17 C
আবহাওয়া
১০:৫১ পূর্বাহ্ণ - ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬
Bnanews24.com
Home » কেমন হবে বিএনপির নিজাম ও জামায়াতের হাসানের ভোটের লড়াই?

কেমন হবে বিএনপির নিজাম ও জামায়াতের হাসানের ভোটের লড়াই?


বিএনএ, ঢাকা : বঙ্গোপসাগরের মোহনায় স্থাপিত দেশের একমাত্র টানেলটি দক্ষিণ চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবানের সঙ্গে সারাদেশে সরাসরি সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন এক দিগন্ত স্থাপন করেছে। কর্ণফুলী টানেলের একপ্রান্তে চট্টগ্রাম-১১ (পতেঙ্গা) অন্যপ্রান্তে চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা ও কর্ণফুলী) সংসদীয় আসনের অবস্থান।

YouTube player

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনএ নিউজ টুয়েন্টিফোরের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের এই পর্বে আজ থাকছে আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলা নিয়ে গঠিত চট্টগ্রাম ১৩ আসনের ভোটের হালচাল। এটি জাতীয় সংসদের ২৯০ তম আসন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী ১৯৯১ সাল থেকে ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসনটি চট্টগ্রাম-১২ নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে ২০১৪ সালের সীমানা পূন:নির্ধারনে পর আসনটি চট্টগ্রাম-১৩ নামে পরিচিত হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির সরোয়ার জামাল নিজাম, ১১ দলীয় জোট প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর মাহমুদুল হাসান, জাতীয় পার্টির আবদুর রব চৌধুরী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এসএম শাহজাহান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মু. রেজাউল মোস্তফা এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মোহাম্মদ এমরান।

প্রসঙ্গত, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের অংশিদার হিসাবে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুফতি ইমরান ইসলামবাদীকে চট্টগ্রাম -১৩ আসনটি ছেড়ে দেয়া হয়। । কিন্তু নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছে খেলাফত মজলিস প্রার্থী। ফলে দাঁড়িপাল্লা নিয়ে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন জামায়াতের অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী।

তবে এই আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূল ভোটের লড়াই হবে বিএনপির সরোয়ার জামাল নিজাম ও জামায়াতে ইসলামীর মাহমুদুল হাসানের মধ্যে। কেমন হবে এই দুইজনের লড়াই, সেই বিশ্লেষণে যাওয়ার আগে আসুন জেনে নিই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ৪ টি নির্বাচনের ফলাফল।

১৯৯১ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি পঞ্চম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই আসনে ভোটার ছিলেন ১ লাখ ৮৯ হাজার ৫ শত ৯৯ জন। ভোট প্রদান করেন ৯০ হাজার ৪ শত ৫১ জন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু বিজয়ী হন। নৌকা প্রতীকে তিনি পান ৪২ হাজার ৯ শত ৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির এডভোকেট মোহাম্মদ কবির। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পান ৩৩ হাজার ৫ শত ৬৩ ভোট ।
১৯৯৬ সালের ১২ই জুন সপ্তম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫ শত জন। ভোট প্রদান করেন ১ লাখ ১১ হাজার ৬ শত ২০ জন। নির্বাচনে বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম বিজয়ী হন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পান ৫২ হাজার ৭ শত ৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের আতাউর রহমান কায়সার । নৌকা প্রতীকে তিনি পান ৪১ হাজার ৯ শত ১ ভোট।
২০০১ সালের পহেলা অক্টোবর অষ্টম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ২ লাখ ১২ হাজার ৮ শত ৪৪ জন। ভোট প্রদান করেন ১ লাখ ৫০ হাজার ১ শত ৫৭ জন। নির্বাচনে বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম বিজয়ী হন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পান ৭৬ হাজার ৪ শত ৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু । নৌকা প্রতীকে তিনি পান ৬৮ হাজার ১ শত ৮৭ ভোট।
২০০৮ সালের ২৯শে ডিসেম্বর নবম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ২ লাখ ৩৫ হাজার ১ শত ৪৭ জন। ভোট প্রদান করেন ২ লাখ ৩ হাজার ৯ শত ৭৯ জন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের আখতারুজ্জামান চৌধুরী বিজয়ী হন। নৌকা প্রতীকে তিনি পান ১ লাখ ১০ হাজার ৯ শত ৫১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পান ৮৬ হাজার ৭ শত ৫১ ভোট।
২০১২ সালের ৪ঠা নভেম্বরে আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবু মৃত্যুবরণ করেন। ২০১৩ সালের জানুয়ারির উপনির্বাচনে আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর ছেলে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সপ্তম ও অষ্টম সংসদে বিএনপি এবং পঞ্চম, নবম সংসদে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়।
এবার আসা যাক, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ৪টি নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৩ ( আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে রাজনৈতিক দলগুলো কত শতাংশ ভোট পেয়েছিল সেই বিশ্লেষণে।
নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, চট্টগ্রাম-১৩ সংসদীয় আসনে ১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৪৭.৭১% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৪৭.৫১%, বিএনপি ৩৭.১১%, জাতীয় পার্টি ৭.৫৯% জামায়াত ইসলামী ২.৮৩% স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ৪.৯৬% ভোট পায়।

