চবির প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন

বিএনএ, চবি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রাণীবিদ্যা বিভাগের ৫০রছর পূর্তিতে  ‘গৌরবের পঞ্চাশে, মিলি প্রাণের উচ্ছ্বাসে’স্লোগানে সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব জাঁকজমকপূর্ণভাবে উৎযাপিত হয়েছে। শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) সকালে নবীন, প্রবীণদের  আনন্দ শোভাযাত্রার মাধ্যমে এ সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

এই সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব পরিণত হয়েছে মিলনমেলায়। দীর্ঘদিন পর পুরনো বন্ধুকে কাছে পেয়ে আনন্দে মেতে উঠেন সবাই।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন   উপ-উপাচার্য প্রফেসর বেনু কুমার দে। তিনি বলেন,  আমরা বিশ্বায়নের যুগে বাস করি। আমাদের দায়িত্ব এই পৃথিবী রক্ষা করা। আসুন আমরা আমাদের দায়িত্বটা পালন করি। জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আমাদের অগ্রহণীয় ভূমিকা পালন করেতে হবে।

সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানের স্মারক বক্তার বক্তব্যে  বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. আশীষ কুমার পানিগ্রাহী বলেন, করোনায় আসার পর পুরো পৃথিবী নিস্তব্ধ হয়ে গেলো। মানুষের দেহে দেখা দিতে লাগলো নতুন নতুন রোগ। পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আবহাওয়া পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন প্রাণী পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। প্রাণিকুল রক্ষা করতে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে।

প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল কিবরীয়া বলেন, আজকের এ উৎসব নবীন-প্রবীণ ও জ্ঞানী-গুণীদের উপস্থিতিতে মুখরিত। অধ্যাপক ড. শফিক হায়দার চৌধুরীর হাত ধরে ১৯৭৩ সালের পহেলা জানুযারি প্রাণিবিদ্যা বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। তিনি ছিলেন এ বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এ বিভাগে বর্তমানে কীটতত্ত্ব, ফিশারিজ অ্যান্ড লিমনোলজি, প্যারাসাইটোলজি ও ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড কনজারভেশন বায়োলজি শাখা চলমান। বর্তমানে প্রাণিবিদ্যা বিভাগ চবির একটি ঐতিহ্যবাহী ও সমৃদ্ধশালী বিভাগ। আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা দিয়ে মানবকল্যাণ, পরিবেশের পাশাপাশি জীববৈচিত্র্যে ভূমিকা রাখছে। এ বিভাগ আরো এগিয়ে যাক এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

বিএনএ/ সুমন বাইজিদ/এইচ.এম।