bnanews24.com
রাজধানীর সবজি বাজারে আগুন

রাজধানীর সবজি বাজারে আগুন

  • 9
    Shares

রাজধানীর কাঁচাবাজারে সবজির দাম এক মাসেরও বেশি সময় ধরে নাগালের বাইরে। দামে সেঞ্চুরি করেছে প্রায় আধা ডজন শাক-সবজি। আবার কোনটার দাম ৭০ থেকে ৮০ টাকা।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মগবাজার, রামপুরা, মালিবাগ, মালিবাগ রেলগেট, শান্তিনগর, সেগুনবাগিচা, ফকিরাপুল, খিলক্ষেত, খিলগাঁও এবং মোহাম্মদপুর কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে প্রতি কেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, উস্তা ৯০ থেকে ১০০ টাকা, মানভেদে ঝিঙা-ধন্দুল-পটল বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা, চিচিঙা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কাকরোল আকারভেদে ৮০ টাকা, ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা, কচুর লতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১১০ টাকা, টমেটো ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, গাজর ৯০ থেকে ১০০ টাকা, ধনিয়া পাতা ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে। লাউয়ের পিস বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। এক হালি কাঁচকলা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। বাজারে নতুন আসা ফুলকপি ও বাঁধাকপির পিস বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা। ৫০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে মুলা ও পেঁপে। এর মধ্যে মুলার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। পেঁপের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা।

তবে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে কয়েকটি সবজির দাম। দাম কমে কচুর ছড়া বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, দেশি শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা, শিম ১২০ থেকে ১৩০ টাকা বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে।

বিক্রেতারা বলছে, সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যার কারণে অনেক শাক-সবজি নষ্ট হয়েছে। বন্যার পানি নেমে গেলে, সবজি নতুন করে চাষ হলে বাজারে স্থিতিশীলতা আসবে।

স্বস্তি মিলছে না পেঁয়াজের দামেও। দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। আমদানি করা বড় আকারের ভারতীয় পেঁয়াজ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে  ৮০ টাকা। গত মাসে ভারত রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই এমন চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। এছাড়া সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে না আলুও।  মোহাম্মদপুর কাঁচাবাজারে কেজি প্রতি আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়। তৃণমূল পর্যায়ের ভোক্তাদের কথা মাথায় রেখে সরকারকে বাজার তদারকির তাগিদ দিচ্ছেন ক্রেতারা।

ক্রেতারা বলছেন, পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণ সিন্ডিকেট। একদিকে করোনায় উপার্জন কমে যাওয়া, অন্যদিকে বাজারে মূল্যবৃদ্ধির আগুনে ক্রয়ক্ষমতা কমে নাভিশ্বাস উঠছে বলে ক্রেতারা জানান। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের আরও কঠোর হওয়া উচিত বলে অভিমত তাদের।

মাংসের বাজার ঘুরে দেখা যায়, খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০০ টাকা, গরু মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা কেজি। বয়লার বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা, লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকা, সোনালী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি ও দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা কেজি দরে।

অপরিবর্তিত রয়েছে মাছের দাম। তবে দাম বেড়েছে ছোট মাছের। বাজারে প্রতি কেজি শিং মাছ (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৬০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২৮০ টাকা, মৃগেল ১৬০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙাশ ১০০ থেকে ১৬০ টাকা, কাতল ১৭০ থেকে ২৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, কৈ মাছ ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা, সিলভার কার্প ১০০ টাকা ও মিরর কাপ ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে। অন্যদিকে ছোট মাছ কেজিতে ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বেরে প্রতি কেজি কাঁচকি মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা, মলা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, দেশি টেংরা ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, দেশি চিংড়ি (ছোট) ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, হরিণা চিংরি ৬০০ টাকা, বাগদা ও গলদা ৬০০ থেকে ৭৫০ টাকা, পাবদা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজিতে।

বিএনএনিউজ/মনির

আরও পড়ুন

চীনে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ৩৬

Osman Goni

নীরব-নিস্তব্ধ পতেঙ্গা সৈকত

bnanews24

ব্যাংককে সিরিয়াল কিলার গ্রেপ্তার

showkat osman