বিএনএ, ঢাকা: দেশের বিরাজমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে ঐক্যমতের বিকল্প নেই। দেশের চলমান পরিস্থিতি ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সব রাজনৈতিক দলকে ঐক্যমতে পৌঁছাতে হবে। গণতন্ত্রের পথে যাওয়ার প্রথম ধাপ নির্বাচন।
বুধবার(১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে ‘সংকট থেকে মুক্তি পেতে রাজনৈতিক ঐক্যমতের বিকল্প নেই’ শীর্ষক চা-চক্রে বক্তারা এসব কথা বলেন। নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না এই চা-চক্রের আয়োজন করেন।
বক্তারা বলেন, বিগত ১৬ বছরের আন্দোলন সংগ্রাম ও জুলাই-আগস্টের ৩৬ দিনের আন্দোলনের মধ্যে বড় একটা সর্ম্পক রয়েছে। সবাই ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ছাত্র-জনতার এক লক্ষ্য থাকার কারণে শেখ হাসিনার পতন নিশ্চিত করা গেছে। এখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে দ্রুত সময়ে নির্বাচনের দিকে যেতে হবে। অন্যস্থায় বিপ্লব বেহাত হতে পারে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংবিধানের ৬ অনুচ্ছেদের শপথ নিয়েছে। তার মেয়াদ কত হবে সেটা দেয়া নেই।
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, দেশে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হয় নির্বাচনে।গত আগস্টের পর অপার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে সেই সাথে চ্যালেঞ্জও তৈরি হয়েছে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে ঐক্যমতের বিকল্প নেই। ঐক্যমতের মাধ্যমে সব সম্ভব।
গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেন,বেশি বেশি সংস্কারের কথা বলে, কুসংস্কার করবে না। যত দ্রুত নির্বাচন দিয়ে ক্ষমতা ছেড়ে দিন।
ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম বাবলু বলেন, দেশ নতুন করে স্বাধীন হয়নি, স্বাধীন হয়েছে ৭১ সালেই।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, শেখ হাসিনার পতনের পর কেউ আগের মতো দেশ চালাবে, এটা ভাবা যায় না। আমরা নির্বাচনের পর জাতীয় সরকার গঠন করে দেশ চালাবো। যত সমস্যার একমাত্র সমাধান নির্বাচন।
বিএনএ,এসজিএন