19.8 C
আবহাওয়া
১০:৫৫ অপরাহ্ণ - ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬
Bnanews24.com
Home » কেমন হবে বিএনপির জয়নাল এবি পার্টির মন্জু ও ই.আন্দোলনের একরামুলের লড়াই?

কেমন হবে বিএনপির জয়নাল এবি পার্টির মন্জু ও ই.আন্দোলনের একরামুলের লড়াই?


বিএনএ, ডেস্ক : ফেনী। অষ্টাদশ শতাব্দীতে এটি শমশের নগর নামে পরিচিত ছিল। মধ্যযুগে কবি-সাহিত্যিকদের লেখায় একে ‘ফনী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা পরবর্তীতে ‘ফেনী’তে রূপান্তরিত হয়।  ১৯৮৪ সালের ৬ই ডিসেম্বর ফেনী জেলা প্রতিষ্ঠা পায়। তার  আগে ফেনী জেলা ছিল নোয়াখালীর জেলার একটি মহকুমা ।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ফেনীকে চট্টগ্রামের প্রবেশদ্বার বলা হয়, যা এর রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ফেনীর উত্তরে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট ও চৌদ্দগ্রাম এবং ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, দক্ষিণে চট্টগ্রাম ও বঙ্গোপসাগর, পূর্বে ত্রিপুরা এবং পশ্চিমে নোয়াখালী জেলা অবস্থিত। ফেনী জেলার ৩টি সংসদীয়  আসনের মধ্য ফেনী-২ (সদর) আসন অন্যতম। এটি জাতীয় সংসদের ২৬৬ তম আসন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ফেনী -২ আসনে ৯জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছে জেলা রির্টানিং অফিসার। এর মধ্য বিএনপির অধ্যাপক জয়নাল আবদিন বা ভিপি জয়নাল, ১০ দলীয় নির্বাচনী জোট সমর্থিত আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)র মজিবুর রহমান মঞ্জু এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর  মাওলানা একরামুল হক ভূঁইয়া অন্যতম। কেমন হবে এই তিন জনের লড়াই? সেই বিশ্লেষণে যাওয়ার আগে আসুন জেনে নেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ৪ নির্বাচনের ফলাফল।

১৯৯১ সালের ২৭ই ফেব্রুয়ারি পঞ্চম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই আসনে ভোটার ছিলেন ২ লাখ ৭৬ হাজার ২ শত ৬৮ জন। ভোট প্রদান করেন ১ লাখ  ১১ হাজার ৩ শত ৫ জন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এর জয়নাল আবেদিন হাজারী  বিজয়ী হন। নৌকা প্রতীকে তিনি পান ৪৪ হাজার ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির শহিদ উদ্দিন।  তিনি পান ৩৭ হাজার ৪৫ ভোট ।

১৯৯৬ সালের ১২ই জুন সপ্তম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ২ লাখ ১২ হাজার ৪ শত ৪৬ জন। ভোট প্রদান করেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩ শত ৫৯ জন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ এর জয়নাল আবেদিন হাজারী  বিজয়ী হন। নৌকা প্রতীকে তিনি পান ৬৮ হাজার ৫ শত ৬৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপির ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী। ধানের শীষ প্রতীকে  তিনি পান ৬২ হাজার ৬ শত ৪৭ ভোট।

২০০১ সালের পহেলা অক্টোবর অষ্টম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ২ লাখ ৭৫ হাজার ৫ শত ৭৭ জন। ভোট প্রদান করেন ১ লাখ ৮৭ হাজার ৭ শত ৩৮ জন। নির্বাচনে বিএনপির জয়নাল আবেদিন বিজয়ী হন। ধানের শীষ প্রতীকে  তিনি পান ১ লাখ ১০ হাজার ৭ শত ৯২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের  জয়নাল আবেদিন হাজারী ।  নৌকা প্রতীকে   তিনি পান ৬৭ হাজার ২৫ ভোট।

২০০৮ সালের ২৯শে ডিসেম্বর নবম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ২ লাখ ৬০ হাজার ৯ শত ৬ জন। ভোট প্রদান করেন ২ লাখ ৯ হাজার ৮ শত ৪৯ জন। নির্বাচনে বিএনপির জয়নাল আবেদীন বিজয়ী হন। ধানের শীষ প্রতীকে  তিনি পান ১ লাখ ২০ হাজার ২ শত ৯৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের ইকবাল সোবহান নৌকা প্রতীকে তিনি পান ৮৬ হাজার ৭শত ১৩ ভোট।

