bnanews24.com
দুদক

মাস্ক কেলেংকারীতে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের ৬ কর্মকর্তাকে দুদকে তলব

বিএনএ, ঢাকা: মাস্ক কেলেংকারীতে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের ছয় কর্মকর্তাকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর স্বাক্ষরে রোববার (১২ জুলাই) তলব নোটিশের মাধ্যমে আগামী ১৯ ও ২০ জুলাই তাদের দুদক অফিসে তলব করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং সিএমএসডি-এর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে যোগসাজশে মুন্সিগঞ্জে তৈরি করা মাস্কে এন-নাইন্টি ফাইভ সিল মেরে ভুয়া আমদানি দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করে জেএমআই।

তলব নোটিশে বলা হয়, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। এর আগে মাস্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় ৫ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক।

এর আগে মাস্ক, পিপিই কেলেঙ্কারির ঘটনায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জেএমআই গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক এবং স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতির অভিযোগে তমা কনস্ট্রাকশনের সমন্বয়কারী মতিউর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত অথবা সন্দেহভাজন রোগীদের চিকিৎসা করার জন্য ডাক্তার-নার্স এবং অন্যান্যদের সুরক্ষায় এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহের জন্য জেএমআই গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি করেছিল সরকার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে জেএমআই গ্রুপ এন-৯৫ মাস্ক নামে ২০ হাজার ৬০০ মাস্ক সরবরাহ করে। পরবর্তীতে দেখা যায় যে ওই মাস্কগুলো প্রকৃতপক্ষে এন-৯৫ মাস্ক নয়, একটি সাধারণ মাস্ক সাপ্লাই দেওয়া হয়। জেএমআই গ্রুপ এ ঘটনা স্বীকার করেছে।

দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে মার্চে জরুরি ভিত্তিতে বেশ কিছু করোনা সামগ্রী ক্রয় করে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে মাস্ক, পিপিই, হ্যান্ডগ্লাভস ও মেডিকেল সামগ্রী। প্রথমে সরকারি মুগদা জেনারেল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল এবং খুলনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে মাস্ক ও পিপিই সরবরাহে অনিয়মের অভিযোগ জেএমআই নামক একটি মেডিকেল সামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

পরে জানা যায়, তমা কনস্ট্রাকশন ও এলান কর্পোরেশন নামে আরও দুটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মাস্ক কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে। এই তিনটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এলান কর্পোরেশনের মালিক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাস্ক জালিয়াতির ঘটনায় ২৫ মে রাজধানীর বনানী থানায় মামলাও হয়েছে। মামলাটি করেছে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর।

কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমডি) বিদায়ী পরিচালক (ভান্ডার ও সরবরাহকারী) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শহীদুল্লাহ জনপ্রশাসন সচিবকে চিঠি দেন গত ৩০ মে। ওই চিঠিতে তিনি সিএমএসডিসহ গোটা স্বাস্থ্য খাতকে ‘সিন্ডিকেট বাণিজ্যমুক্ত’ করার অনুরোধ জানান।

চিঠিতে সিএমএসডিসহ স্বাস্থ্য খাতে ঠিকাদার চক্রের ইশারায় বদলি, পদায়নসহ নানা বিষয় তুলে ধরেন। এ ছাড়া করোনাকালে স্বাস্থ্যসেবায় সমন্বয়হীনতার চিত্র উঠে আসে তার চিঠিতে। এতে এই সেনা কর্মকর্তা সিএমএসডির ক্রয় প্রক্রিয়ায় সরকারি এবং সাপ্লাইয়ার (ঠিকাদার) পরিবেষ্টিত দুষ্টচক্র বা সিন্ডিকেট বাণিজ্যের আধিপত্য সম্পর্কেও তথ্য দেন।
বিএনএ/এসজিএন

 

আরও পড়ুন

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ -পর্ব : ২৭

showkat osman

দিল্লিতে সহিংসতা, নিহত-২৭

RumoChy Chy

সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত বাতিল

RumoChy Chy