bnanews24.com
বাংলাদেশের গ্লোব বায়োটেকের করোনা ভ্যাকসিনকে তালিকাভুক্ত করেছে ডব্লিউএইচও

গ্লোবের করোনা ভ্যাকসিনকে তালিকাভুক্ত করেছে ডব্লিউএইচও

  • 14
    Shares

বাংলাদেশের গ্লোব বায়োটেকের করোনা ভ্যাকসিন ব্যানকোভিড’কে তালিকাভুক্ত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সংস্থাটি তাদের ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

ভ্যাকসিনগুলো হচ্ছে, D614G variant mFNA Vaccine, DNA Plasmid Vaccine, Adonocirus Typo-5 Vcctor Caccine. এগুলো তিনটিই প্রি ক্লিনিকাল ট্রায়ালে আছে।  প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের তালিকায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যামব্রিজের ভ্যাকসিনসহ ১৫৬টি কোম্পানি রয়েছে।

গ্লোবের করোনা ভ্যাকসিনকে তালিকাভুক্ত করেছে ডব্লিউএইচও

গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের রিসার্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টের প্রধান ড. আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের ব্যানকভিডসহ মোট তিনটি ভ্যাকসিন অ্যানিমেল ট্রায়ালের পর্যায় হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে। বাকি দুটির নাম এখনো আমরা ঠিক করিনি।’

গত ৫ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের উদ্ভাবিত টিকা ‘ব্যানকোভিড’ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন গ্লোব বায়োটেক লিমিটেডের সিইও ড. কাকন নাগ। তিনি বলেন, আমাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে উদ্ভাবিত ‘ব্যানকোভিড’ টিকাটি ডি৬১৪জি ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে প্রথম ও একমাত্র আবিষ্কৃত টিকা। ইতোমধ্যে অ্যানিমেল মডেল ইঁদুরে নিয়ন্ত্রিত ও পূর্ণাঙ্গ প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে ব্যানকোভিড সম্পূর্ণ নিরাপদ ও কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। যার বিস্তারিত ফলাফল বায়ো-আর্কাইভে (biorxiv) প্রি-প্রিন্ট আকারে প্রকাশিত হয়েছে।

গ্লোব বায়োটেক জানায়, এনসিবিআই ভাইরাস ডাটাবেসে প্রাপ্ত দেশীয় ও আন্তর্জাতিক করোনার সব সিকুয়েন্স বায়োইনফরমেটিক্স টুলসের মাধ্যমে বিশদ পর্যালোচনা করে তাদের টিকার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই টিকা সারাবিশ্বে অধিক কার্যকরী হবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হয়, আমরা আমাদের টিকার টার্গেটের সম্পূর্ণ কোডিং সিকুয়েন্স এনসিবিআই ডাটাবেসে জমা দিয়েছি, যা ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে। আমাদের গবেষণাগারে আবিষ্কৃত টিকাটির বিশদ বিশ্লেষণের পর প্রাথমিকভাবে ল্যাবরেটরি অ্যানিমেল মডেলে (খরগোশ) প্রয়োগ করে যথাযথ অ্যান্টিবডি তৈরিতে সন্তোষজনক ফলাফল পেয়ে টিকা গবেষণার সফলতা জাতিকে জানিয়েছি।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া কোভিড-১৯ প্রতিরোধের আশায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টায় আছেন। কোন দেশের কোন ভ্যাকসিন কোন পর্যায়ে আছে তার গ্রহণযোগ্য একটা তালিকা নিয়মিত আপডেট করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এই তালিকায় থাকা ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা কিংবা গুণগত মানের কোনো নিশ্চয়তা ডব্লিউএইচও দিচ্ছে না। এর মধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৪০টির বেশি ভ্যাকসিনের ওপর নজর রেখেছে। ভ্যাকসিন তৈরি ও পরীক্ষা করতে সাধারণত বেশ কয়েক বছর সময় লাগে। বেশ কয়েকটি ধাপ পেরিয়ে তবেই ভ্যাকসিন ব্যবহারের উপযোগী হয়। তবে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনের ক্ষেত্রে গবেষকেরা ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যেই তা সম্পন্ন করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

বিএনএনিউজ/মনির

আরও পড়ুন

অর্ধকোটি টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিতে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানি

Osman Goni

নারায়ণগঞ্জে শিক্ষকের নৈতিক চরিত্র অবক্ষয়ে অভিভাবক মহলে উদ্বেগ

RumoChy Chy

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের হেড কোচ নিক্সন

Osman Goni