bnanews24.com
ওসি প্রদীপের অন্যতম সহযোগী রুবেল গ্রেফতার

ওসি প্রদীপের অন্যতম সহযোগী রুবেল গ্রেফতার

বিএনএ,কক্সবাজার: আলোচিত মেজর সিনহা হত্যা মামলায় জড়িত সন্দেহে টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাসের অন্যতম সহযোগী কনস্টেবল রুবেল শর্মাকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।রুবেল টেকনাফ থানার পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। তিনি ছিলেন প্রদীপের দেহরক্ষী।

রোববার(১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে গ্রেফতারের পর সোমবার(১৪ সেপ্টেম্বর) ১২টার দিকে  রুবেলকে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করানো হয়। পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক তামান্না ফারাহ। এরপর আদালত থেকে পুলিশের প্রিজনভ্যানে করে রুবেল শর্মাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

কক্সবাজার কোর্ট পুলিশের ইন্সপেক্টর প্রদীপ কুমার দাস জানান, রুবেলকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছিল। র‌্যাবের পক্ষ থেকে রিমাণ্ড চাওয়া হয়নি। আদালতের বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।

র‌্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, আলোচিত মেজর সিনহা হত্যা মামলায় পূর্বে গ্রেপ্তারকৃত অন্যান্য আসামিদের রিমাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় পুলিশের কনস্টেবল রুবেল শর্মার নাম আসে। এ কারণে রোববার রাতে র‌্যাবের একটি দল রুবেলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কার্যালয়ে নিয়ে যায়। তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মেজর সিনহা হত্যা মামলায় জড়িত থাকার সন্দেহে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তবে এখনো কোনো রিমাণ্ড চাওয়া হয়নি। তদন্ত কর্মকর্তা প্রয়োজন মনে করলে পরবর্তীতে তাকে রিমাণ্ডে নেয়া যেতে পারে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, রুবেল শর্মা ওই সিন্ডিকেটেরই একজন। ওসি প্রদীপের সাথে সকল ‘অপারেশনে’ থাকতেন তিনি। অনেকেই তাকে ওসি প্রদীপের ‘ডান হাত’ হিসেবেও জানতো।

এর আগে, মাদক কারবারিদের ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ও আত্মসমর্পণ করানোর নামে হাতিয়ে নেয়া অর্থ সরাতে গিয়ে ধরা পড়েন কনস্টেবল রুবেল শর্মার স্ত্রী লক্ষ্মী  শর্মা। ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ব্যাগে করে টাকা পাচার করতে গিয়ে মেরিন ড্রাইভ সড়কের একটি চেকপোস্টে  ধরা পড়েন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এরপর ৫ আগস্ট এ ঘটনায় কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতে এসআই লিয়াকত, ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ ৯ পুলিশের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌসী। এ মামলায় ৯ পুলিশ সদস্যকেই বরখাস্ত করা হয়। মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় র‌্যাবকে। ৬ আগস্ট আদালতে আত্মসমর্পণ করেন পুলিশের ৭ সদস্য। গত এক মাসে এপিবিএন’র ৩ সদস্য, পুলিশের মামলার ৩ সাক্ষীকে আটক করে মোট ১৩ জনকে নানা মেয়াদে রিমাণ্ডে নিয়েছে র‌্যাব। এ পর্যন্ত আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ১২ আসামি ।

বিএনএনিউজ/আরকেসি

আরও পড়ুন

খুবিতে ভলিবল প্রতিযোগিতা  অনুষ্ঠিত

mdfaysal2315

৬৬ বার পেছালো সাগর-রুনি হত্যা মামলা প্রতিবেদন

bnanews24

চিনিযুক্ত পানীয় পানে বাড়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি

showkat osman