য,২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর টুইন টাওয়ারসহ তালেবানের আরও দুটি হামলায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় তিন হাজার মানুষ প্রাণ হারায়। এই হামলার জন্য আল কায়দার প্রধান ওসামা বিন লাদেনকে দায়ী করা হয়। এরপর থেকে আফগানিস্তানে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। ২০১১ সাল থেকে চলা যুদ্ধ-সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৬৪ হাজারের বেশি আফগান সেনা ও পুলিশ নিহত হয়েছেন। প্রাণ হারিয়েছেন ৪০ হাজারের বেশি সাধারণ মানুষ। এছাড়া আরও প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিদেশি সেনা নিহত হয়েছেন।

এ অবস্থায় সম্প্রতি আফগানিস্তান যুদ্ধে ইতি টানার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি জানিয়েছেন, ৯/১১ হামলার দুই দশকপূর্তির আগেই আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সকল মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হবে।
বিএনএ/ওজি