30.9 C
আবহাওয়া
৭:৫৯ অপরাহ্ণ - জুন ২৪, ২০২৬
Bnanews24.com
Home » কেমন হবে বিএনপির মিশকাতুল, জামায়াতের জহিরুল ও স্বতন্ত্র লেয়াকতের লড়াই?

কেমন হবে বিএনপির মিশকাতুল, জামায়াতের জহিরুল ও স্বতন্ত্র লেয়াকতের লড়াই?


বিএনএ, ঢাকা : চট্টগ্রাম-১৬ সংসদীয় আসনটি পাহাড় ও সাগরবেষ্টিত নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের নৈসর্গিক লীলাভূমি  বাঁশখালী  উপজেলা নিয়ে গঠিত। এটি জাতীয় সংসদের ২৯৩ তম আসন। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১১ হাজার ২ শত ৭৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১৯ হাজার ৯ শত ৮২ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৯১ হাজার ২ শত ৮৭ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছে ৫ জন।

১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটি চট্টগ্রাম-১৫ নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের সীমানা পূন:নির্ধারনে পর আসনটি চট্টগ্রাম-১৬ নামে পরিচয় বহন করছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী, দাড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, ফুটবল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা লেয়াকত আলী, হাতপাখা প্রতীকে  ইসলামী আন্দোলনের হাফেজ রুহুল্লাহ, চেয়ার প্রতীকে ইসলামী ফ্রন্টের মওলানা আব্দুল মালেক,  ট্রাক প্রতীকে গণঅধিকার পরিষদের মো: আরিফুল হক, হারিকেন প্রতীকে মুসলিম লীগের এহসানুল হক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

তবে মুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপির মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা লেয়াকত আলীর মধ্যে। কেমন হবে এই তিনজনের  ভোটের লড়াই? সেই বিশ্লেষণে যাওয়ার আগে আসুন জেনে-নিই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ৪টি নির্বাচনের ফলাফল।

১৯৯১ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি পঞ্চম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই আসনে ভোটার ছিলেন ১ লাখ ৯০ হাজার ৮ শত ৬২ জন। ভোট প্রদান করেন ৯২ হাজার ৩ শত ১৯ জন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের  সুলতানুল কবির বিজয়ী হন। নৌকা প্রতীকে তিনি পান ২৯ হাজার ৭ শত ৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী  মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি পান ২৯ হাজার ৭৮ ভোট। দাড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর মমিনুল হক চৌধুরী পান ২১ হাজার ২শত ৭১ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির আবু সালেহ চৌধুরী পান ৯৩০৮ ভোট।

১৯৯৬ সালের ১২ই জুন সপ্তম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৬ শত  ৮০ জন। ভোট প্রদান করেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৫ শত ৭৫ জন। নির্বাচনে বিএনপির জাফরুল ইসলাম চৌধুরী বিজয়ী হন। ধানের শীষ  প্রতীকে তিনি পান ৪৫ হাজার ৩ শত ৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের  সুলতানুল কবির । নৌকা  প্রতীকে  তিনি পান ৩৪ হাজার ৭৬ ভোট।

২০০১ সালের পহেলা অক্টোবর অষ্টম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ২ লাখ ২১ হাজার ৮ শত ৪১ জন। ভোট প্রদান করেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৩ শত ২২ জন। নির্বাচনে বিএনপির জাফরুল ইসলাম চৌধুরী বিজয়ী হন। ধানের শীষ প্রতীকে  তিনি পান ১ লাখ ৮ শত ৫৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের  সুলতানুল কবির । নৌকা  প্রতীকে  তিনি পান ৫৬ হাজার ৩ শত ১৪ ভোট।

২০০৮ সালের ২৯শে ডিসেম্বর নবম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ২ লাখ ২৭ হাজার  ৯ শত ৮১ জন। ভোট প্রদান করেন ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯ শত ৮০ জন। নির্বাচনে বিএনপির জাফরুল ইসলাম চৌধুরী বিজয়ী হন। ধানের শীষ প্রতীকে  তিনি পান ৯৯ হাজার ৮ শত ৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের  সুলতানুল কবির। নৌকা প্রতীকে  তিনি পান ৯১ হাজার ৮ শত ৭০ ভোট।

পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ১৯৯১ সালের  পঞ্চম সংসদে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়  ১৯৯৬ সালের সপ্তম, ২০০১ সালের অষ্টম ও ২০০৮ সালের নবম সংসদে টানা বিএনপি বিজয়ী হয়।

এবার আসা যাক, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ৪টি নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে রাজনৈতিক দলগুলো কত শতাংশ ভোট পেয়েছিল সেই বিশ্লেষণে।

নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৪৮.৩৭% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩২.১৮%, বিএনপি ৯.৭৯%, জামায়াতে ইসলামী ২৩.০৪% স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ৩৪.৯৯% ভোট পায়।

১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৬৭.৬৮% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৮.৫০%, বিএনপি ৩৭.৯৬%, জাতীয় পার্টি ১৫.৫৮%, জামায়াতে ইসলামী ১৫.১১% স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ২.৮৫% ভোট পায়।

২০০১ সালের অষ্টম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৭২.৭২% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩৪.৯১%, ৪ দলীয় জোট ৬২.৫২%, জাতীয় পার্টি ২.১৮% স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ০.৩৯% ভোট পায়।

২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৮৫.৫২% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে ১৪ দলীয় জোট ৪৭.১২%, ৪ দলীয় জোট ৫১.২৩%,  স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ১.৬৫% ভোট পায়।

আসুন জেনে নিই, আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী)  আসনে দশম, একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন কেমন ছিল? কারা সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন?

