বিএনএ, ঢাকা : নোয়াখালী। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ জেলা। নোয়াখালী জেলার প্রাচীন নাম ছিল ভুলুয়া। ইতিহাসবিদদের মতে, বন্যা থেকে ফসল রক্ষার্থে ১৬৬০ সালে একটি বিশাল খাল খনন করা হয়, যা পানির প্রবাহকে ডাকাতিয়া নদী হতে রামগঞ্জ, সোনাইমুড়ি ও চৌমুহনী হয়ে মেঘনা এবং ফেনী নদীর দিকে প্রবাহিত করে। এই বিশাল নতুন খালকে নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় ‘নোয়াখাল’ বলা হত, পরবর্তীতে তা নোয়াখালী হিসাবে পরিচিতি পায়।
নোয়াখালী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যার নিজের নামে কোন শহর নেই। আয়তনে দেশের ৫ম এবং জনসংখ্যায় দশম এই জেলা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮২১ সালে ইষ্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলে। ৬টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত নোয়াখালী বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে ধনী জেলা। এর মধ্যে মেঘনা ও বঙ্গোপসাগর পরিবেষ্টিত দ্বীপ উপজেলা হাতিয়া (নোয়াখালী-৬) আসন অন্যতম। এটি জাতীয় সংসদের ২৭৩ তম আসন।
হাতিয়ার সংসদীয় এলাকার ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায় এই সংসদীয় আসনের মানুষ রাজনৈতিকভাবে বেশ সচেতন। দলীয় মার্কার চেয়ে ব্যক্তিকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। অতীতের নির্বাচন গুলো তার সাক্ষ্য বহন করে। এবারও কী মার্কার পরিবর্তে ব্যক্তি প্রাধান্য পাবে এই দ্বীপ আসনে? সেই বিশ্লেষনণে যাওয়ার আগে আসুন জেনে নেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ৪টি নির্বাচনের ফলাফল।
১৯৯১ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি পঞ্চম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই আসনে ভোটার ছিলেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ২ শত ৭৮ জন। ভোট প্রদান করেন ৬৩ হাজার ৬ শত ৫৫ জন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অধ্যক্ষ ওয়ালী উল্লাহ বিজয়ী হন। নৌকা প্রতীকে তিনি পান ৩২ হাজার ৫ শত ৯০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আলী । লাঙ্গল প্রতীকে তিনি পান ১৮ হাজার ৬ শত ৫৫ ভোট ।
১৯৯৬ সালের ১৫ই ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আওয়ামী লীগসহ সব বিরোধী দল এই নির্বাচন শুধু বর্জন করে ক্ষান্ত হয়নি, প্রতিহতও করে। নির্বাচনে বিএনপি,ফ্রিডম পার্টি এবং কিছু নামসর্বস্ব রাজনৈতিক দল, অখ্যাত ব্যক্তি প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। এই নির্বাচনে বিএনপির মোঃ ফজলুল আজিমকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত এই সংসদের মেয়াদ ছিল মাত্র ১১ দিন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল পাশ হওয়ার পর এই সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।
১৯৯৬ সালের ১২ই জুন সপ্তম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ২ শত ৭০ জন। ভোট প্রদান করেন ৮৫ হাজার ১৭ জন। নির্বাচনে বিএনপির মোঃ ফজলুল আজিম বিজয়ী হন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পান ৩০ হাজার ১ শত ৪৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের অধ্যক্ষ ওয়ালী উল্লাহ । নৌকা প্রতীকে তিনি পান ২৭ হাজার ৩ শত ৫৮ ভোট।
২০০১ সালের পহেলা অক্টোবর অষ্টম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫ শত ৬৩ জন। ভোট প্রদান করেন ১ লাখ ৮ শত ৪ জন। নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী বিজয়ী হন। ঘড়ি প্রতীকে তিনি পান ৩৭ হাজার ৪ শত ৭৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আওয়ামী লীগের অধ্যক্ষ ওয়ালী উল্লাহ । নৌকা প্রতীকে তিনি পান ৩৩ হাজার ৩৬ ভোট।
২০০৮ সালের ২৯শে ডিসেম্বর নবম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ১ লাখ ৯২ হাজার ৮ শত ৩৪ জন। ভোট প্রদান করেন ১ লাখ ৫১ হাজার ৭৬ জন। নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ ফজলুল আজিম বিজয়ী হন। হরিণ প্রতীকে তিনি পান ৭৭ হাজার ৪ শত ৩৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আয়েশা ফেরদাউস। কলস প্রতীকে তিনি পান ৬৯ হাজার ৫ শত ৬৬ ভোট।