এবার আসা যাক,  তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ৪টি নির্বাচনে ফেনী-২ (সদর) আসনে রাজনৈতিক দলগুলো কত শতাংশ ভোট পেয়েছিল সেই বিশ্লেষণে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার অধীনে অনুষ্ঠিত ৪টি নির্বাচনের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ফেনী-২ সংসদীয় আসনে ১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৪০.২৯% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩৯.৫৩%, বিএনপি ৩৩.২৮%, জাতীয় পাটি ৪.১০%, জামায়াত ইসলামী ২০.৩৭% স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ২.৭২% ভোট পায়।

১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৭২.১৯% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৪৪.৭১%, বিএনপি ৪০.৮৫% জাতীয় পাটি ০.৯৮%, জামায়াত ইসলামী ৭.৭৮% স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ৫.৬৮% ভোট পায়।

২০০১ সালের অষ্টম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৬৮.১৩% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩৫.৭০%, ৪ দলীয় জোট ৬১.৪০%, জাতীয় পাটি ০.৪১% স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ২.৪৯% ভোট পায়।

২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৮০.৪৩% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে ১৪ দলীয় জোট ৪১.৩২%, ৪ দলীয় জোট ৫৭.৩৩% স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ১.৩৫% ভোট পায়।

পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, পঞ্চম,সপ্তম  সংসদে আওয়ামী লীগ,  অষ্টম ও নবম সংসদে বিএনপি   বিজয়ী হয়।

এবার আসা যাক, আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ফেনী-২ আসনে দশম, একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন কেমন ছিল? কারা সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন?

২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধিনে র্নিবাচনের দাবিতে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয়  জোট এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ  করেনি। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিজাম উদ্দিন  হাজারী  বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হয় ।

২০১৮ সালের ৩০শে ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৪৮ হাজার ১ শত ৬২ জন। নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন ৬ জন। নৌকা  প্রতীকে আওয়ামী লীগের  নিজাম উদ্দিন হাজারী ,ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির জয়নাল আবেদীন, গোলাপ ফুল প্রতীকে জাকের পার্টির ওবায়েদ মোল্লা, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নুরুল করিম বেলালী,গোলাফ ফুল  প্রতীকে জাকের পার্টির নজরুল ইসলাম এবং কোদাল প্রতীকে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জসীম উদ্দীন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।

কিন্তু নির্বাচনের আগের দিন প্রশাসনের যোগসাজসে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর লোকজন রাতে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ৩০-৪০ শতাংশ ব্যালট নিজেদের কবজায় নিয়ে নৌকা প্রতীকে সিল মারে রাখে। কারচুপির অভিযোগে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন বর্জন ও ফলাফল প্রত্যাখান করে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিজাম উদ্দিন হাজারীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

২০২৪ সালের ৭ই জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপি-জামায়াত ইসলামীসহ তাদের সমমনা দল গুলো নির্বাচন বর্জন করে। আমি-ডামি খ্যাত এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। ভোটারবিহীন এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়নাল হাজারিকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি। নিবন্ধন স্থগিত থাকায়  এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কোন প্রার্থী নেই। বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন প্রকাশ ভিপি জয়নাল।

জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ছিলেন অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া। নির্বাচনী সমঝোতার অংশ হিসেবে তিনি মনোনয়ন পত্র দাখিল করেননি। এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুকে সমর্থন দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। চরমোনাই পীরের দলে ১১ দলীয় জোট থেকে বের হয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেননি ইসলামী আন্দোলন। ফলে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছেন হাতপাখার মার্কার প্রার্থী মাওলানা একরামুল হক ভূঁইয়া।কিন্তু ভোটের মূল লড়াই হবে বিএনপি  ও এবি পার্টির মধ্যে।

তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যায়, ফেনী-২ সদর আসনটি ১৯৮৬ সালের তৃতীয় সংসদ থেকে দুই জয়নালের আসন হিসাবে পরিচিত ছিল। আওয়ামী লীগের জয়নাল হাজারী তিনবার,  বিএনপির জয়নাল আবেদীন জাসদ (রব) থেকে একবার বিএনপি থেকে  মোট চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

২০১৪ সাল দশম থেকে ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদে এই আসন থেকে আওয়ামী লীগের নিজাম হাজারী তিন বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। যদিও এসব নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হয়নি। কিন্তু এবারে প্রেক্ষাপট ভিন্ন। অসংখ্য  হত্যা মামলার হুলিয়া নিয়ে নিজাম হাজারীসহ বেশিরভাগ আওয়ামী লীগ নেতারা ভারতে পালিয়েছে। কর্মীরা নিরব।

এই আসনে এখন দাপট দেখাচ্ছে, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এবি পার্টি। জামায়াত ও এবি পার্টির জোট হওয়ায় কিছুটা বেকায়দায় রয়েছে বিএনপির প্রার্থী। এছাড়া বিএনপির বিরুদ্ধে রয়েছে চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগ। যা এবারের নির্বাচনে প্রভাব পড়বে। তবে বিএনপি সাংগঠনিক অবস্থা বেশ শক্ত। এই সাংগঠনিক অবস্থার ওপর ভর করে আসনটি ‘পুনরুদ্ধার’ করতে চায় ভিপি জয়নাল।

অনুসন্ধানে জানা যায়, এবি পার্টির সাংগঠনিক শক্তিতে বড় ধরনের গতি এনেছে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থন। প্রথমবারের মতো নির্বাচনী লড়াইয়ে নামা এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মন্জুর ঈগল নিয়ে ধানের শীষের সাজানো ক্ষেত তছনছ করে দিতে চায়। তারই ধারাবাহিকতায় গত কয়েকমাস ধরে ১০ দলীয় প্রার্থী মজিবুর রহমান মঞ্জু নিয়মিত গণসংযোগ, ঘরোয়া বৈঠক এবং সভা-সমাবেশে  নিজেকে মেলে ধরেছেন।

 

মজিবুর রহমান মঞ্জুর রাজনৈতিক জীবন দীর্ঘ এবং বৈচিত্র্যময়। ১৯৮৮ সালে তিনি ‘বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির’-এ যোগ দেন। পরে  চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং চট্টগ্রাম কলেজ শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮ সালে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি  নির্বাচিত হন।

মুজিবুর রহমান মঞ্জু  রাজনীতি বিজ্ঞান থেকে  অধ্যায়ন শেষ করে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন। তিনি ছিলেন ঢাকা মহানগরীর মজলিসে শুরার সদস্য। জামায়াতে ইসলামীর কাঠামোগত সংস্কার এবং ১৯৭১ সালের ভূমিকার জন্য ক্ষমা চাওয়ার দাবি তোলায় ২০১৯ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।  ২০২০ সালের ২০ মে তিনি আরও কিছু সংস্কারপন্থী নেতাদের নিয়ে ‘আমার বাংলাদেশ পার্টি’ (এবি পার্টি) গঠন করেন।

মজিবুর রহমান মঞ্জুর পারিবারিক পটভূমি বেশ কৌতূহলোদ্দীপক।তাঁর ভাই-বোন, ভগ্নিপতিসহ আত্মীয়-স্বজনদের অধিকাংশই  আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাঁর বাবা ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।

অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী অধ্যাপক জয়নাল আবদিন  একজন  বর্ষীয়ান ও প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ। তার রয়েছে  বর্ণাট্য রাজনৈতিক ইতিহাস।  ফেনী সরকারি কলেজের ছাত্র সংসদে ভিপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই তাঁর নামের আগে ‘ভিপি’ পদবিটি যুক্ত হয়। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির মাঠে অত্যন্ত সক্রিয় । জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দীর্ঘকাল দায়িত্ব পালন করেছেন। এখন দলের চেয়ারপাসের  পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন। বিএনপির এই কান্ডারি  অসংখ্য মামলা-হামলার পরও ফেনীতে দলের অবস্থান ধরে রেখেছেন।

প্রসঙ্গত,  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ  নির্বাচনে ফেনী-২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী না থাকায় দলটি  বিশাল ভোট ব্যাংক  জয় পরাজয়ের বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে। আওয়ামী লীগের ভোট বর্জনের ডাক দিয়েছে। আওয়ামী লীগের ভোটারা ভোট কেন্দ্রে গেলে এই আসনের বেশিরভাগ ভোটার নবীন এবি পার্টির মঞ্জুকে বেছে নিতে পারে। সে ক্ষেত্রে বর্ষিয়ান  ৪ বারের সংসদ সদস্য বিএনপির ভিপি জয়নালের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে। সেই লড়াইয়ে মন্জু অঘটন ঘটালে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না এমনটাই মনে করেন, দৈবচয়ন পদ্বতিতে পরিচালিত  বিএনএ নিউজ টুয়েন্টিফোরের জরিপে অংশগ্রহণকারি বেশিরভাগ ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

 

সৈয়দ সাকিব

 

Loading


শিরোনাম বিএনএ