২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচনের দাবিতে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয়  জোট এই নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেনি। এক তরফা ভোটারবিহীন এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীকে  বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

২০১৮ সালের ৩০শে ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৩ হাজার ১ শত  ২৩ জন। নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন ৯ জন। নৌকা  প্রতীকে আওয়ামী লীগের মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, ধানের শীষ  প্রতীকে বিএনপির জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এইচ এম ফরিদ আহম্মদ, কুড়েঁঘর  প্রতীকে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি বাংলাদেশ ন্যাপ এর আশীষ কুমার শীল, বেঞ্চ প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী বজল আহমদ, মোমবাতি প্রতীকে ইসলামী ফ্রন্টের মনিরুল ইসলাম, আপেল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী জহিরুল ইসলাম এবং চেয়ার প্রতীকে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মহিউল আলম চৌধুরী  প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।

কিন্তু ভোটের আগের দিন রাতে প্রশাসনের সহযোগীতায় ৩০থেকে ৪০শতাংশ ব্যালটে নৌকা প্রতীকে সিল মেরে ভোটের বাক্স ভর্তি করে রাখা হয়।  নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী বিজয়ী হন। কারচুপির অভিযোগে বিএনপি সমর্থিত ঐক্য জোট  নির্বাচন বর্জন ও ফলাফল প্রত্যাখান করে।

২০২৪ সালের ৭ই জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলীয় জোটের শরিক রাজনৈতিক দলগুলো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে বিএনপি, জামায়াত এবং তাদের সমমনা দল নির্বাচন বর্জন করে। আমি-ডামি খ্যাত এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। যদিও ভোটারদের বড় অংশ ভোট কেন্দ্রে যায়নি। নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা মজিবুর রহমানকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ২০১৪ সালের দশম, ২০১৮ সালের একাদশ ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ছিল একতরফা। ৩টি নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়নি। প্রতিফলন হয়নি জনরায়ের। ২০২৪ সালের  ৫ই আগষ্ট ছাত্র- জনতার গণঅভ্যূত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এর পরদিন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন এই সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করে।

আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে । এই আসনে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও ভোট যুদ্ধে রয়েছেন বিএনপির মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী,  জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা লেয়াকত আলী।

ইসলামী আন্দোলনের হাফেজ রুহুল্লাহ, ইসলামী ফ্রন্টের মওলানা আব্দুল মালেক প্রচারণায় থাকলেও গণঅধিকার পরিষদের মো: আরিফুল হক, মুসলিম লীগের এহসানুল হক জনসংযোগে  নেই।

তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণে জানা যায়, এক সময় এই আসনটি বিএনপি জামায়াতের ঘাটি হিসাবে পরিচিত ছিল। দীর্ঘ ১৭ বছর ক্ষমতা বলয়ের বাহিরে থাকা এবং সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী জাফরুল ইসলাম চৌধুরীর মৃত্যুর পর বাঁশখালী সংসদীয় আসনে বিএনপি সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। তার ওপর রয়েছে দলীয় কোন্দল। যার প্রভাব পড়েছে নির্বাচনে। দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন আলোচিত- সমালোচিত  গন্ডামারার সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা লেয়াকত আলী। পশ্চিম বাঁশখালীর কয়েকটি ইউনিয়নে তার বেশ প্রভাব রয়েছে। এতে বিএনপির ধানের শীষের ভোটের একটি অংশ চলে যাবে লেয়াকত আলীর ফুটবল ব্যালটে।

বিএনপির দলীয় কোন্দল, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতের জয়েন্ট  সেক্রেটারি অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলামের জয়ের পথকে অনেকটা সুগম করেছে। ১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ নির্বাচন থেকে সাংগঠনিক দিক থেকে বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছে জামায়াতে ইসলামী। বিএনপি প্রার্থী যেখানে ৯.৭৯%, শতাংশ ভোট পেয়েছিল তখন জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর ভোট ছিল ২৩.০৪%। এই পরিসংখ্যান বলে দেয়, জামায়াতে ইসলামীর শিকড় বাঁশখালীতে কতটা গভীর।

এবার জাতীয় সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারি  অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম ক্লিন ইমেজের অধিকারি ও জনপ্রিয়। ২০১৪ সালের ১৩ মার্চ অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ  নির্বাচনে আওয়ামী লীগের খেরশেদ আলম বিএনপির  আলমগীর কবির চৌধুরী এবং এবারের সংসদ নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী লেয়াকত আলীকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

তবে  বঙ্গোপসাগর লাগোয়া এই সংসদীয় আসনে  জয় পরাজয়ের পাল্লা এখন আওয়ামী লীগের ভোটারদের ওপর নির্ভর করছে। আওয়ামী লীগ বিহীন এই নির্বাচনে বেশিরভাগ ভোটার ভোট প্রদান থেকে বিরত থাকলেও অনেকে বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর মধ্যে ভাগ হয়ে গেছে। সেই দিক থেকে জামায়াতে ইসলামীর পাল্লাই ভারী।

সবমিলিয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বিহীন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলামের  মুখে দেখা যেতে পারে বিজয়ের হাসি, এমনটাই মনে করেন দৈবচয়ন পদ্ধতিতে পরিচালিত বিএনএ নিউজ টুয়েন্টিফোর এর জরিপে অংশগ্রহণকারি বেশিরভাগ ভোটার।

বিএনএনিউজ/ শামীমা চৌধুরী শাম্মী/এইচ.এম।

Loading


শিরোনাম বিএনএ