bnanews24.com
নিজের বায়োপিক বানাচ্ছেন ম্যাডোনা

নিজের বায়োপিক বানাচ্ছেন ম্যাডোনা

বিনোদন ডেস্ক: পপসম্রাজ্ঞী ম্যাডোনার বর্ণাঢ্য জীবন ও ক্যারিয়ার এবার দেখা যাবে বড় পর্দায়। এবার তিনি নিজেই নিজের বায়োপিক তৈরির ঘোষণা দিয়েছেন। পরিচালকের আসনেও থাকবেন ৬২ বছর বয়সী এই আমেরিকান তারকা। অভিনয়ের জন্য নতুন একজন শিল্পীর সন্ধান করছেন ম্যাডোনা। হলিউডভিত্তিক প্রায় সব গণমাধ্যমেই এই খবরটি নিশ্চিত করা হয়েছে।

তার মধ্যে হলিউড রিপোর্ট বলছে, এরই মধ্যে বায়োপিকটির জন্য স্ক্রিপ্ট গোছাতে শুরু করেছেন অস্কার-বিজয়ী জুনো ডায়াবলো কোডি।

যিনি একদা লাইক আ ভার্জিন, ট্রু ব্লু নামের আকাশছোঁয়া সব অ্যালবামের জন্ম দিয়েছেন তার পক্ষে অবশ্য এ সব নতুন কিছু নয়, আশ্চর্যেরও কিছু নয়। তিনি বরাবরই এরকম ঝুঁকি নিতে ভালবাসেন, নেন এবং সাফল্যের শিখর স্পর্শ করেন। এমনি এমনি তো কুইন অফ পপ অভিধা জোটেনি তার।

অন্য একটি সংস্থা অবশ্য অনেক আগেই ভেবে রেখেছিল ম্যাডোনার জীবন-ফিল্মটি তারাই বানাবে। কিন্তু ফুঁসে উঠে পপ-রানি বলেছিলেন, ওনলি আই ক্যান টেল মাই স্টোরি। অন্যরা আমার জীবন নিয়ে ছবি বানাবার কে?

প্রায় চার দশকের সঙ্গীতজীবনের নানা বাঁকে নানা রঙ তার। যেখানে সঙ্গীতের সুরের সঙ্গে নৃত্যের অপরূপ তালভঙ্গিও তাকে ক্রমে একটা কাল্ট-এ পরিণত করেছে। প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করেছেন। এবং নিজের জন্য নতুন নতুন ক্ষেত্র আবিষ্কার করে নিয়েছেন আশ্চর্য শৈলীতে। এই বায়োপিক সম্বন্ধে বলেছেনও, মিউজিক এবং আর্ট-ই আমাকে এগিয়ে যেতে এবং বেঁচে থাকতে সাহায্য করেছে।

চলচ্চিত্রটি একজন ম্যাডোনার তারকা হয়ে ওঠা থেকে শুরু করে তার ৪ হাজার ৭০০ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ হিসেবে জায়গা পাওয়ার গল্পও তুলে ধরা হবে। উঠে আসবে ম্যাডোনার সংগ্রামী জীবন ও ঘটনাবহুল বিষয়গুলো। এনি এবং ম্যাডোনা সিনেমাটি নিয়ে শুরু থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক খোলামেলা আলোচনা করেছেন। একপর্যায়ে তারা বলেও দিয়েছিলেন যে, সিনেমাটির নাম বলা যেতে পারে ‘লাইভ টু টেল’। যদিও এই সিদ্ধান্ত পরে পাল্টাতে পারে বলে জানান তারা।

প্রসঙ্গত, ম্যাডোনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় একজন কণ্ঠশিল্পী। তাকে ভক্তরা ভালোবেসে পপ সম্রাজ্ঞী বলেও ডাকেন। ম্যাডোনা সুযোগ পেলেই গানের পাশাপাশি অন্য কিছু করার চেষ্টা করেন। খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান আইকনিক্স ব্র্যান্ড গ্রুপের সঙ্গে মিলে তিনি বিশ্বব্যাপী ফ্যাশন ব্র্যান্ড চালু করেছেন।

৩৫ বছর ধরে গানের জগতে নিজের আধিপত্য ধরে রেখেছেন ম্যাডোনা। ম্যাটেরিয়াল গার্ল হিসেবে পরিচিত তিনি। তাকে বলা হয় ‘কুইন অব পপ’। গান গেয়ে কোটি কোটি পুরুষের হূদয়ে ঝড় তুলে চলেছেন ম্যাডোনা এই বয়সেও। প্রায় চার দশক বা ৪০ বছর ধরে বিশ্বসংগীতে রাজত্ব করছেন তিনি। এ বয়সেও নিজের রূপ ধরে রেখেছেন গায়িকা।

ম্যাডোনা আমেরিকার সবচেয়ে ধনী নারী সংগীতশিল্পী। ফোর্বসের হিসাবমতে, ম্যাডোনার মোট সম্পদের পরিমাণ ৫৮০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ম্যাডোনার সুপার বোল পারফরম্যান্স ছিল রেকর্ড ভাঙা। গত শতাব্দীর আশির দশকে গুগল ছিল না। তাই সে সময়ে মানুষ কী বিষয় নিয়ে আগ্রহী ছিল, তা নিয়ে এখন ভালো জানা যায় না। ২০১০ থেকে ম্যাডোনাকে গুগলে খোঁজার পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে থাকে। ২০১২ সালের মার্চে সেটা সর্বোচ্চ বিন্দুতে পৌঁছায়।

বিএনএ/এমএইচ

আরও পড়ুন

জেল হত্যা দিবস পালিত

bnanews24

বুধবার থেকে মালয়েশিয়ায় ফ্লাইট চালাবে বিমান

marjuk munna

হতাশ ইউজিসি

Osman Goni