Bnanews24.com
Home » কাউন্সিলরের পুত্রবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: স্বামী গ্রেপ্তার
অপরাধ চট্টগ্রাম টপ নিউজ সব খবর

কাউন্সিলরের পুত্রবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: স্বামী গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামে কাউন্সিলরের পুত্রবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

বিএনএ,চট্টগ্রাম :  চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ১২ নম্বর সরাইপাড়া ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নুরুল আমিনের পুত্রবধূ রেহনুমা ফেরদৌসের (২৫) রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। শনিবার (২ জুলাই) দিবাগত রাতে রেহনুমার বাবা তারেক ইমতিয়াজ বাদী হয়ে নগরীর পাহাড়তলী থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

মামলায় তার স্বামী নওশাদ আমিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে আরেক আসামি রেহনুমার শাশুড়ি পলি বেগম পালিয়েছে। এর আগে শনিবার (২ জুলাই) সকাল ১০টায় নগরীর পাহাড়তলী থানার ১২ নম্বর সরাইপাড়া ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের বাসা থেকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মামলার বাদী তারেক ইমতিয়াজ বলেন, ২০১৮ সালে রেহনুমার সঙ্গে নওশাদ আমিনের বিয়ে হয়। তাদের আড়াই বছরের মেয়ে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে আমার মেয়েকে শ্বশুর বাড়ির লোকজন নিয়মিত নির্যাতন করতো। দেড় মাস আগেও সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের বাসায় দুই দফা সালিশ বৈঠক হয়েছিল।
‘এরপরও তারা থামেনি। তাদের নির্মম নির্যাতনে রেহনুমা মারা গেছে। এখন আত্মহত্যা বলে প্রচার করছে। আমার মেয়ের মৃত্যুর জন্য দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’ – বলেন তিনি।
শ্বশুরবাড়ির লোকজনের দাবি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে, স্বজনদের দাবি, তাকে হত্যার পর আত্মহত্যা বলে প্রচার করা হচ্ছে।
ময়নাতদন্ত শেষে বাবার বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তবে জানাজায় শ্বশুর বাড়ির লোকজন ছিলেন না বলে জানিয়েছেন রেহনুমার স্বজনরা।
পাহাড়তলী থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কাউন্সিলরের পুত্রবধূ মৃত্যুর ঘটনায় রাতে স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলায় নওশাদ আমীনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শাশুড়ি পলাতক আছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য, শনিবার সকাল ১০ টার দিকে চসিকের ১২ নম্বর সরাইপাড়া ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুরুল আমিনের বাসা থেকে তার পুত্রবধূ রেহনুমা ফেরদৌসের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

শনিবার পাহাড়তলী থানার ওসি মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেছিল, গৃহবধূ রেহনুমা ফেরদৌস ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন বলে থানায় খবর দিয়েছে তার শ্বশুর পক্ষ। আমরা গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করেছি।

‘আমারা যাওয়ার আগেই তার মরদেহ ফ্লোরে শোয়ানো ছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের পর বিস্তারিত বলা যাবে এটা হত্যা না আত্মহত্যা।’- বলেন ওসি।

বিএনএনিউজ২৪.কম/এনএএম