আসিফ

আসিফের বিরুদ্ধে ন্যান্সির মামলা

টপ নিউজ বিনোদন

বিনোদন ডেস্ক: নন্দিত গায়ক আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনীরা ন্যান্সি। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) আসিফ তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মামলা প্রসঙ্গে একটি লেখা পোস্ট করেন।

বাংলাদেশ নিউজ এজেন্সির পাঠকের জন্য তা হুবহু তুলে ধরা হলো-

স্ট্যাটাসে আসিফ লেখেন, ‘‌বছরের শেষ দিনে আদালতের সমন পেলাম। কোন একজন স্বনামধন্য গায়িকা মামলা করেছেন। এখনো মামলার কপি উত্তোলন করিনি তাই সঠিকভাবে কোন তথ্য দিতে পারছিনা। এতোটুকু জানি ময়মনসিংহ গিয়ে মামলা ফেস করতে হবে। হাতে কিছু সময় আছে। এদিকে কপিরাইট অফিসের যাদুতে মুগ্ধ আমি। তাদের ভুলভাল দিকনির্দেশনা এখন গলার ফাঁস হয়ে গেছে। ওখানেও অযাচিত ঝামেলায় জড়াতে হচ্ছে। এসব ঝামেলা কখনো আমি চাইনি, চাইও না। আপাতত ভুক্তভোগী তবে জয় নিশ্চিত ইনশাআল্লাহ।’

এর আগেও মামলায় জড়াতে হয়েছে আসিফকে। এমনকি কারাগারেও যেতে হয়েছে এই তারকাকে। তাই এইসব বিষয়ে ভালো লাগে না বলে জানান তিনি।

আসিফ আরো লিখেছেন, ‘মামলা আমার ভাল লাগে না। আবার রাশি গণ্ডগল মুক্তির উপায়ও একমাত্র যুদ্ধ। যতই লুকিয়ে বেড়াতে চাই ততোই আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে অযাচিত ঝামেলাগুলো। আমার বিরুদ্ধে কোনরকম অপরাধ প্রমাণ করার কিছু আছে তা আপাতদৃষ্টিতে দেখি না। কোর্ট কাচারি লম্বাচওড়া প্রক্রিয়া। রসদ আছে প্রচুর, মামলা আমিও করতে পারি, কারো বিরুদ্ধে এসব প্ল্যান নিয়ে ভাবার সময়ও নাই। সেক্ষেত্রে আরেক পক্ষের দাবড়ানি সহ্য করাটাই শ্রেয় মনে করেছি। আমি মামলা দিলে মানুষ বলবে, এগুলো আসিফের সাথে যায় না। অসহনীয় অত্যাচার সহ্য করে যাচ্ছি সহজাত অভ্যাসের বাইরে গিয়ে। এখন আমার অনেক ধৈর্য্য, তবে এটা দূর্বলতা নয়।

তবে মামলায় ভেঙ্গে পড়েননি আসিফ। মনবল ঠিক রেখে বিষয়টি নিয়ে এগোচ্ছেন তিনি। পোস্টে আসিফ লেখেন, ‘এতো ঝামেলা আমার সাথেই কেন হয় ? এই প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক। আমি নিজেও বিরক্ত এবং বিব্রত। সত্য কথা বলার সাহস রাখুন, ঝামেলা হবে আপনার নিশ্চিত বন্ধু। সব সুবিধা নিয়ে মুখ বন্ধ রাখুন, কাপুরুষের মত মৃত্যুস্বাদ গ্রহণ করুন। আরো একদিন আমি জিতবো, বারবার জিতেই যাবো পুরনো অভ্যাসে। একটু লম্বা সময় নিতে হবে এই যা, ধৈর্য্য তো ধরতেই হবে। মাঝেমাঝে মনে হয়ে সুলতান বাদশাহ সম্রাটদের আমলে থাকলে এতো সময় নষ্টই হতো না। ভালবাসা অবিরাম।’

বিএনএ/এমএইচ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *