বিএনএ, বিশ্ব ডেস্ক : প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে সামরিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনকে প্রত্যাখ্যান ও নিন্দা জানিয়েছে। তিনি এই হামলাকে তার দেশের তেল ও খনিজ সম্পদ কেড়ে নেওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা হিসেবে নিন্দা করেছেন।
কারাকাসে যেসব জায়গায় বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে তার মধ্যে সামরিক স্থাপনাও রয়েছে। প্রায় একই সময়ে একাধিক বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
বিবিসির যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অংশীদার সিবিএস নিউজকে সেখানকার সূত্র জানায়, শনিবার ভোরে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে বিস্ফোরণ ও বিমান চলাচলের খবর সম্পর্কে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা অবগত রয়েছেন। ট্রাম্প নিজেই ভেনেজুয়েলার সামরিক স্থাপনাসহ দেশটির বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন।
এই ঘটনা এমন সময়ে ঘটলো যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ওয়াশিংটন ক্যারিবীয় সাগরে মাদক বহনের অভিযোগে স্পিডবোটে সামরিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো অবৈধভাবে নির্বাচিত হয়েছেন এবং তিনি ব্যক্তিগতভাবে দেশজুড়ে মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত।
ভেনেজুয়েলা সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনকে প্রত্যাখ্যান ও নিন্দা জানিয়ে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলেছে, তারা “ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সরকারের দ্বারা সংঘটিত অত্যন্ত গুরুতর সামরিক আগ্রাসন নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে প্রত্যাখ্যান, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে”।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কারাকাসে হামলার লক্ষ্য হলো “ভেনেজুয়েলার কৌশলগত সম্পদ, বিশেষ করে তেল ও খনিজ দখল করা” এবং “দেশের রাজনৈতিক স্বাধীনতাকে জোরপূর্বক ভেঙে দেওয়া”।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো “জাতীয় ভূখণ্ডে বহিঃসংকট” ঘোষণা করে ডিক্রি স্বাক্ষর করেছেন এবং এর বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন।
বিএনএ/ ওজি
![]()
