30 C
আবহাওয়া
৪:৫৯ অপরাহ্ণ - ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৪
Bnanews24.com
Home » কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ব্যক্তি শনাক্ত

কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা ব্যক্তি শনাক্ত


বিএনএ ডেস্ক : কুমিল্লার পূজামণ্ডপে গনেশের পায়ে পবিত্র কোরআন রাখা ব্যক্তিকে সিসি টিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা হয়েছে। তার নাম ইকবাল হোসেন। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

বুধবার (২০ অক্টোবর) বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন কুমিল্লার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ।

তিনি জানান, কুমিল্লার পূজা মণ্ডপে পবিত্র কোরআন শরিফ রেখেছিলেন ইকবাল হোসেন (৩৫) নামে এক ব্যক্তি। পুলিশের একাধিক সংস্থার তদন্তে তাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ইকবাল হোসেনের বাবার নাম নূর আহমেদ আলম। বাড়ি কুমিল্লা নগরের সুজানগর এলাকায়। ইকবালকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে

স্থানীয় এক সূত্রে জানা যায়, ফয়েজ নামে সেীদি প্রবাসী এক ব্যক্তি পূজামন্ডপে কোরআন রাখার পরিকল্পনা করে। ইকবাল তার বাহক হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া কোরআনটি সৌদী আরবে মুদ্রিত বলে জানা যায়।

এ দিকে ফয়েজ নামে  ওই ব্যক্তি মোবাইল ফেলে দেয়ায় তাকে ট্র্যাক করা যাচ্ছেনা বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়।

কুমিল্লা জেলা পুলিশের ডিআইও-১ মো. মনির আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান,   সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায় নানুয়ার দিঘির উত্তর-পূর্বদিকে সড়কে রাত সোয়া ৩টার দিকে এক যুবক হনুমান ঠাকুরের গদা হাতে নিয়ে ঘোরাঘুরি করছেন। ওই যুবককে শনাক্ত করা হয়েছে।

সিসি টিভির ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ১৩ অক্টোবর রাত ২টা ১০ মিনিটের দিকে মসজিদ থেকে ওই যুবক কোরআন শরিফ হাতে নিয়ে বের হয়ে আসছেন। এরপর রাত ২টা ১১ মিনিটে তিনি মসজিদ থেকে মূল সড়কে উঠে মন্দিরের দিকে হেঁটে যান।

আরেকটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রাত ৩টা ১২ মিনিটে যুবকটির হাতে কোরআন শরিফ নেই। তিনি এসময় গদা কাঁধে নিয়ে মন্দিরের পাশে পুকুরপাড়ের রাস্তায় হাঁটাহাঁটি করছিলেন। এসময় তিনি চারপাশে তাকিয়ে দেখছিলেন কেউ তাকে দেখছে কি-না।

উল্লেখ্য, গত ১৩ অক্টোবর কুমিল্লা মহানগরীর নানুয়া দিঘিরপাড় পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা নিয়ে মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।এ ঘটনার জের ধরে ওই দিন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে হিন্দুদের ওপর হামলা করতে যাওয়া একদল ব্যক্তির সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। সেখানে নিহত হন চারজন। পরদিন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে হিন্দুদের মন্দির, মণ্ডপ ও দোকানপাটে হামলা–ভাংচুর চালানো হয়। সেখানে হামলায় নিহত হয়েছিলেন দুইজন। এরপর রংপুরের পীরগঞ্জে হিন্দু বসতিতে হামলা করে ভাংচুর, লুটপাট ও ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। হিন্দুদের মন্দির–মণ্ডপসহ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা হয়েছে দেশের আরও অনেক এলাকায়।

এ ঘটনায় বিভিন্ন থানায় আট মামলায় ৭৯১ জনকে আসামি করা হয়। এরমধ্যে কোতোয়ালী মডেল থানায় পাঁচটি, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় দুটি ও দাউদকান্দি থানায় একটি মামলা হয়েছে।

বিএনএ/ ওজি

Loading


শিরোনাম বিএনএ