ব্রাউজিং শ্রেণী

কারাগারের রোজনামচা

কারাগারের রোজনামচা : পর্ব-৫৭

দেখেই খুশি হলাম যে আমি ও আমার সহকর্মীরা অনেকেই জেলে আটক থাকা অবস্থায়ও আওয়ামী লীগ নেতা ও কর্মীরা শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন চালাইয়া যাওয়ার সঙ্কল্প করিয়াছে। রক্ত এরা বৃথা যেতে দিবে না। সৈয়দ নজরুল ইসলাম এঙ্কিং সভাপতি, পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কারাগারের রোজনামচা : পর্ব-৫৫

খাবার পানি তো কোনো ট্রেনেই পাওয়া যায় না। পায়খানা প্রস্রাব করার পানিও অনেক সময় থাকে না। কোন মন্ত্রী যেন বলেছেন 'সাবোটাস'! ঠিকই বলেছেন, সাবোটাস তো নিশ্চয়ই, কারণ কেন্দ্রীয় সরকারই 'সাবোটাস' করেছে দীর্ঘ ১৭ বৎসর। ভারতবর্ষ যখন ভাগ হয় এবং…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কারাগারের রোজনামচা : পর্ব-৫৪

আমি একলা থাকি, আমার সামনেই পাক হয় । আমার সহকর্মীরা কি অন্যায় করেছে, কেউ কি জেলের আইন ভেঙেছে যে এক জায়গায় থাকতে পারেন না, আর একসাথে পাক হতে পারে না? এদের কাউকে ডিভিশন দেওয়া হয় নাই। এক সাথে মিলেমিশে খাওয়া-দাওয়ার বন্দোবস্ত করলে আপনাদের…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কারাগারের রোজনামচা : পর্ব-৫৩

এসেছিলাম মেট, বাবুর্চি, ফালতু, সিপাহিরা যারা আমার ঘরে থাকে তারা আমার কাছে এসে বলতে লাগল, 'ভাববেন না স্যার। আল্লা করলে আপনার মা ভাল হয়ে যাবেন। তাই ভাবি রাজনীতি মানুষকে কত নিষ্ঠুর করে। কয়েদিদেরও মায়া আছে, প্রাণ আছে, কিন্তু…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কারাগারের রোজনামচা : পর্ব-৫২

বাইরে যে ছোট বসার জায়গাটি আছে তার উপর বসেই চুপ করে আছি। জমাদার সাহেব এসে বললেন, চিন্তা করে শরীর নষ্ট করবেন না । দুই একজন কয়েদিও পাশ দিয়ে ঘুরে গেল, সাহস করে কিছুই বলল না । এইভাবে অনেক সময় কেটে গেল । ৯টার সময় ডিপুটি জেলার সাহেবকে খবর…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কারাগারের রোজনামচা : পর্ব-৫১

ফিরে এলাম আবার সেই নির্জন কারাগারে। আসার পথে কয়েদিরা আমাকে আদাব করল। কিন্তু ওদের দিকে চাইতে পারলাম না।শুধু হাত তুলে সালাম দিলাম ও লইলাম আমার মনের অবস্থা দেখে মেট আলিমুদ্দি, বাবুর্চি, ফালতু ছুটে এল। বললাম, “আমার মায়ের অসুখ।” মনে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কারাগারের রোজনামচা : পর্ব-৫০

অনেক রিকশাওয়ালাকে এনেছে, বোধ হয় বাড়িতে তাদের ছেলেমেয়ে না খেয়েই আছে । দুই মাসের সাজা দিয়েছে অনেককে। দুপুর হয়ে গেল এই ভাবেই । কাগজ এল, দেখলাম তথাকথিত জাতীয় পরিষদ ও পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ থেকে বিরোধী দল ওয়াক আউট করেছে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কারাগারের রোজনামচা : পর্ব-৪৯

৯ই জুন ১৯৬৬ ॥ বৃহস্পতিবার ভোর বেলা বাহির হয়েই চোখে পড়ল পুরানা বিশে যাদের রাখা হয়েছে তারা দরজার ফাঁক দিয়ে আমার দিকে চেয়ে রয়েছে। আমি আস্তে আস্তে ওদের দিকে এগিয়ে গেলাম। জিজ্ঞাসা করলাম ওদের অবস্থা। বলল, করুণ কাহিনী । রাস্তা থেকে ধরে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কারাগারের রোজনামচা : পর্ব-৪৮

ছয় দফা যে পূর্ব বাংলার জনগণের প্রাণের দাবি—পশ্চিমা উপনিবেশবাদী ও সাম্রাজ্যবাদীদের দালাল পশ্চিম পাকিস্তানের শোষকশ্রেণী যে আর পূর্ব বাংলার নির্যাতিত গরীব জনসাধারণকে শোষণ বেশি দিন করতে পারবেনা, সে কথা আমি এবার জেলে এসেই বুঝতে পেরেছি। বিশেষ…
বিস্তারিত পড়ুন ...