২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধিনে র্নিবাচনের দাবিতে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট এই নির্বাচনে অংশ গ্রহন করেনি। ভোটারবিহীন এক তরফা এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের আয়েশা ফেরদাউসকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
২০১৮ সালের ৩০শে ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮ শত ৫৪ জন। নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন ৮ জন। নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের আয়েশা ফেরদাউস, ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির মোঃ ফজলুল আজিম, লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির নাছিম উদ্দীন মো: বায়েজিদ, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সফি উল্যাহ আল মুস্তফা, নোঙ্গর প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী , মটরগাড়ী প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু সাঈদ মোহাম্মদ নোমান, ঘড়ি প্রতীকে সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক এবং আপেল প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী কেফায়েত উল্যাহ প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।
কিন্তু নির্বাচনের আগের রাতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর লোকজন প্রশাসনের যোগসাজসে নৌকা প্রতীকে সিল মেরে ব্যালট বক্স ভর্তি করে রাখে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগের আয়েশা ফেরদাউসকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। কারচুপির অভিযোগে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচন বর্জন ও ফলাফল প্রত্যাখান করে।
২০২৪ সালের ৭ই জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো অংশগ্রহণ করেনি। আমি-ডামি খ্যাত এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ আলীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট গণ আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতন হওয়ার পর এই সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনএ নিউজ টুয়েন্টি ফোর এর গবেষণা টিম দৈবচয়ন পদ্ধতিতে সারাদেশে জরিপ চালায়। জরিপে অংশগ্রহণকারি বেশীরভাগ ভোটার ১৯৯১ সালের পঞ্চম, ১৯৯৬ সালের সপ্তম, ২০০১ সালের অষ্টম ও ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরেপক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক হয়েছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। তারই ভিত্তিতে বিএনএ নিউজ টুয়েন্টি ফোর নোয়াখালী-৬ আসনে পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম ও নবম এই ৪টি নির্বাচনের প্রদত্ত ভোটের পরিসংখ্যানকে মানদন্ড ধরে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও জামায়াত ইসলামীর সাংগঠনিক শক্তি বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি কল্পানুমান উপস্থাপনের চেষ্টা করেছে।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, নোয়াখালী-৬ সংসদীয় আসনে ১৯৯১ সালের পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৪২.৯৩% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৫১.২০%, বিএনপি ৭.৫১%, জাতীয় পাটি ২৯.৩১%, জামায়াত ইসলামী ৯.৭৬% স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ২.২২% ভোট পায়।
১৯৯৬ সালের সপ্তম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৬২.৮৫% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩২.১৮%, বিএনপি ৩৫.৪৬% জাতীয় পাটি ২৯.৮৩%, জামায়াত ইসলামী ১.৫২% স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ১.০১% ভোট পায়।
২০০১ সালের অষ্টম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৫৯.৪৫% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩২.৭৭%, ৪ দলীয় জোট ২৮.১১%, জাতীয় পাটি ০.১৬% স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ৩৮.৯৬% ভোট পায়।
২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করেন ৭৮.৪১% ভোটার। প্রদত্ত ভোটের মধ্যে ৪ দলীয় জোট ০.৪৮% স্বতন্ত্র ও অন্যান্য ৯৯.৫২% ভোট পায়।
পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ৪টি নির্বাচনের মধ্যে সপ্তম সংসদে বিএনপি, পঞ্চম সংসদে আওয়ামী লীগ, অষ্টম ও নবম সংসদে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়।
তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণে দেখা যায়, দ্বীপ আসন খ্যাত নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) একক কোন রাজনৈতিক দলের ঘাঁটি নয়। দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এখানকার ভোটারদের মন- মানসিকতা পরিবর্তন হয়ে যায়। এই আসনটিতে দলের চেয়ে ব্যক্তির প্রতি ভোটারদের সমর্থন বেশ জোরালো। সাংগঠনিক দিক থেকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থা সমানে সমান। কিন্তু এবারের নির্বাচনে থাকছে না আওয়ামী লীগ। নেতাদের অনেকেই কারাগারে কিংবা এলাকা ছাড়া। দলটির নিবন্ধন স্থগিত, কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফলশ্রুতিতে বিএনপির প্রার্থীর বিজয়ী হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে।
তবে স্থানীয় কোন নেতাকে এবার মনোনয়ন দেয়নি বিএনপি। মনোনয়ন দিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমানকে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)’র এই নেতা আওয়ামী লীগ আমলে মামলা-হামলার শিকার হন। দল তাকে মূল্যায়ন করেছে। কিন্ত তার বাড়ি দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় নয়। বিএনপির একটি অংশ মাহবুবুর রহমান শামীমকে বহিরাগত আখ্যা দিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা চালাচ্ছে। ফলে এবার বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে বিপুল গণজোয়ার থাকার পরও ধানের শীষের প্রার্থী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান শামীমকে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে।
শামীম ছাড়াও বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ ফজলুল আজিম, তার স্ত্রী শামীমা আজিম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানভীর উদ্দিন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন। এই তিনজনের মধ্যে যেকোনো একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে, মাহবুবুর রহমান শামীমের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে।
এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রাথী অ্যাডভোকেট শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি। গত দেড় বছর ধরে তিনি এলাকায় প্রচারাভিযান চালিয়ে আসছেন এবং মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
সম্প্রতি জাতীয় নাগরিক পার্টির সঙ্গে জামায়াত ইসলামীর নেতৃত্বে গঠিত ১১ দলীয় জোটের সঙ্গে আসন সমঝোতা হওয়ায় জামায়াত প্রার্থী মাহফুজুল হক তার প্রার্থীতা প্রত্যাহার করবেন —এটা অনেকটা নিশ্চিত। সে ক্ষেত্রে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসাবে থাকবেন জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রার্থী ও দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ।
মজার ব্যপার হচ্ছে, হান্নান মাসউদের পাশাপাশি এই আসনে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির হয়ে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন তাঁরই বাবা আমিরুল ইসলাম মো. আবদুল মালেক। যা ভোটারদের মাঝে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। দলটির চেয়ারম্যান শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী এবং দলীয় প্রতীক একতারা। অর্থাৎ পুত্র যখন শাপলা কলিকে পরিপূর্ণ শাপলা ফুটাতে ব্যস্ত থাকবেন, তখন তার বাবা একতারা বাজাবেন! তবে হান্নান মাসুদ বলেছেন, তার সমর্থনে তার বাবা মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিবেন।
সেই ক্ষেত্রে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মাহবুবুর রহমান শামীম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ফজলুল আজিম এবং ১১ দলীয় জোট প্রার্থী হান্নান মাসউদের মধ্যে হাড্ডাহাডি ত্রিমুখী লড়াই হবে। এই ত্রিমূখী লড়াইয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির হান্নান মাসুদের বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে —এমনটি মনে করেন, বিএনএ নিউজ টুয়েন্টিফোর এর দৈবচয়ন পদ্ধতিতে পরিচালিত জরিপে অংশগ্রহণকারি ভোটারগণ।
বিএনএ/ শামীমা চৌধুরী শাম্মী/এইচ.এম।
![]()

