28 C
আবহাওয়া
১২:১৪ পূর্বাহ্ণ - জুলাই ২৩, ২০২৪
Bnanews24.com
Home » ঈদুল আযহার নামাজ পড়ার নিয়ম, নিয়ত ও তাকবির

ঈদুল আযহার নামাজ পড়ার নিয়ম, নিয়ত ও তাকবির

ঈদুল আযহার নামাজ পড়ার নিয়ম, নিয়ত ও তাকবির

বিএনএ, ইসলামিক ডেস্ক: ঈদ হলো মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। মুসলমানরা প্রত্যেক বছরে দুটি করে ঈদ পালন করে থাকে। যথা: ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা।

সিয়াম সাধনা করার পর পালিত হয় ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা পালন করা হয় সম্পদের ত্যাগের মাধ্যমে। জিলহজ মাসের ১০ তারিখে প্রত্যেক বছর ঈদুল আযহা পালিত হয়ে থাকে।

ঈদুল আযহা

ত্যাগ ও উৎসর্গের ঈদ হলো ঈদুল আযহা বা কুরবানির ঈদ। প্রতিবছর জিলহজ মাসের ১০ তারিখ এই ঈদ পালিত হয়। সোমবার (১৭ জুন) দেশব্যাপী পবিত্র ঈদুল আযহা অনুষ্ঠিত হবে। আল্লাহ মুসলমানদের জন্য দুটি দিনকে ঈদের দিন হিসেবে নির্ধারিত করেছেন। এই দিনগুলোতে ঈদের নামাজ পড়া ওয়াজিব।

পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেছেন, ‘অতএব তোমার রবের উদ্দেশেই নামাজ পড়ো এবং নহর করো।’ (সূরা আল কাউছার, আয়াত: ২)

ঈদের নামাজের পদ্ধতি স্বাভাবিক নামাজের মতো নয়। ঈদের নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। ঈদের নামাজ ছাদবিহীন খোলা জায়গায় আদায় করা সুন্নাত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ  আলাইহি ওয়া সাল্লাম খোলা জায়গায় ঈদের নামাজ আদায় করতেন। যদি খোলা স্থানের ব্যবস্থা না থাকে তবে মসজিদেও ঈদের নামাজ পড়া যাবে। বছরে দুই বার ঈদের নামাজ পড়ার কারণে অনেকেই নামাজ পড়ার নিয়ম ভুলে যান। তাই ঈদের নামাজের নিয়ম তুলে ধরা হলো-

ঈদের নামাজের নিয়ত

বাংলা উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা রাকাআতাইন সালাতিল ইদিল ফিতরি মাআ সিত্তাতিত তাকবিরাতি ওয়াঝিবুল্লাহি তাআলা ইকতাদাইতু বিহাজাল ইমামি মুতাওয়াঝঝিহান ইলা ঝিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি আল্লাহু আকবার।

বাংলা অর্থ: আমি ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ অতিরিক্ত ৬ তাকবিরের সঙ্গে এই ইমামের পেছনে কেবলামুখী হয়ে আল্লাহর জন্য আদায় করছি- ‘আল্লাহু আকবার’।

ঈদের নামাজ পড়ার নিয়ম

ইমামের সঙ্গে তাকবিরে তাহরিমা ‘আল্লাহু আকবার’ বলে উভয় হাত বাঁধা। তাকবিরে তাহরিমার পর ছানা পড়া- ‘সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়াতাআলা যাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা।’

এরপর অতিরিক্ত ৩ তাকবির দেয়া। এক তাকবির থেকে আরেক তাকবিরের মধ্যে তিন তাসবিহ পরিমাণ সময় বিরত থাকা। প্রথম ও দ্বিতীয় তাকবিরে উভয় হাত উঠিয়ে তা ছেড়ে দেয়া। তৃতীয় তাকবির দিয়ে উভয় হাত তাকবিরে তাহরিমার মতো বেঁধে নিতে হয়। আউজুবিল্লাহ-বিসমিল্লাহ পড়া। সূরা ফাতেহা পড়া। সূরা মিলানো। এরপর নিয়মিত নামাজের মতো রুকু ও সেজদার মাধ্যমে প্রথম রাকাত শেষ করা।

এরপর দ্বিতীয় রাকাতে বিসমিল্লাহ পড়া। সূরা ফাতেহা পড়া। সূরা মিলানো। সূরা মিলানোর পর অতিরিক্ত ৩ তাকবির দেয়া। প্রথম ও দ্বিতীয় তাকবিরে উভয় হাত উঠিয়ে তা ছেড়ে দেয়া। তৃতীয় তাকবির দিয়ে উভয় হাত তাকবিরে তাহরিমার মতো বেঁধে নিতে হয়। এরপর রুকুর তাকবির দিয়ে রুকুতে যাওয়া। সেজদা আদায় করা। বৈঠকে বসা, তাশাহহুদ, দরূদ, দোয়া মাসুরা পড়ে সালাম ফেরানোর মাধ্যমে নামাজ সম্পন্ন করা।

নামাজের সালাম ফেরানোর পর তাকবির পড়া

বাংলা উচ্চারণ: ‘আল্লাহু আকবর, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবর ওয়া লিল্লাহিল হামদ।’

নামাজের পর ইমাম সাহেবের দুইটি খুতবা দেয়া। ঈদের নামাজ পড়ার পর ইমাম খুতবা দেবে আর মুসল্লিরা খুতবা মনোযোগের সঙ্গে শুনবে।

বিএনএনিউজ/ বাবর মুনাফ/এইচমুন্নী 

Loading


শিরোনাম বিএনএ