১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৭০.৪২% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩৭.৫৪%, বিএনপি ৪৭.৩০%, জাতীয় পার্টি ৮.০০%, জামায়াত ইসলামী ৩.৭৭% স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ৩.৩৯% ভোট পায়।
২০০১ সালের অষ্টম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৭০.৫৫% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৪৫.৪১%, ৪ দলীয় জোট ৫০.৯৩%, জাতীয় পার্টি ১.১২% স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ২.৫৪% ভোট পায়।
২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৮৬.৭৫% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে ১৪ দলীয় জোট ৫৪.৩৯%, ৪ দলীয় জোট ৪২.৫৩%, স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ৩.০৮% ভোট পায়।

আসুন জেনে নিই, আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম- ১৩ (আনোয়ারা- কর্ণফুলী) আসনে দশম, একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন কেমন ছিল? কারা সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন?

২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধিনে র্নিবাচনের দাবিতে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট এই নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেনি। একতরফা ভোটার বিহীন এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সাইফুজ্জামান চৌধুরীকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।

২০১৮ সালের ৩০শে ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ১০ হাজার ৩ শত ১৩ জন। নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন ৮ জন। নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের সাইফুজ্জামান চৌধুরী, ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এরফানুল হক চৌধুরী, উদীয়মান সূর্য প্রতীকে গনফোরাম এর উজ্জ্বল ভৌমিক, মোমবাতি প্রতীকে ইসলামী ফ্রন্টের এম এ মতিন, চেয়ার প্রতীকে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের জাহাঙ্গির আলম চৌধুরী. টেলিভিশন প্রতীকে ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট- বি এন এফ এর নারায়ন রক্ষিত এবং বটগাছ প্রতীকে খেলাফত আন্দোলনের মৌলভী রশিদুল হক প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।
কিন্তু নির্বাচনের আগের রাতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর লোকজন প্রশাসনের যোগসাজসে ৩০-৪০ শতাংশ ব্যালটে নৌকা প্রতীকে সিল মেরে বাক্স ভর্তি করে রাখে।কারচুপির অভিযোগে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন বর্জন ও ফলাফল প্রত্যাখান করে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সাইফুজ্জামান চৌধুরীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
২০২৪ সালের ৭ই জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপি-জামায়াত ইসলামীসহ তাদের সমমনা দল গুলো নির্বাচন বর্জন করে। আমি-ডামি খ্যাত এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। ভোটারবিহীন এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সাইফুজ্জামান চৌধুরীকে বিজয়ী ঘোষণা ঘোষণা করা হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি। নিবন্ধন স্থগিত থাকায় এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কোন প্রার্থী নেই। আওয়ামীলীগ বিহীন এই নির্বাচনে বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজামের বিরুদ্ধে ১১ দলীয় জোট প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর মাহমুদুল হাসান সরাসরি ভোট যুদ্ধে নেমেছে। জয়ের ব্যাপারে উভয় দল মরিয়া।

