bnanews24.com
সিনেমা হলে দর্শক উপস্থিতি কম

সিনেমা হলে দর্শক উপস্থিতি কম

ঢাকার চলচ্চিত্র বেশ কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালটাও হতাশার পথে চলল। তেমন কোনো চমক ছিল না বছরজুড়ে। তবে ২০২০ সালে খানিকটা আলোর আশা নিয়ে শুরু করলেও করোনার কারণে তা থমকে যায়। গত ১৮ মার্চ থেকে দেশের সব সিনেমা হল বন্ধ হয়ে যায়।

প্রায় ৭ মাস বন্ধ থাকার পর শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) থেকে সারাদেশে শতাধিক সিনেমা হল খুললেও বেশির ভাগ হলে পুরানো ছবি প্রদর্শন করা হচ্ছে।  এছাড়া নতুন ছবি মুক্তিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না প্রযোজক-পরিচালকরা। তবে হল চালুর প্রথম দিনই পুরানো ও নিন্মমানের ছবি মুক্তি পাওয়ায় হলে দর্শক উপস্থিতি ছিল খুব কম।

দেশে করোনাকালীন সময়ের আগে জানুয়ারিতে প্রায় ডজন খানেক বড় বাজেটের ছবি মুক্তির প্রক্রিয়ায় করা হয়। অনেকেই এই বছরকে চলচ্চিত্রের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখেছেন। নতুন চলচ্চিত্রের তালিকায় ছিল-  গিয়াস উদ্দিন সেলিমের পাপপুণ্য, কাজী হায়াতের বীর, রবিন খানের মন দেব মন নেব, রায়হান রাফির দুটি ছবি পরান ও ইত্তেফাক, এম এ রাহিমের শান, যৌথভাবে ফয়সাল আহমেদ ও সানী সানোয়ারের মিশন এক্সট্রিম, নাদের চৌধুরীর জ্বীন, শামীম আহমেদ রনির দুটি ছবি শাহেনশাহ ও বিক্ষোভ, চয়নিকা চৌধুরীর বিশ্বসুন্দরী, দীপংকর দীপনের অপারেশন সুন্দরবন, সৈকত নাসিরের ক্যাসিনো, শাহিন সুমনের ক্রিমিনাল, অঞ্জন আইচের আগামীকাল, সাইফ চন্দনের ওস্তাদ, অনন্য মামুনের মেকআপ ইত্যাদি ছবিগুলো।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে প্রায় ৭ মাস বন্ধ থাকার পর  শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) থেকে দেশের হলগুলো খোলা হয়। একইসঙ্গে হলে আসন সংখ্যা কমিয়ে অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়। তবে হল খুললেও রয়েছে নতুন ছবির সংকট। করোনাকালীন সব ধরনের শুটিং বন্ধ থাকায় অনেক ছবির কাজই শেষ হয়নি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে কিছু কিছু ছবির শুটিং শুরু হলেও কাজের গতি স্বাভাবিক হয়নি। আর যেসব ছবির কাজ শেষ হয়েছে সেগুলোর মুক্তির ব্যাপারেও অনাগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

জানা যায়, গতকাল (শুক্রবার) সারাদেশে ৬২টি হল চালু হয়। তারমধ্যে ৩৮টি হলে হিরো আলমের নতুন ছবি ‘সাহসী হিরো আলম’ মুক্তি পায়। ঢাকার তিনটি হল এবং  বাকি ৩৫টি দেশের বিভিন্ন হলে মুক্তি পায় এই ছবি।  টানা প্রায় ৭ মাস হল বন্ধ থাকার পর বিতর্কিত ব্যক্তিত্বের ছবি মুক্তি দেয়াকে ইন্ডাস্ট্রির নতুন সংকট বলে মনে করছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।

একই সঙ্গে হল গুলোতে যাওয়া দর্শকদের অভিযোগ,  করোনার দীর্ঘ বন্ধের পর হলে ছবি দেখতে গিয়ে নিন্মমানের এমন ছবি দেখে হলে যাওয়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন।

এদিকে আগামী সপ্তাহে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে শাকিব খান ও শবনম বুবলী অভিনীত রংবাজ ছবি।  ছবিটি শামীম আহমেদ রনির নির্মিত এবং প্রযোজনা করছেন মোজাম্মেল সরকার।

প্রযোজক, পরিবেশক ও প্রদর্শক সমিতির কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ সাল পর্যন্ত দেশের প্রতিটি জেলায় বিশের অধিক সিনেমা হল ছিল। কিন্তু এরপর থেকে দেশে হল সংখ্যা কমতে শুরু করে।

সিনেমা হল সংখ্যার অন্যতম কারণ হিসেবে অনেকে উল্লেখ করেছেন, সিনেমার গল্প, চলচ্চিত্র শিল্পী সংকটসহ চলচ্চিত্রের বিভাজন ও সিনেমা নির্মাণ কম হওয়ার কারণে হল সংখ্যা কমে গেছে। সিনেমা হলে নতুন কোনও সিনেমা মুক্তি দিতে না পারায় নতুন হল মালিকরা হল ক্রমশ বন্ধ করে দিয়ে মার্কেট নির্মাণ করেছেন।

বিএনএনিউজ/মনির

আরও পড়ুন

সিইউজে: সংগ্রামে সেনাপতি সন্ধানে চলছে ভোট

zulfiqur

করোনায় একদিনে মৃত্যু ৬ হাজার

Osman Goni

 চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত দিবস আজ

RumoChy Chy