চট্টগ্রাম বন্দর লাগোয়া বঙ্গোপসাগর, কর্ণফুলী ও শঙ্খ নদীর তীরে অবস্থিত এই উপকূলীয় সংসদীয় আসনে বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থা বেশ মজবুত। তৃণমূল পর্যায়ে রয়েছে দলটির ব্যাপক জনপ্রিয়তা।কিন্তু চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী হেলাল উদ্দিনের গ্রুপ পুরোপুরি নিস্ক্রীয়।
প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের অষ্টম সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীতা নিয়ে সরওয়ার জামাল নিজামের সাথে বিএনপির দক্ষিণ জেলা শাখার সাবেক সহসভাপতি জামাল উদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয়। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে সরওয়ার জামাল নিজাম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০০৩ সালের ১৩ জুলাই চট্টগ্রামের চক বাজার থেকে জামাল উদ্দিন চৌধুরীকে অপহরণ করে ফটিকছড়িতে নিয়ে খুন করা হয়। এই হত্যাকান্ডের জন্য জামাল উদ্দিন চৌধুরীর পরিবার সরওয়ার জামাল নিজাম ও তার ভাই মারুফ নিজামকে দায়ি করে। তখন থেকে সরওয়ার জামাল নিজাম বিএনপির রাজনীতিতে কোনঠাসা হয়ে পড়ে। যার টেউ লাগে ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে। নিজাম আওয়ামী লীগের আখতারুজ্জামান চৌধুরী বাবুর কাছে বিপুল ভোটে পরাজিত হন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনেও বিষয়টি সামনে এসেছে। তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ প্রশ্ন তুলেছে, যার কাছে দলের নেতা নিরাপদ নয়- তিনি এলাকার মানুষের নিরাপত্তা দিবেন কীভাবে?
বিএনপি প্রার্থীর জন্য আরও একটি মাথা ব্যথার কারণ বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এসএম শাহজাহান।

ইসলাম প্রচারক আধ্যাত্মিক সাধক বার আউলিয়ার অন্যতম হযরত শাহ্‌ মোহছেন আউলিয়া (রহ.) মাজার এই সংসদীয় এলাকার বটতলীতে। এখানকার বেশিরভাগ মানুষের রয়েছে তার প্রতি অগাধ বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা। মাজার ভক্ত ও সুন্নী অনুসারিদের একটি অংশ গাউছিয়া কমিটি নামে একটি স্থানীয় ধর্মীয় প্রেসারগ্রুপের সঙ্গে যুক্ত। তাদের রয়েছে ভোট ব্যাংক। যা ইসলামী ফ্রন্টের এসএম শাহজাহানের মোমবাতি ব্যালটেই যাবে।
এই আসনে জামায়াত ইসলামীর সংগঠনিক অবস্থা আওয়ামী লীগ-বিএনপির মতো নয়- তবে ২০২৪ সালের ৫ই আগষ্টের পর দলটি তৃতীয় শক্তি হিসাবে দেখা দিয়েছে। দলটির প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসানের রয়েছে ক্লিন ইমেজ ও ব্যক্তিত্ব। সেইদিক থেকে ভোটের মাঠে বেশ সাড়া ফেলেছেন তিনি।
তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যায়, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) সংসদীয় আসনটিতে সাংগঠনিক দিক থেকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমানে সমান। কিন্তু এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান জাবেদ ও অর্থপ্রতিমন্ত্রী ওয়াসিকা আয়শা খান দুইজই পলাতক। কর্মীরা নিরব। তবে জয় পরাজয়ে বড় ভূমিকা রাখবে আওয়ামী লীগের ভোটাররা। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মাহমুদুল হাসান ও সাবেক ভূমিমন্ত্রীর বাড়ি একই গ্রামে। ফলে আওয়ামী লীগের একটি অংশ জামায়াতের দাড়িপাল্লার দিকে ঝুঁকে আছে। এছাড়া বিএনপির হেলাল গ্রুপে ভিতরে ভিতরে জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। সেই দিক থেকে এই আসনে জামায়াত বিএনপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে এমনটাই মনে করেন দৈবচয়ন পদ্ধতিতে বিএনএ নিউজ টুয়েন্টিফোর এর পরিচালিত জরিপে অংশগ্রহণকারি ভোটাররা।

বিএনএনিউজ/শামীমা চৌধুরী শাম্মী/এইচ.এম।

Loading


শিরোনাম বিএনএ